‘দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ’ পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরিশালে জাঁকালো আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা রাতে শহরের পুলিশ লাইন সড়কের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং টেলিভিশন চ্যানেলের অসংখ্য সিনিয়র সাংবাদিকদের আগমনে গোটা অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
এর আগে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতপরবর্তী পত্রিকাটির বরিশাল ব্যুরো চিফ ও ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’, বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আয়োজন শুরু হয়।
পত্রিকাটির গত এক বছরের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির বরিশাল ব্যুরো চিফ মুরাদ আহমেদ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক কাজী মিরাজ মাহমুদ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী আল মামুন এবং বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
বক্তারা বিগত এক বছরে সংবাদমাধ্যমটির গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আগামীতে আরও কলবর বৃদ্ধি করাসহ উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
বিভাগীয় শহর বরিশালে রূপালী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনে অংশ নেন খ্যাতিমান কবি ও সাহিত্যিক হেনরী স্বপন, সিনিয়র সাংবাদিক ও বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল বিশ্বাস, আমার দেশ পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ নিকুঞ্জ বালা পলাশ, দৈনিক সমকাল পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী, খবরের কাগজের বরিশাল ব্যুরো মাইনুল ইসলাম সবুজ, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ সাইদ মেনন, বনিক বার্তা পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ এম মিরাজ হোসাইন, বাংলাভিশন টেলিভিশনের ব্যুরোপ্রধান শাহীন হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক ও যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওসার হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মো. আসাদুজ্জামান, দীপ্ত টিভির বরিশাল ব্যুরো চিফ মর্তুজা জুয়েল, বৈশাখী টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো চিফ মিথুন সাহা, যায়যায়দিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ আরিফ হোসেন, দখিনের প্রতিবেদন অনলাইন নিউজপোর্টালের সম্পাদক রাইসুল ইসলাম অভি, অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজের বরিশাল প্রতিবেদক শাওন খান, বাংলানিউজের প্রতিবেদক মুশফিক সৌরভ, স্টার নিউজের ব্যুরো চিফ সৈয়দ মেহেদী হাসান, স্থানীয় অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশাল বাণীর সম্পাদক মামুন অর রশিদ এবং সাংবাদিক সুমাইয়া জিসান প্রমুখ।
এছাড়াও বরিশাল সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল এবং অনলাইন নিউজপোর্টালের সাংবাদিকেরা আয়োজনে অংশ নেন। সাংবাদিকদের এই স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে গোটা আয়োজনস্থল উৎসবমুখর পরিবেশের অবতারণা হয়।
বিশেষ দিনে রূপালী বাংলাদেশের বরিশাল কেন্দ্রীয় এই আয়োজনকে ব্যতিক্রম হিসেবে অভিহিত করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তাদের ভাষায়, টেলিভিশন বা পত্রিকার সকল আয়োজনে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আধিক্য দেখা যায়। কিন্তু রূপালী বাংলাদেশ শুধু মাত্র সাংবাদিকদের নিয়ে এবার আয়োজন করেছে এবং সেখানে সাংবাদিক নেতাদের মর্যাদা ও গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা প্রশংসার দাবি রাখে, এমন মন্তব্য পাওয়া গেছে।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯
দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরোপ্রধান পুলক চ্যাটার্জির পরিবারের পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে সংবাদপত্রটি। পুলক চ্যাটার্জিকে সংবাদপত্রটির কার্যালয়ে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের তিন দিন পর এই টাকা পরিশোধ করা হলো। সমকালের বর্তমান বরিশাল ব্যুরোপ্রধান সুমন চৌধুরী জানিয়েছেন, গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর পুলকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জির ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর পরারা রোডে অবস্থিত সমকাল কার্যালয়ের ভেতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলক এর আগে বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বহু বছর ধরে নগরীর গণমাধ্যম অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৩ সালের মে মাসে তাকে সমকাল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, এ সময় তিনি গভীর মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন।
মৃত্যুর আগে পুলক পাঁচটি চিরকুট লিখে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহকর্মী সুমন চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে তিনি সমকাল কার্যালয়ে থাকা তার পাওনা টাকা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পুলক স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং একমাত্র মেয়ে প্রকৃতিকে রেখে গেছেন। স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে পুলক লিখেছেন, 'আমাকে ক্ষমা করো। এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছুই থেমে থাকে না।'
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, পুলক তার ছোট ভাই দীপক চ্যাটার্জিকেও স্ত্রী ও মেয়ের দেখাশোনা করার অনুরোধ করেছিলেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পুলক আত্মহত্যা করেছেন। তবে উদ্ধার করা চিরকুটগুলো আসল কি না, তা যাচাই এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরোপ্রধান পুলক চ্যাটার্জির পরিবারের পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে সংবাদপত্রটি। পুলক চ্যাটার্জিকে সংবাদপত্রটির কার্যালয়ে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের তিন দিন পর এই টাকা পরিশোধ করা হলো। সমকালের বর্তমান বরিশাল ব্যুরোপ্রধান সুমন চৌধুরী জানিয়েছেন, গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর পুলকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জির ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর পরারা রোডে অবস্থিত সমকাল কার্যালয়ের ভেতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলক এর আগে বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বহু বছর ধরে নগরীর গণমাধ্যম অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৩ সালের মে মাসে তাকে সমকাল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, এ সময় তিনি গভীর মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন।
মৃত্যুর আগে পুলক পাঁচটি চিরকুট লিখে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহকর্মী সুমন চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে তিনি সমকাল কার্যালয়ে থাকা তার পাওনা টাকা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পুলক স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং একমাত্র মেয়ে প্রকৃতিকে রেখে গেছেন। স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে পুলক লিখেছেন, 'আমাকে ক্ষমা করো। এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছুই থেমে থাকে না।'
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, পুলক তার ছোট ভাই দীপক চ্যাটার্জিকেও স্ত্রী ও মেয়ের দেখাশোনা করার অনুরোধ করেছিলেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পুলক আত্মহত্যা করেছেন। তবে উদ্ধার করা চিরকুটগুলো আসল কি না, তা যাচাই এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:১৬
‘দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ’ পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরিশালে জাঁকালো আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা রাতে শহরের পুলিশ লাইন সড়কের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং টেলিভিশন চ্যানেলের অসংখ্য সিনিয়র সাংবাদিকদের আগমনে গোটা অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
এর আগে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতপরবর্তী পত্রিকাটির বরিশাল ব্যুরো চিফ ও ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’, বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আয়োজন শুরু হয়।
পত্রিকাটির গত এক বছরের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির বরিশাল ব্যুরো চিফ মুরাদ আহমেদ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের পরিবর্তন পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক কাজী মিরাজ মাহমুদ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী আল মামুন এবং বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
বক্তারা বিগত এক বছরে সংবাদমাধ্যমটির গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আগামীতে আরও কলবর বৃদ্ধি করাসহ উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
বিভাগীয় শহর বরিশালে রূপালী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনে অংশ নেন খ্যাতিমান কবি ও সাহিত্যিক হেনরী স্বপন, সিনিয়র সাংবাদিক ও বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল বিশ্বাস, আমার দেশ পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ নিকুঞ্জ বালা পলাশ, দৈনিক সমকাল পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ সুমন চৌধুরী, খবরের কাগজের বরিশাল ব্যুরো মাইনুল ইসলাম সবুজ, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ সাইদ মেনন, বনিক বার্তা পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ এম মিরাজ হোসাইন, বাংলাভিশন টেলিভিশনের ব্যুরোপ্রধান শাহীন হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক ও যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওসার হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মো. আসাদুজ্জামান, দীপ্ত টিভির বরিশাল ব্যুরো চিফ মর্তুজা জুয়েল, বৈশাখী টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো চিফ মিথুন সাহা, যায়যায়দিন পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো চিফ আরিফ হোসেন, দখিনের প্রতিবেদন অনলাইন নিউজপোর্টালের সম্পাদক রাইসুল ইসলাম অভি, অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজের বরিশাল প্রতিবেদক শাওন খান, বাংলানিউজের প্রতিবেদক মুশফিক সৌরভ, স্টার নিউজের ব্যুরো চিফ সৈয়দ মেহেদী হাসান, স্থানীয় অনলাইন নিউজপোর্টাল বরিশাল বাণীর সম্পাদক মামুন অর রশিদ এবং সাংবাদিক সুমাইয়া জিসান প্রমুখ।
এছাড়াও বরিশাল সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল এবং অনলাইন নিউজপোর্টালের সাংবাদিকেরা আয়োজনে অংশ নেন। সাংবাদিকদের এই স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে গোটা আয়োজনস্থল উৎসবমুখর পরিবেশের অবতারণা হয়।
বিশেষ দিনে রূপালী বাংলাদেশের বরিশাল কেন্দ্রীয় এই আয়োজনকে ব্যতিক্রম হিসেবে অভিহিত করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তাদের ভাষায়, টেলিভিশন বা পত্রিকার সকল আয়োজনে প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আধিক্য দেখা যায়। কিন্তু রূপালী বাংলাদেশ শুধু মাত্র সাংবাদিকদের নিয়ে এবার আয়োজন করেছে এবং সেখানে সাংবাদিক নেতাদের মর্যাদা ও গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা প্রশংসার দাবি রাখে, এমন মন্তব্য পাওয়া গেছে।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৩
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭