
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮