
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪১
বরগুনার আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমির দ্বন্দ থামাতে গিয়ে আরেক চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম (৪০) নামে একজন খুন হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় নিজ বাড়ির সামনে এখুনের ঘটনা ঘটে।পুলিশ এ ঘটনায় মো.মুনসুর সিকদারসহ (৬৫)হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করেছে। এবং তার স্ত্রীকেও জিঞ্জাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। আমতলী থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মুনসুর সিকদার ও আপন ভাই ফরিদ সিকদারের মধ্যে পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ২৬ শতাংশ (৮কড়া) জমি নিয়ে প্রায় ২৫-৩০বছর ধরে দ্বন্দ চলে আসছে।এ নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকও হয়েছে।তাতেও কোন সুরহা হয়নি।ঘটনার দিন শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় এ দ্বন্দের জের ধরে মুনসুর সিকদার ছুরি নিয়ে তার আপন ভাই ফরিদ সিকদারকে হত্যার উদ্দেশে ধাওয়া করে।এ সময় মৃত্যু শামসু সিকদারের ছেলে আপন চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম সিকদার (৪০)।বাধা দিলে মুনসুর সিকদার তার বাম পাজরে ছুরি বসিয়ে দেন। সাথে সাথেই জহিরুল মাটিতে লুটিয়ে পরেন। স্থানীয় ও স্বজনরা জহিরুলকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
শালিসদার মো. লিমন হাওলাদার বলেন,মুনসুর সিকদার ও ফরিদ সিকদারের মধ্যে ২৬ শতাংশ (৮কড়া) জমি নিয়ে ২৫-৩০ বছর ধরে দ্বন্দ চলে আসছে। আমি এদ্বন্দ নিরসনের জন্য চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন সুরহা করা যায়নি। তিনি আরো বলেন, কাগজ পত্রে দেখা গেছে,মুনসুর হাওলাদারের কোন জমি নেই। তারপরও তিনি দাবী করছেন।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী নুপুর বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, মোর স্বামীরে কির লইগ্যা অরা মারছে আমি এইয়ার বিচার চাই। ছেলে, কান্না করছিলেন আর বলছিলেন, মোর বাপেরে অরা মাইর্যা মোগো এহন এতিম বানাইয়া দিছে। মোরা এহন কারে বাবা বইল্যা ডাকমু।
জহিরুলের মা রোকেয়া বেগম বার বার মুর্ছা যাচ্ছিলেন আর বিলাপ করছিলেন, মুই এহন কারে বাপ কইয়া ডাকমুও মোর বাপ তুই মোরে একবার মা কইয়া ডাক দে।কথাগুলো বলছিলেন আর বার বার বুক চাপরাচ্ছিলেন। এঘটনায় তিনি অপরাধীদের ফাসি দাবী করেন। আমতলী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামন বলেন, নিহত জহিরুলের বাম পাজরে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুনসুর সিকদারকে হত্যার ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করা হয়েছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরগুনার আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমির দ্বন্দ থামাতে গিয়ে আরেক চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম (৪০) নামে একজন খুন হয়েছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় নিজ বাড়ির সামনে এখুনের ঘটনা ঘটে।পুলিশ এ ঘটনায় মো.মুনসুর সিকদারসহ (৬৫)হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করেছে। এবং তার স্ত্রীকেও জিঞ্জাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। আমতলী থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মুনসুর সিকদার ও আপন ভাই ফরিদ সিকদারের মধ্যে পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ২৬ শতাংশ (৮কড়া) জমি নিয়ে প্রায় ২৫-৩০বছর ধরে দ্বন্দ চলে আসছে।এ নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকও হয়েছে।তাতেও কোন সুরহা হয়নি।ঘটনার দিন শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় এ দ্বন্দের জের ধরে মুনসুর সিকদার ছুরি নিয়ে তার আপন ভাই ফরিদ সিকদারকে হত্যার উদ্দেশে ধাওয়া করে।এ সময় মৃত্যু শামসু সিকদারের ছেলে আপন চাচাত ভাই জহিরুল ইসলাম সিকদার (৪০)।বাধা দিলে মুনসুর সিকদার তার বাম পাজরে ছুরি বসিয়ে দেন। সাথে সাথেই জহিরুল মাটিতে লুটিয়ে পরেন। স্থানীয় ও স্বজনরা জহিরুলকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
শালিসদার মো. লিমন হাওলাদার বলেন,মুনসুর সিকদার ও ফরিদ সিকদারের মধ্যে ২৬ শতাংশ (৮কড়া) জমি নিয়ে ২৫-৩০ বছর ধরে দ্বন্দ চলে আসছে। আমি এদ্বন্দ নিরসনের জন্য চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন সুরহা করা যায়নি। তিনি আরো বলেন, কাগজ পত্রে দেখা গেছে,মুনসুর হাওলাদারের কোন জমি নেই। তারপরও তিনি দাবী করছেন।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী নুপুর বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, মোর স্বামীরে কির লইগ্যা অরা মারছে আমি এইয়ার বিচার চাই। ছেলে, কান্না করছিলেন আর বলছিলেন, মোর বাপেরে অরা মাইর্যা মোগো এহন এতিম বানাইয়া দিছে। মোরা এহন কারে বাবা বইল্যা ডাকমু।
জহিরুলের মা রোকেয়া বেগম বার বার মুর্ছা যাচ্ছিলেন আর বিলাপ করছিলেন, মুই এহন কারে বাপ কইয়া ডাকমুও মোর বাপ তুই মোরে একবার মা কইয়া ডাক দে।কথাগুলো বলছিলেন আর বার বার বুক চাপরাচ্ছিলেন। এঘটনায় তিনি অপরাধীদের ফাসি দাবী করেন। আমতলী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামন বলেন, নিহত জহিরুলের বাম পাজরে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুনসুর সিকদারকে হত্যার ব্যবহৃত ছুরিসহ আটক করা হয়েছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী শেফালি বেগমকেও থানায় আনা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনার জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।