
০২ মার্চ, ২০২৬ ১১:২১
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে বড় ধরনের পতন হয়েছে বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিনিয়োগকারীরা এখন মার্কিন ডলার ও স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৪.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৬.০৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের একপর্যায়ে এটি স্বল্প সময়ের জন্য ৮২ ডলারও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
অন্যদিকে, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ৩.৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৯.৫৯ ডলার। নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ১.০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩২৭ ডলারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোকে এই যুদ্ধে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই সংঘাত আরও চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
বিশ্বের মোট সমুদ্রপথের তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ২০ শতাংশই প্রবাহিত হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি অবরুদ্ধ না হলেও এর দুপাশে অসংখ্য তেলবাহী ট্যাঙ্কার জড়ো হতে দেখা গেছে। হামলার আতঙ্ক এবং বীমা সুবিধা না পাওয়ার কারণে অনেক জাহাজ যাত্রা শুরু করতে পারছে না।
রাইস্ট্যাড এনার্জির ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ প্রধান জর্জ লিওন বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া মানে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে পৌঁছাতে বাধা পাওয়া। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জাপানের নিক্কেই সূচক ১.৪ শতাংশ কমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমান সংস্থাগুলো। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শেয়ার সূচক কমেছে ১.২ শতাংশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত তাদের শেয়ারবাজার সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইউরোপের বাজারগুলোতেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে; ইউরোস্টক্স-৫০ ফিউচার ১.৪ শতাংশ ও ড্যাক্স ফিউচার ১.৩ শতাংশ কমেছে।
জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে ডলার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ইউরোর দাম ০.২ শতাংশ কমে ১.১৭৮৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জাপানি ইয়েন নিরাপদ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হলেও তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ডলারের বিপরীতে এর মান কিছুটা কমেছে।
উড ম্যাকেঞ্জির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালান গেল্ডার এই পরিস্থিতিকে ১৯৭০-এর দশকের তেল নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে তুলনা করেছেন। সে সময় তেলের দাম ৩০০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে সরবরাহ ব্যাহত হলে তেলের দাম বর্তমান ৯০ ডলারের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
চলতি সপ্তাহটি মার্কিন অর্থনীতির জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদন, খুচরা বিক্রয় এবং বেতন-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং যুক্তরাজ্যের বন্ধকী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এমএফএসের পতন ব্যাংকিং ও এআই খাতের শেয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাজার বিশ্লেষকরা এখন তাকিয়ে আছেন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে বড় ধরনের পতন হয়েছে বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিনিয়োগকারীরা এখন মার্কিন ডলার ও স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৪.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৬.০৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের একপর্যায়ে এটি স্বল্প সময়ের জন্য ৮২ ডলারও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
অন্যদিকে, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ৩.৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৯.৫৯ ডলার। নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ১.০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩২৭ ডলারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোকে এই যুদ্ধে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই সংঘাত আরও চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
বিশ্বের মোট সমুদ্রপথের তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ২০ শতাংশই প্রবাহিত হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি অবরুদ্ধ না হলেও এর দুপাশে অসংখ্য তেলবাহী ট্যাঙ্কার জড়ো হতে দেখা গেছে। হামলার আতঙ্ক এবং বীমা সুবিধা না পাওয়ার কারণে অনেক জাহাজ যাত্রা শুরু করতে পারছে না।
রাইস্ট্যাড এনার্জির ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণ প্রধান জর্জ লিওন বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া মানে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে পৌঁছাতে বাধা পাওয়া। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জাপানের নিক্কেই সূচক ১.৪ শতাংশ কমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমান সংস্থাগুলো। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শেয়ার সূচক কমেছে ১.২ শতাংশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত তাদের শেয়ারবাজার সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইউরোপের বাজারগুলোতেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে; ইউরোস্টক্স-৫০ ফিউচার ১.৪ শতাংশ ও ড্যাক্স ফিউচার ১.৩ শতাংশ কমেছে।
জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে ডলার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ইউরোর দাম ০.২ শতাংশ কমে ১.১৭৮৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জাপানি ইয়েন নিরাপদ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হলেও তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ডলারের বিপরীতে এর মান কিছুটা কমেছে।
উড ম্যাকেঞ্জির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালান গেল্ডার এই পরিস্থিতিকে ১৯৭০-এর দশকের তেল নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে তুলনা করেছেন। সে সময় তেলের দাম ৩০০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে সরবরাহ ব্যাহত হলে তেলের দাম বর্তমান ৯০ ডলারের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
চলতি সপ্তাহটি মার্কিন অর্থনীতির জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদন, খুচরা বিক্রয় এবং বেতন-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং যুক্তরাজ্যের বন্ধকী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এমএফএসের পতন ব্যাংকিং ও এআই খাতের শেয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাজার বিশ্লেষকরা এখন তাকিয়ে আছেন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
বরিশাল টাইমস
৩০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.