
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৭
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, গত ২২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রচারণা ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ করতে হবে।
সে অনুযায়ী আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বিধিমালার ৭ (ক) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া ৭ (খ) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য—যেমন রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট বা ব্যানার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
বিধিমালার ৭ (ঙ) ধারায় আরও বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত অন্যান্য সব প্রচার সামগ্রী—যেমন ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন—অবশ্যই সাদা-কালো রঙের হতে হবে।
ব্যানারের আয়তন সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল এ-ফোর সাইজের মধ্যে এবং ফেস্টুনের আয়তন অনধিক ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল বা ফেস্টুনে প্রার্থীর নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
এদিকে, ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি একটি স্পষ্টীকরণ নির্দেশনা জারি করেছে। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারদের এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হরাইজন্টাল (আনুভূমিক) কিংবা ভার্টিকাল (উলম্ব)—যেভাবেই হোক না কেন, ব্যানারের মাপ অনধিক ১০ ফুট বাই ৪ ফুট হলেই তা ব্যবহার করা যাবে।
অন্যদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে মুদ্রণালয় বা ছাপাখানার প্রতি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে, যা আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এতে আরও বলা হয়, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ—সবাইকে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে প্রচারণা চালাতে হবে। একইসঙ্গে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাগুলোকে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত যে কোনো ধরনের পোস্টার মুদ্রণ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, গত ২২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রচারণা ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ করতে হবে।
সে অনুযায়ী আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বিধিমালার ৭ (ক) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া ৭ (খ) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য—যেমন রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট বা ব্যানার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।
বিধিমালার ৭ (ঙ) ধারায় আরও বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত অন্যান্য সব প্রচার সামগ্রী—যেমন ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন—অবশ্যই সাদা-কালো রঙের হতে হবে।
ব্যানারের আয়তন সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল এ-ফোর সাইজের মধ্যে এবং ফেস্টুনের আয়তন অনধিক ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল বা ফেস্টুনে প্রার্থীর নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
এদিকে, ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি একটি স্পষ্টীকরণ নির্দেশনা জারি করেছে। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারদের এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হরাইজন্টাল (আনুভূমিক) কিংবা ভার্টিকাল (উলম্ব)—যেভাবেই হোক না কেন, ব্যানারের মাপ অনধিক ১০ ফুট বাই ৪ ফুট হলেই তা ব্যবহার করা যাবে।
অন্যদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে মুদ্রণালয় বা ছাপাখানার প্রতি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে, যা আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এতে আরও বলা হয়, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ—সবাইকে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে প্রচারণা চালাতে হবে। একইসঙ্গে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাগুলোকে নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত যে কোনো ধরনের পোস্টার মুদ্রণ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৮
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪২
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিনি অন্যান্য আইন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৪
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পাঠানো বার্তায় শি জিনপিং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখে রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
চীনের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তিনি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও গভীর করা, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব জোরদার করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
এদিকে একই উপলক্ষে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পৃথক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। এ ছাড়া চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.