
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার করার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুর-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিছুল ইসলাম মণ্ডলের নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন মোকাম্মেল হক চৌধুরী। সেখানে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় মোকাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের নেতা জি এম কাদের বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেছেন। জাতীয় পার্টিই একমাত্র দল, যারা সত্য কথা বলেছে। ক্ষমতায় যেতে পারলে আওয়ামী লীগের সকল মামলা আমরা প্রত্যাহার করে দেব। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন, ভয় পাইয়েন না। সকাল আটটার মধ্যে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, ভোট দিয়ে বাড়িতে যাবেন। লাঙ্গল মার্কা জয়যুক্ত হবে, আনিছুল ইসলাম মন্ডল ভাই জয়যুক্ত হবে। মিছিল নিয়ে আমরা বের হব। কোন শক্তি আপনাদের ক্ষতি করে সেটাই আমরা দেখব।’
জাপা নেতা বলেন, ‘আজকে বড় দুঃখ লাগে, ভোট হচ্ছে। ভোটের মাঠে আমরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছি। অথচ স্বাধীনতার পক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া দলটিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সমর্থনের ভাইয়েরা ঘরে বসে থাইকেন না। তাহলে আপনাদেরই বেশি ক্ষতি হবে। ওই স্বাধীনতাবিরোধীরা যদি কোনোদিন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে, তখন সবচেয়ে বড় ক্ষতি করবে আওয়ামী লীগের।’
একমাত্র জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পক্ষে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা আওয়ামী লীগের পক্ষে আছি, তারা জেল-জুলুমকে ভয় করি না। আমরা বলতে চাই, নিরীহ আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন হতে দেব না।’
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হক চৌধুরীর ফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে এই ঘটনায় উপজেলা জাতীয় পার্টি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো. মোস্তাকুর রহমান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোকাম্মেল চৌধুরীর বক্তব্যে শেখ হাসিনা সংক্রান্ত যে কথা বলেছেন সেটা ভুলবশত হয়েছে এবং সেটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসির কালবেলাকে বলেন, 'শেখ হাসিনাকে কেন আমরা ফিরিয়ে আনবো? এ ধরনের কথা আমরা বলিনা। আমরা ওই নেতাকে শোকজ করব।'
এদিকে জাপা নেতার দেওয়া এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কামরুজ্জামান কবির বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে তাদের দোসর জাতীয় পার্টি কাজ করছে। খুনি হাসিনাকে যারা ফিরিয়ে আনতে চায় তাদেরকে জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
উল্লেখ্য, মোকাম্মেল হক চৌধুরীর চাচাতো ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডিউক চৌধুরী এবং আওয়ামী সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হক চৌধুরী তার চাচা।

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।

২২ জুলাই, ২০২৬ ০০:০৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২৫
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
২২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৫
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪