Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩০
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকিতে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পঞ্চম তলা থেকে পড়ে দুই নির্মাণশ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুমকি উপজেলার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) মেইন গেট সংলগ্ন মুসলিমপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন ‘প্রফেসর্স টাওয়ার’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় কাজ করার সময় খাদেম হোসেন (২০) ও মুমিন (৩৫) নামে দুই শ্রমিক নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, ভবনটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কোনো সুরক্ষা নেটিং বা সিলিং ব্যবহার করা হয়নি। কাজ করার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তারা নিচে পড়ে যান।
পরে সহকর্মীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ভবনের মালিক বা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমিতে লাগানো প্রায় দুই শতাধিক গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি কুয়াকাটায় পর্যটন ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে বিনিয়োগের অংশ হিসেবে ওই জমিতে পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছের বাগান তৈরি করেছিল। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তারা দেখতে পান জমিতে লাগানো পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছসহ প্রায় ২০০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে গাছগুলো কেটে ফেলে। ঘটনার পর বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত করতে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (উজিফা) আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, কুয়াকাটার মতো উপকূলীয় এলাকায় গাছ কেটে ফেলা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা রাতের আঁধারে এভাবে গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংসের চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট ওনার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটার মতো পর্যটন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বিনিয়োগকারীরা এখানে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে। তাদের সহযোগিতা না করলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পঞ্চম তলা থেকে পড়ে দুই নির্মাণশ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুমকি উপজেলার পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) মেইন গেট সংলগ্ন মুসলিমপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন ‘প্রফেসর্স টাওয়ার’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় কাজ করার সময় খাদেম হোসেন (২০) ও মুমিন (৩৫) নামে দুই শ্রমিক নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, ভবনটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে কোনো সুরক্ষা নেটিং বা সিলিং ব্যবহার করা হয়নি। কাজ করার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তারা নিচে পড়ে যান।
পরে সহকর্মীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ভবনের মালিক বা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন জমিতে লাগানো প্রায় দুই শতাধিক গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জমিতে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি কুয়াকাটায় পর্যটন ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে বিনিয়োগের অংশ হিসেবে ওই জমিতে পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছের বাগান তৈরি করেছিল। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সুইট ড্রিম ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তারা দেখতে পান জমিতে লাগানো পাম, বাবলা ও বার্মিজ সুপারি গাছসহ প্রায় ২০০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে বুধবার (১১ মার্চ) গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানে ঢুকে গাছগুলো কেটে ফেলে। ঘটনার পর বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত করতে মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (উজিফা) আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, কুয়াকাটার মতো উপকূলীয় এলাকায় গাছ কেটে ফেলা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। উপকূলের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা রাতের আঁধারে এভাবে গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংসের চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট ওনার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটার মতো পর্যটন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বিনিয়োগকারীরা এখানে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে। তাদের সহযোগিতা না করলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে।