চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৬০টি ফ্লাইটে মোট ৬১,৭২৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে নয়জন বার্ধক্যজনিত অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণে মারা গেছেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এম আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা হজযাত্রী মারা গেছেন।”
তিনি বলেন, এই বছর ৮৭,১০০ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজব্রত পালন করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫,২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৯০০ জন হজ পালন করবেন।
সিদ্দিক বলেন, আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট ১২৩৩ জন হজযাত্রী এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ৩২৭ জন হজযাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে অথবা ছেড়ে যাচ্ছে। হজযাত্রীদের বহনকারী শেষ ফ্লাইটটি ৩১ মে সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সর্বশেষ হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত ৮৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৩১,৫১৩ জন হজযাত্রী বহন করেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ২১,৫৮৩ জন হজযাত্রী এবং রিয়াদ-ভিত্তিক ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইটে ৮,৬২৮ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
কর্মকর্তারা জানান, এ বছর সরকারের হজ কর্মসূচির আওতায় ৫,০৮৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৮৭১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
প্রথম হজযাত্রী বহনকারী ফ্লাইট গত ২৯ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এ বছর হজ ৫ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটগুলো ১০ জুন শুরু হবে এবং ১০ জুলাই শেষ হবে। সূত্র: বাসস

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৯
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৫
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে আটকানোর জন্য কত কৌশল-পরিকল্পনা এঁকেছিলেন কোচরা।
তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে ৮ বারের ব্যালন ডি’র জয়ীকে থামাতে পারেননি কেউই।
অন্যদিকে মাঠের বাইরেও মেসি থামানোর পরিকল্পনা চলছিল। এই থামানোর পরিকল্পনা সাময়িক সময়ের জন্য ছিল না, চিরতরে পৃথিবী থেকে বিদায় করার। বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যা করার পরিকল্পনাই এঁটেছিলেন সন্ত্রাসীরা।
অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনার অধিনায়কই নন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ রেফারি-কর্মকর্তারাও।
এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে। স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
গত মাসে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে হামলার হুমকি দেন এক ব্যক্তি।
ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে ফোন দিয়ে জানান, আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে তাদের হাতে থাকবে হ্যান্ড গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল।
মেসিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে আটলান্টার স্টেডিয়ামে ঢুকবেন তিনি। লক্ষ্য মেসি!
এমনকি ম্যাচ চলাকালে পুলিশকে ফোন করে জানানো হয়, গ্যালারির আবর্জনার ঝুড়িতে রাখা হয়েছে তিনটি বোমা।
এরপরেই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল ও প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো স্টেডিয়ামে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।
রোনালদোকেও ঘিরেও নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, রোনালদো কোথায় থাকছেন কি করছেন সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি। আরেক ব্যক্তি তো পর্তুগিজ অধিনায়কের সঙ্গে তার হোটেলের লিফটেও ওঠার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করলে জবাব দেন, রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।
এমবাপে হামলার লক্ষ্য বস্তু না হলেও তাকে নিয়ে অনেকে ব্যাপক সমালোচনা ও বর্ণবাদী আচরণ করেন। ফ্রান্সের কাছে হেরে প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছিলেন। সঙ্গে বর্ণবাদী স্লোগানও দিয়েছিলেন। প্যারাগুয়ের এক সিনেটর তো এক কাঠি সরেস হয়ে তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের সঙ্গে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। পরে অবশ্য নিজেই সমালোচনার মুখে পড়েন। নিজ দেশের রাজনীতিবিদসহ অনেক সিনেটরের মন্তব্যের নিন্দা করেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় এমবাপ্পের পাশে দাঁড়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
পেনাল্টি মিস করে হত্যা হুমকির মুখে কলম্বিয়ার হামিন্তন কামপাজ। নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় দলের সঙ্গে তিনি দেশেও ফিরতে পারেননি। কেননা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করায় দেশে ফিরে আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়া সাবেক ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবারের ঘটনাটি তো সবার সামনেই ছিল।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হলান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সরলথ ও তার স্ত্রীও মৃত্যুর হুমকি পান।
শুধু খেলোয়াড় নন, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের দায়িত্ব পালন করা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাতেক্সিয়ার। মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন সহকারী ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোও।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্যক্তি রেঞ্চ হাতে ঢুকে চিৎকার শুরু করেছিলেন। পরে মিডিয়া সেন্টারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন। ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নো-ফ্লাই জোনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সঙ্গে বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ তো ছিলেনই।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে আটকানোর জন্য কত কৌশল-পরিকল্পনা এঁকেছিলেন কোচরা।
তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে ৮ বারের ব্যালন ডি’র জয়ীকে থামাতে পারেননি কেউই।
অন্যদিকে মাঠের বাইরেও মেসি থামানোর পরিকল্পনা চলছিল। এই থামানোর পরিকল্পনা সাময়িক সময়ের জন্য ছিল না, চিরতরে পৃথিবী থেকে বিদায় করার। বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যা করার পরিকল্পনাই এঁটেছিলেন সন্ত্রাসীরা।
অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনার অধিনায়কই নন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ রেফারি-কর্মকর্তারাও।
এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে। স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
গত মাসে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে হামলার হুমকি দেন এক ব্যক্তি।
ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে ফোন দিয়ে জানান, আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে তাদের হাতে থাকবে হ্যান্ড গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল।
মেসিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে আটলান্টার স্টেডিয়ামে ঢুকবেন তিনি। লক্ষ্য মেসি!
এমনকি ম্যাচ চলাকালে পুলিশকে ফোন করে জানানো হয়, গ্যালারির আবর্জনার ঝুড়িতে রাখা হয়েছে তিনটি বোমা।
এরপরেই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল ও প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো স্টেডিয়ামে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।
রোনালদোকেও ঘিরেও নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, রোনালদো কোথায় থাকছেন কি করছেন সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি। আরেক ব্যক্তি তো পর্তুগিজ অধিনায়কের সঙ্গে তার হোটেলের লিফটেও ওঠার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করলে জবাব দেন, রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।
এমবাপে হামলার লক্ষ্য বস্তু না হলেও তাকে নিয়ে অনেকে ব্যাপক সমালোচনা ও বর্ণবাদী আচরণ করেন। ফ্রান্সের কাছে হেরে প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছিলেন। সঙ্গে বর্ণবাদী স্লোগানও দিয়েছিলেন। প্যারাগুয়ের এক সিনেটর তো এক কাঠি সরেস হয়ে তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের সঙ্গে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। পরে অবশ্য নিজেই সমালোচনার মুখে পড়েন। নিজ দেশের রাজনীতিবিদসহ অনেক সিনেটরের মন্তব্যের নিন্দা করেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় এমবাপ্পের পাশে দাঁড়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
পেনাল্টি মিস করে হত্যা হুমকির মুখে কলম্বিয়ার হামিন্তন কামপাজ। নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় দলের সঙ্গে তিনি দেশেও ফিরতে পারেননি। কেননা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করায় দেশে ফিরে আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়া সাবেক ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবারের ঘটনাটি তো সবার সামনেই ছিল।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হলান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সরলথ ও তার স্ত্রীও মৃত্যুর হুমকি পান।
শুধু খেলোয়াড় নন, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের দায়িত্ব পালন করা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাতেক্সিয়ার। মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন সহকারী ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোও।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্যক্তি রেঞ্চ হাতে ঢুকে চিৎকার শুরু করেছিলেন। পরে মিডিয়া সেন্টারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন। ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নো-ফ্লাই জোনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সঙ্গে বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ তো ছিলেনই।

০৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫২
কোপা দো ব্রাজিলে রেমোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে উত্তেজনাকর ঘটনার জেরে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ম্যাচ-পরবর্তী হাতাহাতি ও উত্তেজনার ঘটনা তদন্ত করছে ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কয়েক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন সান্তোসের এই ফরোয়ার্ড।
ইএসপিএন ব্রাজিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া উত্তেজনার ভিডিও পর্যালোচনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নেইমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন প্রসিকিউটররা। একই ঘটনায় কয়েকজন খেলোয়াড় এবং রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়া বিচারবিধির ২৫৮ নম্বর ধারায় অভিযোগ গঠন হলে নেইমারকে ১ থেকে ৬ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
ম্যাচ শুরুর আগেই স্বাগতিক রেমোর সমর্থকদের বিদ্রূপের মুখে পড়েন নেইমার। ওয়ার্মআপের সময় গ্যালারি থেকে তাকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেওয়া হয়। পরে ম্যাচে সান্তোস ১-০ গোলে জয় পায় এবং দলের একমাত্র গোলে সহায়তা করেন নেইমার।
ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের দিকে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। তবে ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে ড্রেসিংরুমের টানেলে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মূল বিতর্কের সূত্রপাত।
অভিযোগ রয়েছে, টানেলে রেমোর খেলোয়াড়দের উদ্দেশে নেইমার উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। তিনি ‘বাদ পড়ে গেলে, বাদ পড়ে গেলে’ বলে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কথা বলেন বলে অভিযোগ। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সান্তোসের কর্মকর্তারা দ্রুত নেইমারকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যান।
এদিকে ম্যাচ চলাকালে এবং পরে দর্শকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে থাকতে পারে আর্থিক জরিমানা, দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ আয়োজন কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজেদের মাঠে খেলার সুবিধা হারানো।
এখন ক্রীড়া আদালতের তদন্ত ও প্রসিকিউটরদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে নেইমারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ। অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হলে ব্রাজিলিয়ান তারকার জন্য কয়েক ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকার ঝুঁকি তৈরি হবে।
কোপা দো ব্রাজিলে রেমোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে উত্তেজনাকর ঘটনার জেরে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ম্যাচ-পরবর্তী হাতাহাতি ও উত্তেজনার ঘটনা তদন্ত করছে ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কয়েক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন সান্তোসের এই ফরোয়ার্ড।
ইএসপিএন ব্রাজিলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচ শেষে ঘটে যাওয়া উত্তেজনার ভিডিও পর্যালোচনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নেইমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন প্রসিকিউটররা। একই ঘটনায় কয়েকজন খেলোয়াড় এবং রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ব্রাজিলিয়ান ক্রীড়া বিচারবিধির ২৫৮ নম্বর ধারায় অভিযোগ গঠন হলে নেইমারকে ১ থেকে ৬ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
ম্যাচ শুরুর আগেই স্বাগতিক রেমোর সমর্থকদের বিদ্রূপের মুখে পড়েন নেইমার। ওয়ার্মআপের সময় গ্যালারি থেকে তাকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেওয়া হয়। পরে ম্যাচে সান্তোস ১-০ গোলে জয় পায় এবং দলের একমাত্র গোলে সহায়তা করেন নেইমার।
ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের দিকে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। তবে ম্যাচ-পরবর্তী সময়ে ড্রেসিংরুমের টানেলে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মূল বিতর্কের সূত্রপাত।
অভিযোগ রয়েছে, টানেলে রেমোর খেলোয়াড়দের উদ্দেশে নেইমার উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। তিনি ‘বাদ পড়ে গেলে, বাদ পড়ে গেলে’ বলে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে কথা বলেন বলে অভিযোগ। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সান্তোসের কর্মকর্তারা দ্রুত নেইমারকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যান।
এদিকে ম্যাচ চলাকালে এবং পরে দর্শকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে রেমো ক্লাবের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে থাকতে পারে আর্থিক জরিমানা, দর্শকশূন্য মাঠে ম্যাচ আয়োজন কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজেদের মাঠে খেলার সুবিধা হারানো।
এখন ক্রীড়া আদালতের তদন্ত ও প্রসিকিউটরদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে নেইমারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ। অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হলে ব্রাজিলিয়ান তারকার জন্য কয়েক ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকার ঝুঁকি তৈরি হবে।

২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৩
চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৬০টি ফ্লাইটে মোট ৬১,৭২৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এদের মধ্যে নয়জন বার্ধক্যজনিত অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণে মারা গেছেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এম আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা হজযাত্রী মারা গেছেন।”
তিনি বলেন, এই বছর ৮৭,১০০ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজব্রত পালন করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫,২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৯০০ জন হজ পালন করবেন।
সিদ্দিক বলেন, আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট ১২৩৩ জন হজযাত্রী এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ৩২৭ জন হজযাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে অথবা ছেড়ে যাচ্ছে। হজযাত্রীদের বহনকারী শেষ ফ্লাইটটি ৩১ মে সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সর্বশেষ হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত ৮৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৩১,৫১৩ জন হজযাত্রী বহন করেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ২১,৫৮৩ জন হজযাত্রী এবং রিয়াদ-ভিত্তিক ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইটে ৮,৬২৮ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
কর্মকর্তারা জানান, এ বছর সরকারের হজ কর্মসূচির আওতায় ৫,০৮৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৮৭১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
প্রথম হজযাত্রী বহনকারী ফ্লাইট গত ২৯ এপ্রিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এ বছর হজ ৫ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি ফ্লাইটগুলো ১০ জুন শুরু হবে এবং ১০ জুলাই শেষ হবে। সূত্র: বাসস
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬