
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৩৩

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সবুজ (৩০) নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের দা ও লাঠির আঘাতে একই পরিবারের অন্তত চারজন গুরুতর আহত এবং এক শিশু নিহত হয়েছে। হামলাকারী যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এঘটনা ঘটে। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে একটি প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করছিল। এরপরে রাত ১০টার দিকে ওই গাছটি থেকে নিরাপদে নামিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু পুত্র সাফায়েত (০৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরি ঘাটে মৃত্যু হয়।
অন্য আহতরা হলেন, বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (০৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা। অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করে প্রাথমিকভাবে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম চলমান।’
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সবুজ (৩০) নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের দা ও লাঠির আঘাতে একই পরিবারের অন্তত চারজন গুরুতর আহত এবং এক শিশু নিহত হয়েছে। হামলাকারী যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরহোসনাবাদ গ্রামের মৃধা বাড়িতে এঘটনা ঘটে। হামলাকারী সবুজ মৃধা মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তিনি একই বাড়ির আবু মৃধার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো প্রকার পূর্বশত্রুতা ছাড়াই আচমকা সবুজ মৃধা বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিতভাবে দা ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তার হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে সবুজ পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে না পেরে সে বাড়ির পাশের একটি উঁচু গাছের চূড়ায় আশ্রয় নেয়।
এরই মধ্যে আহতদের স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কিছু গ্রামবাসী গাছ ঘিরে রাখে যাতে সবুজ পালাতে না পারে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় রাত ১০টার দিকে চার ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে নিরাপদে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাছের চূড়ায় অবস্থান নেওয়া সবুজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে পুলিশ সদস্যদের দিকে আঘাত করার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা গাছ কেটে তাকে নামানোর চেষ্টা করলে সবুজ একটি গাছ থেকে লাফিয়ে আরেকটি চাম্বল গাছের চূড়ায় উঠে যায়। এভাবে সে একে একে চারটি গাছ পরিবর্তন করে একটি প্রায় ৭০ ফুট উঁচু চাম্বল গাছের চূড়ায় অবস্থান করছিল। এরপরে রাত ১০টার দিকে ওই গাছটি থেকে নিরাপদে নামিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে জামাল বেপারীর শিশু পুত্র সাফায়েত (০৮) বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাউফল উপজেলার বগা ফেরি ঘাটে মৃত্যু হয়।
অন্য আহতরা হলেন, বাহাদুর মুন্সির স্ত্রী মরিয়ম (২৮) ও তাদের শিশু ছেলে মুহিত হাসান (০৮), সাইদুলের স্ত্রী নাসিমা (৩২), পঞ্চম আলীর ছেলে বাবুল (৪৭)। তারা সবাই একই বাড়ির বাসিন্দা। অপর আহত দুজন নাসিমা ও বাবুল বর্তমানে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রাহুল বিন হালিম বলেন, গুরুতর আহত দুই শিশু সাফায়েত ও মুহিত হাসান এবং মুহিতের মা মরিয়মের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক সবুজকে গাছ থেকে নামিয়ে গ্রেপ্তার করে প্রাথমিকভাবে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম চলমান।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ আসনের অন্তর্গত মির্জাগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি কর্তৃক গঠিত ‘যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিম- পটুয়াখালী-০১’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সমন্বয়ক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী।
প্রধান অতিথি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা শেষ না হওয়া এবং কাঙ্খিত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখানে ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট নিশ্চিত করতে হবে এবং এর মধ্যে অন্তত ৭৫ শতাংশ ভোট আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।”
তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণার কৌশল
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ.বি.এম মহসিন বিশ্বাস নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই। ভোটারদের কাছে, বিশেষ করে মা-বোনদের কাছে অত্যন্ত মার্জিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং বিএনপির লক্ষ্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতে হবে। ছদ্মবেশী রাজনৈতিক শক্তির সমালোচনা করে মহসিন বিশ্বাস আরও বলেন, "একটি পক্ষ ইসলামী দলের পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে মওদুদীবাদীরা কখনও প্রকৃত ইসলাম শক্তি হতে পারে না। তারা যাতে ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী রাশেদ সামস-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব গাজী আতাউর রহমান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,খন্দকার মো. রিয়াজ,অ্যাডভোকেট এম.এ মজিদ (মানিক),সাইফ খান মিজান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুজন, সিদ্দিক চৌধুরী ও আব্দুর রহিম চান। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০১ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.)
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করতে যুবদল অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে বিএনপির উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ না ভোটের ব্যালট পেপার রেখেছে নির্বাচন কমিশন। হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানা নেই পটুয়াখালী-২ বাউফল উপজেলার গ্রামগঞ্জের অধিকাংশ নারী- পুরুষ ভোটারদের।
বাউফল উপজেলার সরকারি অফিসগুলোর মাধ্যমে লম্বা আকাঁরের ব্যানার ঝুলিয়ে হ্যাঁ বা না ভোট সম্পর্কে জানান দেয়া হচ্ছে। তবে গ্রামগঞ্জের সাধারন নারী - পরুষ ভোটারদের হ্যাঁ এবং না ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চোঁখে পরার মতো নয়। এ উপজেলার সাধারন ভোটারদের ধারনা দলীয় প্রতীক অথবা মার্কায় ভোট দিতে হবে।
এর সাথে এবার হ্যাঁ এবং না ভোটের ব্যালোটের কথা শুনা যাচ্ছে। না ভোট অথবা হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অধিকাংশ ভোটার। কেউ কেউ বলছেন হ্যাঁ ভোট দিলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের পদ্ধতিকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়েছে। জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিল না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের শাসন নিশ্চিত করাই এই এবারের ভোটারদের মূল লক্ষ্য।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সিপিবি, বাসদসহ গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের অংশীদার দলগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দিলেও জুলাই সনদে সই করেনি। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যেভাবে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছে এবং গণভোটে সাংবিধানিক সংস্কারগুলোকে চারটি প্রশ্নের একটি প্যাকেজে এনে ‘হ্যাঁ/না’ ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা পুরোপুরি অগণতান্ত্রিক। গণভোটে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়নি।
এতে প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। জুলাই সনদের ঐকমত্যের দ্বাবী করেন। হ্যাঁ ভোট দিলে আগামী ৫০ বছর আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি এবং গুম খুনের মতো ঘর্টনা আর ঘটবে না। এদিকে বাউফলের দলীয় প্রর্থীরা নিজের প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্তু হ্যাঁ বা না ভোটের বিষয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছেন প্রার্থীরা।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও পটুয়াখালী সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস-মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে দুমকি উপজেলার একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন। এছাড়াও বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ খান বায়েজীদ পান্না, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিচ জাহান শিরিন ও সাবেক জেলা প্রশাসক জব্বার ফারুক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। সভাটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে এবং সে পরিবর্তনের প্রতীক হলো ধানের শীষ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও পটুয়াখালী সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস-মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে দুমকি উপজেলার একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন। এছাড়াও বক্তব্য দেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ খান বায়েজীদ পান্না, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিচ জাহান শিরিন ও সাবেক জেলা প্রশাসক জব্বার ফারুক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। সভাটি সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনতে হবে এবং সে পরিবর্তনের প্রতীক হলো ধানের শীষ।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১