পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাত দেড় টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল দাস, স্টুডিও ব্যবসায়ী মো. ফরুক হোসেন, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিং, বদির ক্রোকারিজ, আনসার সিকদার মুদি মনোহরি, আরাফ কসমেটিকস, হাসান চাউলের দোকান, টুটুল কসমেটিকস, নিখিল খলিফা ও উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর।
এর মধ্যে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে কমল দাস, অসীম কর্মকার, আরাফ কসমেটিকস, টুটুল কসমেটিকস, উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর ও ফরুক স্টুডিও সহ অন্তত ৭টি দোকান। বাকি ৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে মো. হাসানের চাউলের দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলেও দ্রুত আশপাশের দোকান গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন, “গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।
মুহুর্তেই আমার সব শেষ হয়ে গেছে।” বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউ সইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন।
তবে এরই মধ্যে কয়েকটি দোকান পুড়েযায়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পাশের স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা পুষ্টিকর দুধের ৩০ প্যাকেট খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযোগ রয়েছে, একটি কার্টনের নিচের অংশ খুলে সেখান থেকে দুধের প্যাকেটগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দুধ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুধ বিতরণের প্রস্তুতির সময় একটি কার্টন খোলা হলে এর ভেতরে প্যাকেট কম পাওয়া যায়। পরে হিসাব করে ৩০ প্যাকেট দুধের ঘাটতি ধরা পড়ে। ফলে নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিন্না ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিম মাহমুদ ও তাঁর বন্ধু রাশেদের বিরুদ্ধে দুধ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিষয়ে চারজন শিক্ষার্থী ও একজন অভিভাবক সাক্ষী রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কত বড় কলিজা, স্কুল থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের দুধ চুরি করে খায়!’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাদিম মাহমুদ বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ওই এলাকায় নৌকা বাইচের আয়োজন ছিল। ওই সময় স্কুলে অতিথিদের জন্য ফল কাটার সময় দুধের প্যাকেটগুলো তাঁদের নজরে আসে। সেখান থেকে তাঁরা তিনটি প্যাকেট খেয়েছেন। তবে ৩০ প্যাকেট দুধ নেওয়া বা খাওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে দুধ বিতরণের আগে কার্টন খুলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি প্যাকেট নেই। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সরাসরি জানাব। তাই ফোনে বিস্তারিত কিছু বলতে চাইনি।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা পুষ্টিকর দুধের ৩০ প্যাকেট খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযোগ রয়েছে, একটি কার্টনের নিচের অংশ খুলে সেখান থেকে দুধের প্যাকেটগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দুধ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুধ বিতরণের প্রস্তুতির সময় একটি কার্টন খোলা হলে এর ভেতরে প্যাকেট কম পাওয়া যায়। পরে হিসাব করে ৩০ প্যাকেট দুধের ঘাটতি ধরা পড়ে। ফলে নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিন্না ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিম মাহমুদ ও তাঁর বন্ধু রাশেদের বিরুদ্ধে দুধ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিষয়ে চারজন শিক্ষার্থী ও একজন অভিভাবক সাক্ষী রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কত বড় কলিজা, স্কুল থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের দুধ চুরি করে খায়!’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাদিম মাহমুদ বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ওই এলাকায় নৌকা বাইচের আয়োজন ছিল। ওই সময় স্কুলে অতিথিদের জন্য ফল কাটার সময় দুধের প্যাকেটগুলো তাঁদের নজরে আসে। সেখান থেকে তাঁরা তিনটি প্যাকেট খেয়েছেন। তবে ৩০ প্যাকেট দুধ নেওয়া বা খাওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে দুধ বিতরণের আগে কার্টন খুলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি প্যাকেট নেই। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সরাসরি জানাব। তাই ফোনে বিস্তারিত কিছু বলতে চাইনি।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৫২
আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আয়োজনের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার সিনটেক্স পোশাক কারখানা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের রুবেল ইসলাম এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার গ্রামের শাহিন। তারা দুজনই সিনটেক্স কারখানায় সুইং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে কারখানার ভেতরে বাইরে থেকে লোকজন এনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে একটি আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বাইরের কয়েকজনও অংশ নেন। পরে আয়োজনের ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আটক করে।
আশুলিয়া থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আয়োজনের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার সিনটেক্স পোশাক কারখানা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের রুবেল ইসলাম এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার গ্রামের শাহিন। তারা দুজনই সিনটেক্স কারখানায় সুইং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে কারখানার ভেতরে বাইরে থেকে লোকজন এনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে একটি আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বাইরের কয়েকজনও অংশ নেন। পরে আয়োজনের ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আটক করে।
আশুলিয়া থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৪০
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিষখালী নদীতে ইলিশ শিকারে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কাছাকাছি বিষখালী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আবদুল মন্নান ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে একটি ট্রলারে করে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান আবদুল মন্নান। মাছ ধরার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারের জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধারে তৎপর হন। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় অনেকক্ষণ ধরে তল্লাশি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. পনির হাওলাদার বলেন, হঠাৎ করেই আবদুল মন্নান নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের জেলেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, বিষখালী নদীতে বর্তমানে স্রোতের তীব্রতা বেশি। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। বরিশাল থেকে ডুবুরি দলের সদস্যরা রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছানোর পর নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হবে।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডুবুরি দল সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের সহযোগিতায় নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিষখালী নদীতে ইলিশ শিকারে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের কাছাকাছি বিষখালী নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আবদুল মন্নান ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে একটি ট্রলারে করে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান আবদুল মন্নান। মাছ ধরার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারের জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধারে তৎপর হন। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় অনেকক্ষণ ধরে তল্লাশি চালিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি।
আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. পনির হাওলাদার বলেন, হঠাৎ করেই আবদুল মন্নান নদীতে পড়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের জেলেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, বিষখালী নদীতে বর্তমানে স্রোতের তীব্রতা বেশি। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। বরিশাল থেকে ডুবুরি দলের সদস্যরা রওনা হয়েছেন। তারা পৌঁছানোর পর নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু হবে।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডুবুরি দল সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের সহযোগিতায় নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাত দেড় টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এতে প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার ও কমল দাস, স্টুডিও ব্যবসায়ী মো. ফরুক হোসেন, পুতুল ফটোস্ট্যাট, কালু দাস মোবাইল সার্ভিসিং, বদির ক্রোকারিজ, আনসার সিকদার মুদি মনোহরি, আরাফ কসমেটিকস, হাসান চাউলের দোকান, টুটুল কসমেটিকস, নিখিল খলিফা ও উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর।
এর মধ্যে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে কমল দাস, অসীম কর্মকার, আরাফ কসমেটিকস, টুটুল কসমেটিকস, উজ্জ্বল ভ্যারাইটিজ স্টোর ও ফরুক স্টুডিও সহ অন্তত ৭টি দোকান। বাকি ৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে মো. হাসানের চাউলের দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলেও দ্রুত আশপাশের দোকান গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
জুয়েলারি ব্যবসায়ী অসীম কর্মকার বলেন, “গভীর রাতে আগুন লাগার কারণে কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।
মুহুর্তেই আমার সব শেষ হয়ে গেছে।” বাউফল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউ সইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন।
তবে এরই মধ্যে কয়েকটি দোকান পুড়েযায়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পাশের স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।