বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা মানববন্ধন এবং বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এ কর্মসূচি ঘিরে দুপক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী সমিতির সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন আইনজীবী মানববন্ধন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর, আইনজীবী সুব্রত কুন্ডু, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, কুমার দেবুল দে প্রমুখ। তারা বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর এবং আইনজীবী সমিতির নিচতলা ও দ্বিতীয়তলা প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজি মো. তৌহিদুল ইসলাম, কাজী জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলের একপর্যায়ে সেখান থেকে মানববন্ধনরত আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সাবেক আইন সম্পাদক আবু সাঈদ সাগরের রুমে গিয়ে (দ্বিতীয় তলায় ২০২১ নম্বর কক্ষ) শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়।
আবু সাঈদ সাগর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জনপ্রিয়তা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে একদল আইনজীবী আমার রুমে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক কতিপয় আইনজীবী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করেছিল। এ ঘটনায় সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ছবি ভাঙচুরের ঘটনা জানা নেই।’

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১৯
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৯
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা মানববন্ধন এবং বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এ কর্মসূচি ঘিরে দুপক্ষের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী সমিতির সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন আইনজীবী মানববন্ধন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর, আইনজীবী সুব্রত কুন্ডু, চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, কুমার দেবুল দে প্রমুখ। তারা বরিশাল আদালতের এজলাস কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর এবং আইনজীবী সমিতির নিচতলা ও দ্বিতীয়তলা প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজি মো. তৌহিদুল ইসলাম, কাজী জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।
অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলের একপর্যায়ে সেখান থেকে মানববন্ধনরত আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সাবেক আইন সম্পাদক আবু সাঈদ সাগরের রুমে গিয়ে (দ্বিতীয় তলায় ২০২১ নম্বর কক্ষ) শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়।
আবু সাঈদ সাগর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জনপ্রিয়তা দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে একদল আইনজীবী আমার রুমে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক কতিপয় আইনজীবী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করেছিল। এ ঘটনায় সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ছবি ভাঙচুরের ঘটনা জানা নেই।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৩
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯