ছবি: সংগৃহীত
জয় দিয়েই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দলের। সিরিজের শুরুটা ছিল ৩ উইকেটের জয় দিয়ে। কিন্তু সমতা ফেরে দ্বিতীয় ম্যাচে। এবার শ্রীলঙ্কার নারী দল ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২১৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। অথচ লঙ্কানদের কাছে টিকতেই পারলেন না স্বাগতিক শিবির। শ্রীলঙ্কার কাছে আজ ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে নিগার সুলতানার দল। এর ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কার নারী দল।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পরিণত হয় অলিখিত ফাইনালে। যেখানে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল সবুজ পরিহিতরা। সোবানা মোস্তারি ছাড়া ব্যাট হাতে খুব একটা দ্যুতি ছড়াতে পারেননি আর কেউই। পাঁচ নম্বরে নেমে এ ব্যাটার ৮০ বলে ৮ চারের মারে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন।
অন্যদিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪০ রানের ইনিংস খেললেও সেটি খুব একটা কার্যকর ছিল না। তার ইনিংসটি ছিল বেশ মন্থর। ৯০ বল খেলে মাত্র ১টি চার হাঁকান তিনি। এছাড়া শারমিন আক্তার ৩৬ বলে ২৫ আর রিতু মনি ১৬ বলে ২০ রান করেন। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম টাইগ্রেস। লঙ্কানদের পক্ষে ৪৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কাভিশা দিলহারি। ৪০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নিমাশা মিপাগে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তুলনামুলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রাখে লঙ্কানরা। ১৫ বলে ১০ রান করে ওপেনার চামারি আথাপাত্থু আউট হলেও দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলহানি। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে পড়ে লাল সবুজরা।
৭৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৬ রান করে দুলহানি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন হাসিনি। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে তখন তিনি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মোস্তারির শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ১৩১ বলে ১৩ চারের মারে ৯৫ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন হাসিনি। তার আরেক সঙ্গী হার্শিতা সামাবিক্রমা ৫১ বলে ৮ চারের মারে ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪৯ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মারুফা। ২ ওভার বল করে ১২ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তারি।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪১
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২২
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৯
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
জয় দিয়েই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দলের। সিরিজের শুরুটা ছিল ৩ উইকেটের জয় দিয়ে। কিন্তু সমতা ফেরে দ্বিতীয় ম্যাচে। এবার শ্রীলঙ্কার নারী দল ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২১৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। অথচ লঙ্কানদের কাছে টিকতেই পারলেন না স্বাগতিক শিবির। শ্রীলঙ্কার কাছে আজ ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে নিগার সুলতানার দল। এর ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কার নারী দল।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পরিণত হয় অলিখিত ফাইনালে। যেখানে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল সবুজ পরিহিতরা। সোবানা মোস্তারি ছাড়া ব্যাট হাতে খুব একটা দ্যুতি ছড়াতে পারেননি আর কেউই। পাঁচ নম্বরে নেমে এ ব্যাটার ৮০ বলে ৮ চারের মারে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন।
অন্যদিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪০ রানের ইনিংস খেললেও সেটি খুব একটা কার্যকর ছিল না। তার ইনিংসটি ছিল বেশ মন্থর। ৯০ বল খেলে মাত্র ১টি চার হাঁকান তিনি। এছাড়া শারমিন আক্তার ৩৬ বলে ২৫ আর রিতু মনি ১৬ বলে ২০ রান করেন। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম টাইগ্রেস। লঙ্কানদের পক্ষে ৪৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কাভিশা দিলহারি। ৪০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নিমাশা মিপাগে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তুলনামুলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রাখে লঙ্কানরা। ১৫ বলে ১০ রান করে ওপেনার চামারি আথাপাত্থু আউট হলেও দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলহানি। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে পড়ে লাল সবুজরা।
৭৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৬ রান করে দুলহানি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন হাসিনি। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে তখন তিনি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মোস্তারির শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ১৩১ বলে ১৩ চারের মারে ৯৫ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন হাসিনি। তার আরেক সঙ্গী হার্শিতা সামাবিক্রমা ৫১ বলে ৮ চারের মারে ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪৯ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মারুফা। ২ ওভার বল করে ১২ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তারি।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬