
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪২
নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দক্ষিণাঞ্চলের বরিশালে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নগরীর বেলস পার্ক মাঠে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। জনসভায় যোগ দিতে বরিশালে পৌঁছেছেন তারেক রহমান বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে তিনি বরিশালে পৌঁছান।
এদিকে ২০ বছর পর তারেক রহমানের আগমন ঘিরে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে বরিশাল। সড়কের দুপাশে ব্যানার প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে গেছে শহর।
জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ঘিরে বিএনপির পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির কথা জানাবেন দলের চেয়ারম্যান। জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় গেলে তাদের দেওয়া অঙ্গীকার পূরণে কি করণীয় তাও জানাবেন বলে আশা করছেন বরিশালের নেতাকর্মীরা।
বিভাগের নানা সমস্যার সমাধান ও এখানকার মানুষের অধিকার রক্ষায় বিএনপি কাজ করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।
বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের বিএনপি মনোনীত ১৯ ও শরিকদের জন প্রার্থী মঞ্চ আসেন। তাদের জন্য ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
দুপুরে বরিশালের জনসমাবেশ শেষে হেলিকপ্টারযোগে ফরিদপুরে পৌঁছে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দক্ষিণাঞ্চলের বরিশালে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নগরীর বেলস পার্ক মাঠে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। জনসভায় যোগ দিতে বরিশালে পৌঁছেছেন তারেক রহমান বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে তিনি বরিশালে পৌঁছান।
এদিকে ২০ বছর পর তারেক রহমানের আগমন ঘিরে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে বরিশাল। সড়কের দুপাশে ব্যানার প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে গেছে শহর।
জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ঘিরে বিএনপির পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির কথা জানাবেন দলের চেয়ারম্যান। জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় গেলে তাদের দেওয়া অঙ্গীকার পূরণে কি করণীয় তাও জানাবেন বলে আশা করছেন বরিশালের নেতাকর্মীরা।
বিভাগের নানা সমস্যার সমাধান ও এখানকার মানুষের অধিকার রক্ষায় বিএনপি কাজ করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তারা।
বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের বিএনপি মনোনীত ১৯ ও শরিকদের জন প্রার্থী মঞ্চ আসেন। তাদের জন্য ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
দুপুরে বরিশালের জনসমাবেশ শেষে হেলিকপ্টারযোগে ফরিদপুরে পৌঁছে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪২
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৩
বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ২টি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। (৩০শে মার্চ সোমবার) দুপুর ১২টার সময় বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরে উদ্যোগে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন।
অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী চরকাউয়া এলাকার ড্রাম চিমনিযুক্ত মেসার্স ফাইভ স্টার ব্রিকস, প্রোঃ মোঃ সরোয়ার হাওলাদার গং কে ১,৫০,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) জরিমানা ও ইটভাটার চিমনী ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিস দ্বারা কাচা ইট নষ্ট করা হয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা ও মাটি কাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, লুনা ব্রিকসে অবৈধ ভাবে পাঁজা তৈরি করে ইট তৈরি করে আসছে। এ পূর্বেও গত ডিসেম্বর মাসে তাদের ২লক্ষ টাকা জরিমানা, অবৈধ ড্রাম চিমনি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।
অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টেরপেয়ে মেসার্স লুনা ব্রিকস ইটভাটার মালিক ও ম্যানেজার পালিয়ে গেছে। তাদের অবৈধ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। কাউকে আটক করা সম্ভব হয় নি।
এছাড়া ফাইভ স্টার ব্রিকসকে আজ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করা, অবৈধ চিমনি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি ঢেলে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো বলেন, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন ফাইভ স্টার ব্রিকস ইটভাটা কতৃপক্ষকে ৭দিনে সময় দিয়েছেন।
৭দিনের ভিতর তাদের সকল অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ও অবৈধ ইটভাটা অপসারণ করা এবং ফাইভ স্টার কতৃপক্ষ মুসলেকা দিয়েছে। আমরা কাউকে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবো না। এ অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় ও বরিশাল জেলা কার্যালয়ের দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ২টি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। (৩০শে মার্চ সোমবার) দুপুর ১২টার সময় বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরে উদ্যোগে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন।
অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী চরকাউয়া এলাকার ড্রাম চিমনিযুক্ত মেসার্স ফাইভ স্টার ব্রিকস, প্রোঃ মোঃ সরোয়ার হাওলাদার গং কে ১,৫০,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) জরিমানা ও ইটভাটার চিমনী ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিস দ্বারা কাচা ইট নষ্ট করা হয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা ও মাটি কাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, লুনা ব্রিকসে অবৈধ ভাবে পাঁজা তৈরি করে ইট তৈরি করে আসছে। এ পূর্বেও গত ডিসেম্বর মাসে তাদের ২লক্ষ টাকা জরিমানা, অবৈধ ড্রাম চিমনি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।
অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টেরপেয়ে মেসার্স লুনা ব্রিকস ইটভাটার মালিক ও ম্যানেজার পালিয়ে গেছে। তাদের অবৈধ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। কাউকে আটক করা সম্ভব হয় নি।
এছাড়া ফাইভ স্টার ব্রিকসকে আজ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করা, অবৈধ চিমনি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি ঢেলে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো বলেন, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন ফাইভ স্টার ব্রিকস ইটভাটা কতৃপক্ষকে ৭দিনে সময় দিয়েছেন।
৭দিনের ভিতর তাদের সকল অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ও অবৈধ ইটভাটা অপসারণ করা এবং ফাইভ স্টার কতৃপক্ষ মুসলেকা দিয়েছে। আমরা কাউকে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবো না। এ অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় ও বরিশাল জেলা কার্যালয়ের দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২৪
সারাদেশের মতো বরিশাল বিভাগজুড়েও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সংক্রামক রোগ হাম এ আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ২০৬ শিশুর শরীরে হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৭৭ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত্যুর অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিভাগের ভোলা জেলায় হামের টিকার সংকট রয়েছে। তবে বরিশালসহ অন্যান্য পাঁচ জেলায় টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
বরিশাল বিভাগের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ গত তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই আক্রান্ত হয়েছে ৮৯ জন, যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির ইঙ্গিত দেয়।
সোমবার (৩০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ৩৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। যেখানে সংক্রমণ রোধে তাদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে আরও এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, যার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার বলেন, ‘সাত দিন আগে আমার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বলে শনাক্ত করেন। এরপরই অন্য শিশু রোগীদের কাছ থেকে আমার শিশুকে আলাদা করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখানকার চিকিৎসাসেবার মান মোটামুটি ভালো।’
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, 'শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখছি। হাসপাতালে হামের টিকা পর্যাপ্ত রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে।' তাঁরা সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, 'হাম অত্যন্ত সংক্রামক। ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সীর এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।'
সারাদেশের মতো বরিশাল বিভাগজুড়েও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সংক্রামক রোগ হাম এ আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ২০৬ শিশুর শরীরে হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৭৭ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত্যুর অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিভাগের ভোলা জেলায় হামের টিকার সংকট রয়েছে। তবে বরিশালসহ অন্যান্য পাঁচ জেলায় টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
বরিশাল বিভাগের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ গত তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই আক্রান্ত হয়েছে ৮৯ জন, যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির ইঙ্গিত দেয়।
সোমবার (৩০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ৩৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। যেখানে সংক্রমণ রোধে তাদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে আরও এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, যার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার বলেন, ‘সাত দিন আগে আমার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বলে শনাক্ত করেন। এরপরই অন্য শিশু রোগীদের কাছ থেকে আমার শিশুকে আলাদা করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখানকার চিকিৎসাসেবার মান মোটামুটি ভালো।’
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, 'শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখছি। হাসপাতালে হামের টিকা পর্যাপ্ত রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে।' তাঁরা সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, 'হাম অত্যন্ত সংক্রামক। ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সীর এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাই তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.