
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জন্ম নিয়েছে হাত-পাবিহীন এক নবজাতক। শিশুটির দুই পা নেই এবং একটি হাত অর্ধেক। জন্মের পর শিশুটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তার বাবা। এমনকি সন্তানকে অন্যত্র দিয়ে দিতে কিংবা ফেলে আসারও নির্দেশ দেন তিনি।
তবে স্বামীর সেই নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সন্তানকে বুকে নিয়েই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মা লিজা আক্তার। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলেসন্তানটির জন্ম হয়। শিশুটির পিতা দিনমজুর আল আমীন নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রসূতি লিজা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনসহ সব ধরনের চিকিৎসা ব্যয় মওকুফ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাসও তার সার্জন ফি গ্রহণ করেননি।
লিজা আক্তারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে। হাসপাতালের বেডে বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, এটি তার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে তিনি ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগে বাড়িতে আসেন এবং ২২ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই সন্তানের জন্ম দেন।
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায়নি। তার দুই পা ও একটি হাত নেই। এ কারণে আমার স্বামী তাকে ফেলে আসতে বলেছে। কিন্তু আমি আমার সন্তানকে কখনো ফেলে দিতে পারব না। স্বামী আমাকে না রাখলেও আমি আমার সন্তানকে ছাড়ব না। আমি তাকে মানুষ করে তুলব।’
লিজা আরও বলেন, ‘আমি যতদিন বেঁচে আছি, কাজ করে সন্তানকে খাওয়াতে পারব। কিন্তু আমি মারা গেলে আমার সন্তানকে কে দেখবে—এই চিন্তাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কিছুটা হলেও নিশ্চিত হতে পারে।’
নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দিনমজুর এই নারী ও নবজাতকের অবস্থা বিবেচনা করে আমাদের সার্জন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রীতিশ বিশ্বাস, সহযোগী ডাক্তার মোস্তফা কাউসার, অজ্ঞানের ডাক্তার নাসরিন রহমান খান। এই তিনজনের অপারেশন টিমটি তাদের অপারেশন চার্জ মানবিক কারণে ফ্রি করে দিয়েছেন এবং হাসপাতালের সব খরচ মওকুফ করেছি।’
অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাস বলেন, ‘জিনগত কারণ বা গর্ভকালীন যথাযথ চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় এ ধরনের শিশু জন্ম নিতে পারে। অপারেশনটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটির শারীরিক ত্রুটি আমাদেরও মর্মাহত করেছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আমি আমার সার্জন ফিও মওকুফ করেছি।’
একদিকে বাবার নির্মম অস্বীকৃতি, অন্যদিকে মায়ের অটুট ভালোবাসা—এই নবজাতকের জন্ম যেন সমাজের সামনে এক মানবিক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। এখন সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই হতে পারে শিশুটির ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ভরসা।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জন্ম নিয়েছে হাত-পাবিহীন এক নবজাতক। শিশুটির দুই পা নেই এবং একটি হাত অর্ধেক। জন্মের পর শিশুটিকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তার বাবা। এমনকি সন্তানকে অন্যত্র দিয়ে দিতে কিংবা ফেলে আসারও নির্দেশ দেন তিনি।
তবে স্বামীর সেই নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সন্তানকে বুকে নিয়েই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মা লিজা আক্তার। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলেসন্তানটির জন্ম হয়। শিশুটির পিতা দিনমজুর আল আমীন নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রসূতি লিজা আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশনসহ সব ধরনের চিকিৎসা ব্যয় মওকুফ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাসও তার সার্জন ফি গ্রহণ করেননি।
লিজা আক্তারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামে। হাসপাতালের বেডে বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি জানান, এটি তার তৃতীয় সন্তান। জীবিকার তাগিদে তিনি ঢাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় কয়েক দিন আগে বাড়িতে আসেন এবং ২২ এপ্রিল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই সন্তানের জন্ম দেন।
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায়নি। তার দুই পা ও একটি হাত নেই। এ কারণে আমার স্বামী তাকে ফেলে আসতে বলেছে। কিন্তু আমি আমার সন্তানকে কখনো ফেলে দিতে পারব না। স্বামী আমাকে না রাখলেও আমি আমার সন্তানকে ছাড়ব না। আমি তাকে মানুষ করে তুলব।’
লিজা আরও বলেন, ‘আমি যতদিন বেঁচে আছি, কাজ করে সন্তানকে খাওয়াতে পারব। কিন্তু আমি মারা গেলে আমার সন্তানকে কে দেখবে—এই চিন্তাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কিছুটা হলেও নিশ্চিত হতে পারে।’
নিউ সততা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দিনমজুর এই নারী ও নবজাতকের অবস্থা বিবেচনা করে আমাদের সার্জন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রীতিশ বিশ্বাস, সহযোগী ডাক্তার মোস্তফা কাউসার, অজ্ঞানের ডাক্তার নাসরিন রহমান খান। এই তিনজনের অপারেশন টিমটি তাদের অপারেশন চার্জ মানবিক কারণে ফ্রি করে দিয়েছেন এবং হাসপাতালের সব খরচ মওকুফ করেছি।’
অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. প্রীতিষ বিশ্বাস বলেন, ‘জিনগত কারণ বা গর্ভকালীন যথাযথ চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় এ ধরনের শিশু জন্ম নিতে পারে। অপারেশনটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটির শারীরিক ত্রুটি আমাদেরও মর্মাহত করেছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আমি আমার সার্জন ফিও মওকুফ করেছি।’
একদিকে বাবার নির্মম অস্বীকৃতি, অন্যদিকে মায়ের অটুট ভালোবাসা—এই নবজাতকের জন্ম যেন সমাজের সামনে এক মানবিক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। এখন সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতাই হতে পারে শিশুটির ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ভরসা।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৯
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বরত দুই কক্ষ পরিদর্শক এবং কেন্দ্র সচিবের এক সহকারীকে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে গণিত (১০৮) পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সচিব ও ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ উপজেলার আল গাযযালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই কক্ষ পরিদর্শক সহকারী অধ্যাপক পরিতোষ সমদ্দার, সহকারী শিক্ষক ছগির হোসেন এবং কেন্দ্র সচিবের সহকারী মো. এমদাদুল হককে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দায়িত্বরত দুই কক্ষ পরিদর্শক এবং কেন্দ্র সচিবের এক সহকারীকে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদরাসা কেন্দ্রে গণিত (১০৮) পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সচিব ও ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ উপজেলার আল গাযযালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই কক্ষ পরিদর্শক সহকারী অধ্যাপক পরিতোষ সমদ্দার, সহকারী শিক্ষক ছগির হোসেন এবং কেন্দ্র সচিবের সহকারী মো. এমদাদুল হককে কেন্দ্রের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০০
পিরোজপুর সদর উপজেলার রানীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরি করার দায়ে রনি আইসক্রিম কারখানাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আল-আমীনের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় কারখানা মালিক পক্ষের মোহাম্মদ রাকিবকে (২২) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর দণ্ডবিধিতে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আসামি তৎক্ষণাৎ অর্থদণ্ড পরিশোধ করায় অনাদায়ের কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়।
পিরোজপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আল-আমীন জানান, মেসার্স রনি আইসক্রিম নামক একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকারক রং, ফ্লেভার ও বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই নামি-দামি মোড়ক ব্যবহার করে নকল আইসক্রিম তৈরি করে আসছিল। আমরা আজকে প্রতিষ্ঠানটিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়াও অনুমোদনহীন রং ও ফ্লেভার, চকলেট পাউডার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুর সদর উপজেলার রানীপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরি করার দায়ে রনি আইসক্রিম কারখানাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আল-আমীনের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় কারখানা মালিক পক্ষের মোহাম্মদ রাকিবকে (২২) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর দণ্ডবিধিতে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আসামি তৎক্ষণাৎ অর্থদণ্ড পরিশোধ করায় অনাদায়ের কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়।
পিরোজপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আল-আমীন জানান, মেসার্স রনি আইসক্রিম নামক একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকারক রং, ফ্লেভার ও বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই নামি-দামি মোড়ক ব্যবহার করে নকল আইসক্রিম তৈরি করে আসছিল। আমরা আজকে প্রতিষ্ঠানটিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়াও অনুমোদনহীন রং ও ফ্লেভার, চকলেট পাউডার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
বরিশাল টাইমস

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার পরে মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতুব্বর বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হাওলাদার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মনসুর হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে রাসেল হাওলাদার বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে তাকে বাম হাত ও দুই পায়ের কিছু অংশ পোড়াসহ মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পোস্টমর্টেম এর জন্য তার লাশ থানায় নিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, গতকাল গভীর রাতে নিহত রাসেল ট্রান্সফরমার চুরি করতে বিদ্যুতিক খুঁটির ওপরে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে পড়ে মারা যান। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানায় অপমুত্যৃর মামলা হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার পরে মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতুব্বর বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হাওলাদার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মনসুর হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে রাসেল হাওলাদার বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে তাকে বাম হাত ও দুই পায়ের কিছু অংশ পোড়াসহ মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পোস্টমর্টেম এর জন্য তার লাশ থানায় নিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, গতকাল গভীর রাতে নিহত রাসেল ট্রান্সফরমার চুরি করতে বিদ্যুতিক খুঁটির ওপরে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে পড়ে মারা যান। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানায় অপমুত্যৃর মামলা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.