Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৬
শিগগিরই বাংলাদেশ পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশ সার্জেন্টের শূন্যপদ পূরণে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে ১৮০টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে খুব শিগগিরই ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লিশ বাহিনীতে জরুরি ভিত্তিতে খুব শিগগিরই ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দ্রুত শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
শিগগিরই বাংলাদেশ পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশ সার্জেন্টের শূন্যপদ পূরণে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে ১৮০টি পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে খুব শিগগিরই ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লিশ বাহিনীতে জরুরি ভিত্তিতে খুব শিগগিরই ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দ্রুত শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০১
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার তথা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের অংশ হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর আওতায় সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের ওপর ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর ফল ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রথম গেজেট অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩, যার মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬।
সংশোধিত গেজেটে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট কমে হয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। মোট প্রদত্ত ভোট দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭। এর মধ্যে বাতিল ভোট ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ এবং বৈধ ভোট ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ এবং ‘না’ ভোট কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫। যদিও বৈধ ভোটের সংখ্যা কমেছে, বাতিল ভোট বেড়েছে ১২ হাজার ৫৫৯। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬।
তবে এই সংশোধনের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুধু জানানো হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমেই সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এই গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩১
বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি জুলাইকে অসম্মান করে সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় তাকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশটি পাঠান। নোটিশটি সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবের কাছে প্রেরণ করেন তিনি।
আইনি নোটিশে বলা হয়, জুলাইকে অসম্মান করে সাম্প্রতিক বক্তব্য দেওয়ায় শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। আর তাই তাকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উদ্বোধন করাতে সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গত ১৭ বছর অনিয়ম ও দুর্নীতি করে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করা হয়েছে। নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি।
এখন সবই চলবে নিয়মের ওপর। দেশের আইপি টিভি ও অনলাইন পোর্টালগুলোকে একটি নীতিমামলার আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের নান্দাইল প্রেস ক্লাব পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একটি মোবাইল ফোনকে সম্বল করে যারা অনলাইন পোর্টাল চালাচ্ছেন, তাদের সরকারি নীতিমালা মেনে কাজ করতে হবে। তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে খর্ব করতে চায় না। কারণ, স্বাধীন গণমাধ্যম গণতন্ত্র বিকাশে অপরিহার্য বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নানা পরামর্শ ও নির্দেশ দেন। পরে তিনি নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার তথা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের অংশ হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর আওতায় সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের ওপর ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর ফল ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রথম গেজেট অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩, যার মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬।
সংশোধিত গেজেটে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট কমে হয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। মোট প্রদত্ত ভোট দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭। এর মধ্যে বাতিল ভোট ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ এবং বৈধ ভোট ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ এবং ‘না’ ভোট কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫। যদিও বৈধ ভোটের সংখ্যা কমেছে, বাতিল ভোট বেড়েছে ১২ হাজার ৫৫৯। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬।
তবে এই সংশোধনের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুধু জানানো হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমেই সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এই গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।
বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি জুলাইকে অসম্মান করে সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় তাকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশটি পাঠান। নোটিশটি সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবের কাছে প্রেরণ করেন তিনি।
আইনি নোটিশে বলা হয়, জুলাইকে অসম্মান করে সাম্প্রতিক বক্তব্য দেওয়ায় শপথ ভেঙেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। আর তাই তাকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উদ্বোধন করাতে সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গত ১৭ বছর অনিয়ম ও দুর্নীতি করে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করা হয়েছে। নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি।
এখন সবই চলবে নিয়মের ওপর। দেশের আইপি টিভি ও অনলাইন পোর্টালগুলোকে একটি নীতিমামলার আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের নান্দাইল প্রেস ক্লাব পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একটি মোবাইল ফোনকে সম্বল করে যারা অনলাইন পোর্টাল চালাচ্ছেন, তাদের সরকারি নীতিমালা মেনে কাজ করতে হবে। তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে খর্ব করতে চায় না। কারণ, স্বাধীন গণমাধ্যম গণতন্ত্র বিকাশে অপরিহার্য বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নানা পরামর্শ ও নির্দেশ দেন। পরে তিনি নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৫৭
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৪০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০১:৩১
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪২