বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০১ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:২৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শাহিন হাওলাদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় উপজেলার কবাই ইউনিয়নের উত্তর কবাই গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফারজানা বেগম, রেবা বেগম প্রমূখ।
মানববন্ধনে শতশত নারীরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার সময় বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার ও শওকত খানের বাড়ীতে ডাকাতি সংগঠিত হয়।
ডাকাতির বিষয়টি রাত ১টার সময় এলাকার মসজিদে মাইকিং করে দিলে ওই সময় এলাকাবাসী ডাকাত সোহেল খানকে আটক করে। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সে নিহত হয়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার বিএনপির আরেকটি গ্রুপ ডাকাত সোহেল খানের মাকে বাদি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পুলিশ ২৮ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদার সহ তার ভাই শামীম হাওলাদার ও শওকত খানসহ ৩জন গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা হাজতে রয়েছে। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় ডাকাত সোহেল তার বাহিনী নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গলায় রামদা ঠেকিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশালে আদালতে একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচারের দাবি জানান। মানববন্ধনে ফাতেমা আক্তার বলেন, ডাকাত সোহেল নিহতের ঘটনায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এলাকায় নিরীহ মানুষদের আসামি করে হয়রানি করে আসছে।
এলাকা এখন মামলা আতঙ্কে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। আমরা নারীরা শুধু বাড়িতে রয়েছি। ডাকাতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করায় তারা আমাদেরকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে আসছে।
ডাকাত সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দশটির উপর মামলা রয়েছে। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাত গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি নেতা শাহীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারপূর্বক তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪