ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বিথী আক্তার (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার চাচাতো চাচা নজরুল ইসলাম (৩৩) ও রাহাতকে (১৮)
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বিথী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তুচ্ছ পারিবারিক বিষয় নিয়ে নজরুল ইসলাম ও রাহাতের বাগবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়।
এতে তার ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং হাত ভেঙে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় বিথীকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আহত পরীক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
পিরোজপুরের নাজিরপুরে নিজের মেয়েকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে অহিদুল মোল্লা নামের একজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত অহিদুল মোল্লা বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ডোবাতলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। তিনি নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন। পেশায় একজন অটোচালক।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসান মিয়াসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অহিদুলের প্রথম স্ত্রী কয়েক বছর আগে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পেই বিষপানে আত্মহত্যা করেন। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে যমজ ছেলে ও ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অহিদুল পুনরায় বিবাহ করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে প্রবাসে থাকায় ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন তার বাবা। দুই মাস আগে বিষয়টি দাদিকে জানালে তিনি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন অহিদুল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সোমবার সকালে শিশুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছে বিষয়টি প্রকাশ করে। পরে অহিদুল বাড়িতে ফিরলে স্থানীয়রা তাকে গণটিুনি দেন। একপর্যায়ে অপরাধ স্বীকার করেন অহিদুল।
খবর পেয়ে নাজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় অহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুরে নিজের মেয়েকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে অহিদুল মোল্লা নামের একজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত অহিদুল মোল্লা বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ডোবাতলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। তিনি নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করেন। পেশায় একজন অটোচালক।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসান মিয়াসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অহিদুলের প্রথম স্ত্রী কয়েক বছর আগে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পেই বিষপানে আত্মহত্যা করেন। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে যমজ ছেলে ও ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। ভিকটিম শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অহিদুল পুনরায় বিবাহ করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী বর্তমানে প্রবাসে থাকায় ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশু জানায়, তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ ৬ মাস ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন তার বাবা। দুই মাস আগে বিষয়টি দাদিকে জানালে তিনি কাউকে বলতে নিষেধ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন অহিদুল। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সোমবার সকালে শিশুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাছে বিষয়টি প্রকাশ করে। পরে অহিদুল বাড়িতে ফিরলে স্থানীয়রা তাকে গণটিুনি দেন। একপর্যায়ে অপরাধ স্বীকার করেন অহিদুল।
খবর পেয়ে নাজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় অহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়।
নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বিথী আক্তার (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার চাচাতো চাচা নজরুল ইসলাম (৩৩) ও রাহাতকে (১৮)
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বিথী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তুচ্ছ পারিবারিক বিষয় নিয়ে নজরুল ইসলাম ও রাহাতের বাগবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়।
এতে তার ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং হাত ভেঙে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় বিথীকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আহত পরীক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪