Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:২৯
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেলে জোর করে কক্ষে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে মো. হালিম নামে একজনকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হালিমকে স্থানীয়রা পাকড়াও করলে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ শাস্তি দেন।
অভিযুক্ত হালিম বরগুনার ফুলবুনিয়া এলাকার মৃত কামাল মূর্ধা ছেলে। তিনি কুয়াকাটার হোটেল কেয়ার নামে একটি টিনশেডের ৪ কক্ষের হোটেল ভাড়ায় নিয়ে চালাতেন।
জানা যায়, বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৪টার দিকে অভিযুক্ত হালিম একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করে। উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতবাভে দুটি দুই সিট বিশিষ্ট রুমকে টার্গেট করে কৌশলে রুমে প্রবেশ করেন।
সেখানে নারী-পুরুষ পর্যটকদের ভিডিও ধারণ করেন ও বিভিন্নভাবে চাপপ্রয়োগ করে পুলিশের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে সেই পর্যটক রাতেই হোটেল ত্যাগ করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হালিমকে পাকড়াও করে স্থানীয়রা।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্ত হালিমকে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অভিযোগকারী হোটেলের মালিক মো. শাকিল জানান, আমাদের হোটেলে রাতে দুটি রুম ভাড়া দিয়ে আমি বিশ্রামে যাই। গভীর রাতে হোটেলের স্টাফদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই রুমে কৌশলে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণ করে করে। সকালে আমি জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন, একটি হোটেলের রুমে প্রবেশ করে পর্যটকদের জোর করে ছবি তোলার অভিযোগ এলে আমরা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত হালিমের মোবাইল চেক করি।
মোবাইলে ওই ভিডিও পাওয়া যায়। পরে আমরা তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসি। তিনি আরও বলেন, আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছি। এ ধরনের অপরাধীদের জন্য এটি একটি বার্তা, যাতে এমন দুঃসাহস আর কেউ না দেখায়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেলে জোর করে কক্ষে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগে মো. হালিম নামে একজনকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হালিমকে স্থানীয়রা পাকড়াও করলে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ শাস্তি দেন।
অভিযুক্ত হালিম বরগুনার ফুলবুনিয়া এলাকার মৃত কামাল মূর্ধা ছেলে। তিনি কুয়াকাটার হোটেল কেয়ার নামে একটি টিনশেডের ৪ কক্ষের হোটেল ভাড়ায় নিয়ে চালাতেন।
জানা যায়, বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৪টার দিকে অভিযুক্ত হালিম একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করে। উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতবাভে দুটি দুই সিট বিশিষ্ট রুমকে টার্গেট করে কৌশলে রুমে প্রবেশ করেন।
সেখানে নারী-পুরুষ পর্যটকদের ভিডিও ধারণ করেন ও বিভিন্নভাবে চাপপ্রয়োগ করে পুলিশের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে সেই পর্যটক রাতেই হোটেল ত্যাগ করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হালিমকে পাকড়াও করে স্থানীয়রা।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্ত হালিমকে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
অভিযোগকারী হোটেলের মালিক মো. শাকিল জানান, আমাদের হোটেলে রাতে দুটি রুম ভাড়া দিয়ে আমি বিশ্রামে যাই। গভীর রাতে হোটেলের স্টাফদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই রুমে কৌশলে প্রবেশ করে ভিডিও ধারণ করে করে। সকালে আমি জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন, একটি হোটেলের রুমে প্রবেশ করে পর্যটকদের জোর করে ছবি তোলার অভিযোগ এলে আমরা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত হালিমের মোবাইল চেক করি।
মোবাইলে ওই ভিডিও পাওয়া যায়। পরে আমরা তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসি। তিনি আরও বলেন, আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছি। এ ধরনের অপরাধীদের জন্য এটি একটি বার্তা, যাতে এমন দুঃসাহস আর কেউ না দেখায়।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার থানা ব্রিজ থেকে মৌকরণ পর্যন্ত এলজিইডি সড়কটি এখন স্থানীয়দের কাছে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়কে চলাচলকারী শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে ডোবায় পরিণত হয়। এতে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অটোরিকশা চালকরা বাধ্য হয়ে থানা ব্রিজ-লাউকাঠী হয়ে শ্রীরামপুর বাজারের কাঁচা বিকল্প সড়ক ব্যবহার করছেন। এতে যাত্রীদের একদিকে যেমন মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
এই সড়কের পাশেই অবস্থিত উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র লুথার্যান হেলথ কেয়ার হাসপাতাল। কিন্তু রাস্তার ভয়াবহ অবস্থার কারণে মুমূর্ষু রোগী পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রসূতি মা ও জরুরি রোগীদের নিয়ে এই পথে যাতায়াত করা এখন প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হাওলাদার বলেন, ‘বৃষ্টির পর এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।
রিকশা বা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হওয়াই দায়।’ অটোচালক জলিল মৃধা জানান, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে প্রতিদিন যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। উপার্জনের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে গ্যারেজে।’
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হুমায়ুন কবির মৃধা বলেন, ‘সড়কটি মেরামতের জন্য আমরা উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে বারবার তাগিদ দিয়েছি। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হবে।’
উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান জানান, সড়কটি শুধু মেরামত নয়, প্রশস্তও করা হবে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হলেও রাস্তার পাশের গাছ কাটা নিয়ে এলজিইডি ও বন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
এই প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন হলেই মূল কাজ শুরু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমন্বয়হীনতা দূর করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করবে— এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার থানা ব্রিজ থেকে মৌকরণ পর্যন্ত এলজিইডি সড়কটি এখন স্থানীয়দের কাছে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়কে চলাচলকারী শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে ডোবায় পরিণত হয়। এতে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অটোরিকশা চালকরা বাধ্য হয়ে থানা ব্রিজ-লাউকাঠী হয়ে শ্রীরামপুর বাজারের কাঁচা বিকল্প সড়ক ব্যবহার করছেন। এতে যাত্রীদের একদিকে যেমন মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
এই সড়কের পাশেই অবস্থিত উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র লুথার্যান হেলথ কেয়ার হাসপাতাল। কিন্তু রাস্তার ভয়াবহ অবস্থার কারণে মুমূর্ষু রোগী পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রসূতি মা ও জরুরি রোগীদের নিয়ে এই পথে যাতায়াত করা এখন প্রায় অসম্ভব। স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হাওলাদার বলেন, ‘বৃষ্টির পর এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা বিপজ্জনক হয়ে পড়ে।
রিকশা বা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হওয়াই দায়।’ অটোচালক জলিল মৃধা জানান, ‘ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে প্রতিদিন যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। উপার্জনের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে গ্যারেজে।’
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হুমায়ুন কবির মৃধা বলেন, ‘সড়কটি মেরামতের জন্য আমরা উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে বারবার তাগিদ দিয়েছি। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হবে।’
উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান জানান, সড়কটি শুধু মেরামত নয়, প্রশস্তও করা হবে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হলেও রাস্তার পাশের গাছ কাটা নিয়ে এলজিইডি ও বন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
এই প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন হলেই মূল কাজ শুরু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমন্বয়হীনতা দূর করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করবে— এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।