
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৮
ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু ঢাকায় না গিয়ে প্রেমিকার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ধরা পড়ে গেলেন স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মায়ের কাছে।
তবে স্বামীকে আটকাতে পারেননি এক সন্তানের জননী গৃহবধূ। উল্টো জনসম্মুখে স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। তাই ক্ষোভে-দুঃখে মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই গৃহবধূ।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে। এ সময় পথচারীরা দাঁড়িয়ে দেখলেও এগিয়ে আসেননি কেউ।
অভিযুক্ত স্বামী রবিউল ইসলাম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৭ বছর পূর্বে মুলাদী উপজেলার সেকান্দার মল্লিকের মেয়ে আঁখিকে পারিবারিক প্রস্তাবের মাধ্যমে বিয়ে করেন তিনি। সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
রবিউলের মা জানান, রবিউলের সাথে পূর্বে একটি মেয়ের পরিচয় ছিল। সেই মেয়ে রবিউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাও করেছে। মামলা চালাতে গিয়ে দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। এখন সেই মেয়ের সাথেই পরকিয়ার করে রবিউল। আজ (রোববার) বরিশালে এসে তাদের দু’জনকে একসঙ্গে ধরেছেন তারা।
রবিউলের স্ত্রী আঁখি জানান, তার স্বামী রবিউল বর্তমানে বেকার। গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর খোঁজ নেয়নি। সন্ধ্যায় ফোন করে যায় তিনি ঢাকা যাবেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরের দিকে স্বামীকে খোঁজ করতে শাশুড়িকে নিয়ে বরিশাল শহরের সদর রোড আসি। পরে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে স্বামী রবিউল ও তার প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ধরে ফেলি। আমাকে দেখা মাত্রই প্রেমিকার হাত ধরে দ্রুত পালাবার চেষ্টা করে দুজন। এই ঘটনায় স্বামী ও তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান গৃহবধূ আঁখি।
ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু ঢাকায় না গিয়ে প্রেমিকার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ধরা পড়ে গেলেন স্ত্রী এবং বৃদ্ধা মায়ের কাছে।
তবে স্বামীকে আটকাতে পারেননি এক সন্তানের জননী গৃহবধূ। উল্টো জনসম্মুখে স্বামীর হাতে মারধরের শিকার হন তিনি। তাই ক্ষোভে-দুঃখে মাটিতে গড়াগড়ি করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই গৃহবধূ।
ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (০৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে। এ সময় পথচারীরা দাঁড়িয়ে দেখলেও এগিয়ে আসেননি কেউ।
অভিযুক্ত স্বামী রবিউল ইসলাম ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৭ বছর পূর্বে মুলাদী উপজেলার সেকান্দার মল্লিকের মেয়ে আঁখিকে পারিবারিক প্রস্তাবের মাধ্যমে বিয়ে করেন তিনি। সংসারে তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
রবিউলের মা জানান, রবিউলের সাথে পূর্বে একটি মেয়ের পরিচয় ছিল। সেই মেয়ে রবিউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাও করেছে। মামলা চালাতে গিয়ে দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। এখন সেই মেয়ের সাথেই পরকিয়ার করে রবিউল। আজ (রোববার) বরিশালে এসে তাদের দু’জনকে একসঙ্গে ধরেছেন তারা।
রবিউলের স্ত্রী আঁখি জানান, তার স্বামী রবিউল বর্তমানে বেকার। গত শনিবার সকালে বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর খোঁজ নেয়নি। সন্ধ্যায় ফোন করে যায় তিনি ঢাকা যাবেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরের দিকে স্বামীকে খোঁজ করতে শাশুড়িকে নিয়ে বরিশাল শহরের সদর রোড আসি। পরে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে স্বামী রবিউল ও তার প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখে ধরে ফেলি। আমাকে দেখা মাত্রই প্রেমিকার হাত ধরে দ্রুত পালাবার চেষ্টা করে দুজন। এই ঘটনায় স্বামী ও তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান গৃহবধূ আঁখি।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
ন্যায্য দাবি আদায়ে আজ ১৮ জুলাই বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ বাস্তবায়নের জন্য বরিশাল নগরীসহ বিভাগের সকল জেলা-উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১২ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- মো. নাঈম (৩৫), নূর ইসলাম মোল্লা (৫৭), আব্দুর রহিম (৫৫) এবং তোফাজ্জেল হোসেন টিয়া (৬০)। তারা সবাই বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হাদীবাঁশকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। মামলার প্রথম তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে আব্দুর রহিম মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
এজাহারে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অভিযুক্তরা বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার কার্যালয়ে একটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করতে যায়। দলিলটি পর্যালোচনার সময় সহকারী কমিশনারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দলিলটি জাল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। পরে মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নং-৬) দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালালি ও তদবির করে আসছিলেন। এছাড়া নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, নামজারি, ভুয়া দলিল কিংবা ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ যদি দালালি বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, জাল দলিল ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে নামজারির চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ন্যায্য দাবি আদায়ে আজ ১৮ জুলাই বরিশাল নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বরিশাল অঞ্চল পরিচালক অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।
তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন। এছাড়া ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয়, বরিশাল বিভাগের সকল জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।
সমাবেশ বাস্তবায়নের জন্য বরিশাল নগরীসহ বিভাগের সকল জেলা-উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ, মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১২ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- মো. নাঈম (৩৫), নূর ইসলাম মোল্লা (৫৭), আব্দুর রহিম (৫৫) এবং তোফাজ্জেল হোসেন টিয়া (৬০)। তারা সবাই বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হাদীবাঁশকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। মামলার প্রথম তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে আব্দুর রহিম মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
এজাহারে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অভিযুক্তরা বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার কার্যালয়ে একটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করতে যায়। দলিলটি পর্যালোচনার সময় সহকারী কমিশনারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দলিলটি জাল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। পরে মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নং-৬) দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালালি ও তদবির করে আসছিলেন। এছাড়া নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, নামজারি, ভুয়া দলিল কিংবা ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ যদি দালালি বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, জাল দলিল ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে নামজারির চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭