শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে হলের ভেতর থেকে ফেসবুকে লাইভ করেছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া। এ সময় তিনি ‘অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি’ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করেন।
ফেসবুক লাইভে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া হোমনা সরকারি কলেজের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠছেন। পরে পরীক্ষার হলের একটি কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষক এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সামনের কক্ষের দিকে যাচ্ছেন।
এ সময় ক্যামেরার পেছনে থাকা কেউ একজন সংসদ সদস্যের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের বর্ণনা করছেন। পরের কক্ষে সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া প্রবেশ করে সামনের বেঞ্চে বসা এক শিক্ষার্থীর কাছে চলে যান।
এ সময় সেলিম ভূইয়াকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, পরীক্ষা সহজ হইছে নাকি? কিছুক্ষণ পর সেই কক্ষ থেকে বের হয়ে অন্য একটি কক্ষের দিকে যেতে থাকলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক এসে সালাম দিয়ে ‘আমি প্রধান শিক্ষক’ বলেন।
এ সময় সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া তাকে ‘আপনি আপনার কাজ করেন’ বলে তাকে চলে যেতে হাতে ইশারা দিতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর আরেকটি কক্ষে প্রবেশ করে সোজা কক্ষের মাঝ বরাবর চলে যান। সেখানে পরীক্ষারত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেমন হয়েছে বলে প্রশ্ন করেন।
এভাবে ৮ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড লাইভে সংযুক্ত থাকতে দেখা গেছে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে। এদিকে একজন সংসদ সদস্যের এমন আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার সচেতন মহল। সচেতন নাগরিকদের দাবি, মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হয়ে তিনি পরীক্ষা পরিদর্শনই করতে পারেন না, সেখানে কক্ষ থেকে লাইভ করে ভালো কাজ করেননি।
জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমগীর খান জানান, জনপ্রতিনিধি পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে এমনিতেই শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ে। সে কারণে শিক্ষামন্ত্রী হয়তো নির্দেশনা দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হয়েও মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেছেন, এটা অপ্রত্যাশিত। মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। এটার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আশা করব, জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতে এসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম জানান, আমাকে একজন বলল এমপি স্যার এসেছেন, আমি তখন উনার সঙ্গে দেখা করতে যাই। পরে আমার প্রশ্নপত্রের কাজ ছিল বিধায় আমি চলে যাই। এরপর কী হয়েছে আর জানি না।
ফেসবুক লাইভের বিষয়টি আমার জানা নেই। সংসদ সদস্যের সঙ্গে দুজন ব্যক্তি ছিল, একজন সামনে থেকে ক্যামেরা ধরেছেন, আরেকজন পেছন থেকে ভিডিও করছেন এটা দেখেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনার (সংসদ সদস্য) সঙ্গে আর কে ছিল, তা আমি খেয়াল করিনি।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা কোনো জনপ্রতিনিধি কাউকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার হলে পরিদর্শনে যাবেন না। সেখানে ফেসবুক লাইভ তো দূরের কথা। সংসদ সদস্য মহোদয় যদি এটা করে থাকেন, আমরা বোর্ড থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করব।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৫২
আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আয়োজনের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার সিনটেক্স পোশাক কারখানা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের রুবেল ইসলাম এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার গ্রামের শাহিন। তারা দুজনই সিনটেক্স কারখানায় সুইং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে কারখানার ভেতরে বাইরে থেকে লোকজন এনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে একটি আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বাইরের কয়েকজনও অংশ নেন। পরে আয়োজনের ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আটক করে।
আশুলিয়া থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আয়োজনের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার সিনটেক্স পোশাক কারখানা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বুধবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হলে শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের রুবেল ইসলাম এবং বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার গ্রামের শাহিন। তারা দুজনই সিনটেক্স কারখানায় সুইং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে কারখানার ভেতরে বাইরে থেকে লোকজন এনে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে একটি আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বাইরের কয়েকজনও অংশ নেন। পরে আয়োজনের ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আটক করে।
আশুলিয়া থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৬
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ‘বিএনপির দোসরদের’ তালিকা করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সময় এসেছে, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বিএনপির দোসরদের তালিকা করার।’
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’: পাটওয়ারী
তিনি যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে রয়েছেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাকিদের নাম কমেন্টে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা।
এর আগে গতকাল এক পোস্টে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সরকারকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাবেন বলেও মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই বাসায় কী কারণে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাদের পরিচয় ও তারা ছাত্রলীগের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মী তা তাৎক্ষণিকভাবে বলেনি পুলিশ।
ওই সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রিমন বাসায় ছিলেন না।
রিমন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
গেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরার ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখানে অবস্থানরত ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।
রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ওই বাসায় কী কারণে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাদের পরিচয় ও তারা ছাত্রলীগের কোন পর্যায়ের নেতাকর্মী তা তাৎক্ষণিকভাবে বলেনি পুলিশ।
ওই সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রিমন বাসায় ছিলেন না।
রিমন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
গেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরার ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখানে অবস্থানরত ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৯
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে হলের ভেতর থেকে ফেসবুকে লাইভ করেছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া। এ সময় তিনি ‘অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি’ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করেন।
ফেসবুক লাইভে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া হোমনা সরকারি কলেজের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠছেন। পরে পরীক্ষার হলের একটি কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষক এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সামনের কক্ষের দিকে যাচ্ছেন।
এ সময় ক্যামেরার পেছনে থাকা কেউ একজন সংসদ সদস্যের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের বর্ণনা করছেন। পরের কক্ষে সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া প্রবেশ করে সামনের বেঞ্চে বসা এক শিক্ষার্থীর কাছে চলে যান।
এ সময় সেলিম ভূইয়াকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, পরীক্ষা সহজ হইছে নাকি? কিছুক্ষণ পর সেই কক্ষ থেকে বের হয়ে অন্য একটি কক্ষের দিকে যেতে থাকলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক এসে সালাম দিয়ে ‘আমি প্রধান শিক্ষক’ বলেন।
এ সময় সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া তাকে ‘আপনি আপনার কাজ করেন’ বলে তাকে চলে যেতে হাতে ইশারা দিতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর আরেকটি কক্ষে প্রবেশ করে সোজা কক্ষের মাঝ বরাবর চলে যান। সেখানে পরীক্ষারত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেমন হয়েছে বলে প্রশ্ন করেন।
এভাবে ৮ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড লাইভে সংযুক্ত থাকতে দেখা গেছে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে। এদিকে একজন সংসদ সদস্যের এমন আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার সচেতন মহল। সচেতন নাগরিকদের দাবি, মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হয়ে তিনি পরীক্ষা পরিদর্শনই করতে পারেন না, সেখানে কক্ষ থেকে লাইভ করে ভালো কাজ করেননি।
জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমগীর খান জানান, জনপ্রতিনিধি পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে এমনিতেই শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ে। সে কারণে শিক্ষামন্ত্রী হয়তো নির্দেশনা দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হয়েও মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেছেন, এটা অপ্রত্যাশিত। মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। এটার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আশা করব, জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতে এসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম জানান, আমাকে একজন বলল এমপি স্যার এসেছেন, আমি তখন উনার সঙ্গে দেখা করতে যাই। পরে আমার প্রশ্নপত্রের কাজ ছিল বিধায় আমি চলে যাই। এরপর কী হয়েছে আর জানি না।
ফেসবুক লাইভের বিষয়টি আমার জানা নেই। সংসদ সদস্যের সঙ্গে দুজন ব্যক্তি ছিল, একজন সামনে থেকে ক্যামেরা ধরেছেন, আরেকজন পেছন থেকে ভিডিও করছেন এটা দেখেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনার (সংসদ সদস্য) সঙ্গে আর কে ছিল, তা আমি খেয়াল করিনি।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা কোনো জনপ্রতিনিধি কাউকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার হলে পরিদর্শনে যাবেন না। সেখানে ফেসবুক লাইভ তো দূরের কথা। সংসদ সদস্য মহোদয় যদি এটা করে থাকেন, আমরা বোর্ড থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করব।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৪৯
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৩
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৯