
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৫
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

১৪ মে, ২০২৬ ১৪:১২
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”
ভোলা সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অবৈধভাবে আহরিত ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ জব্দ করে কোস্ট গার্ড।
যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা,মাদরাসা,গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। এর আগে,মঙ্গলবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলা শহরের পানপট্টি সংলগ্ন এলাকায় ৩টি ট্রাক থেকে এসব অবৈধ ইলিশ জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন,সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন,উৎপাদন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলা সদর উপজেলার পানপট্টি বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক ৩টি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০ হাজার ১৪০ কেজি সামুদ্রিক ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“পরবর্তীতে জব্দকৃত মাছ ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।”

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ভোলার তজুমদ্দিনে ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকার জেলেদের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে মশুরডাল ৮কেজি, সয়াবিল তেল ১০লিটার, লবন ৪কেজি, চিনি কেজি, আটা ১২কেজি, আলু ১৬ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের কষ্ট লাঘবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলেরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, অভয়াশ্রম রক্ষা ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এটি সংরক্ষণে জেলে ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তজুমদ্দিন অন্তরা সরকার অদ্রি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন, ভোলা জেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান শুভ, তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু প্রমুখ।
সহায়তা পাওয়া জেলেরা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খাদ্য সহায়তা ঈদের আগমুহুর্তে দেয়ায় তাদের অনেক উপকারে আসবে। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে জেলেদেও মাঝে খাদ্য সহায়তার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হেলাল উদ্দিন লিটন

১২ মে, ২০২৬ ১৮:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিজেদের বসতঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সানজিদা (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানজিদা একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর মো.আলাউদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বিকেলে নিহতের মা-বাবা কাজের সুবাদে বাড়ির বাহিরে অবস্থান করায় ঘরেই ছিলেন সানজিদা। পরবর্তীতে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে ফেরে সানজিদার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমে গিয়ে দেখেন সে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে।
এরপর তাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু দায়ের হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.