Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:২৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।