ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪০
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা রাহাত, জিসান এবং ইমন।
জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলাটি করেন।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের একজন জরুরি কথা বলার কথা বলে তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও চার কিশোর অবস্থান করছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তদের একজন মোবাইলে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাহাত, ইমন, জিহাদ, রহিম এবং জিসান নামে পাঁচ কিশোরকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাহাত, জিসান ও ইমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে ঘটনাটির সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৯
ভোলার নদী ভাঙনের একমাত্র কারণ হচ্ছে মেঘনা - তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। আর সেই বালু উত্তোলন বন্ধে এবার সরকারি ১৯ টি দপ্তরে আইনি নোটিশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট ১০টি সরকারি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন নোটিশটি পাঠান। নোটিশে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ ভোলা কার্যালয়কে নোটিশ প্রাপক করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গন মাধ্যমে ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এর ফলে জেলার বিস্তীর্ণ ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং হাজার হাজার বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি বা খাস জমি, নদীর তলদেশ কিংবা চরভূমি থেকে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দন্ডনীয় অপরাধ। এরপরও সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অবিলম্বে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ব্যবহৃত ড্রেজার, বালুবাহী নৌযান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ, জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীতীর রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনগণের মৌলিক অধিকার এবং পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন নোটিশ প্রেরক।
নোটিশ প্রেরক অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন বলেন, “ভোলার মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ ও জনস্বার্থে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হব।
স্থানীয় জনগন এ নোটিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ভোলাবাসীর একটাই দাবী "ভোলার বালু উত্তোলন বন্ধ করুন, ভোলাকে রক্ষা করুন "। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জোরালো ভুমিকা পালন করার উপর গুরুত্ব দিয়ে ভোলাকে রক্ষা করার দাবী জানান।
বরিশাল টাইমস
ভোলার নদী ভাঙনের একমাত্র কারণ হচ্ছে মেঘনা - তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। আর সেই বালু উত্তোলন বন্ধে এবার সরকারি ১৯ টি দপ্তরে আইনি নোটিশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট ১০টি সরকারি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন নোটিশটি পাঠান। নোটিশে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ ভোলা কার্যালয়কে নোটিশ প্রাপক করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গন মাধ্যমে ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এর ফলে জেলার বিস্তীর্ণ ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং হাজার হাজার বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি বা খাস জমি, নদীর তলদেশ কিংবা চরভূমি থেকে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দন্ডনীয় অপরাধ। এরপরও সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে অবিলম্বে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, ব্যবহৃত ড্রেজার, বালুবাহী নৌযান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ, জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদীতীর রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় জনগণের মৌলিক অধিকার এবং পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন নোটিশ প্রেরক।
নোটিশ প্রেরক অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন বলেন, “ভোলার মানুষ বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ ও জনস্বার্থে আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হব।
স্থানীয় জনগন এ নোটিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। ভোলাবাসীর একটাই দাবী "ভোলার বালু উত্তোলন বন্ধ করুন, ভোলাকে রক্ষা করুন "। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে জোরালো ভুমিকা পালন করার উপর গুরুত্ব দিয়ে ভোলাকে রক্ষা করার দাবী জানান।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০