
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৬
ভোলার তজুমদ্দিনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালী এবং অপরিল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে নিকটবর্তী এলাকার কয়েকশ পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। এ নিয়ে ভোক্তভোগী প্রায় আড়াইশ পরিবার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি বেড়িবাঁধে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ৭৪ কোটি ১৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫৭.৩১ টাকা ব্যায়ে উপকূলীয় বাঁধ পুর্নবাসন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জীবনমান প্রকল্পের আওতায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন। কাজটি শেষ হবে ২০২৬ সালের জুন মাসে। সেই অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। মাটি কাটার কাজ শুরু করার ফলে দুই শতাধিক বসতঘর, ফসলি জমি ও সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ পালা কেটে নষ্ট করলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিকে ক্ষতি পূরণ না দিয়ে ক্ষমতার জোড়ে বেড়িবাঁধের কাজ বাস্তবায়ণ করার চেষ্টা চালায়। পরে ভোক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে গত শুক্রবার সকালে বেড়িবাঁধের মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্থরা বেড়িবাঁধটি বর্তমান অবন্থান থেকে ৫-১০ ফুট পূর্বদিকে অথবা তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবী করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন ইতিপূর্বে যে সব বাড়িঘর ভেঙ্গে মাটি কাটার কাজ করেছে সেসব ঘরমালিক গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলি বর্তমানে কনকনে শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে। ক্ষতির সম্মুখীন পরিবারগুলোর ভূমিহীন ও গরীব হওয়ায় খোলা আকাশই তাদের একমাত্র ভরসা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষজনকে কোন সহযোগীতা করতে পারবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ শাহিন বলেন, ঠিকাদারের লোকজন আমাদেরকে ১৫ হাজার টাকা করে দেয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু আমরা তা গ্রহণ করিনি। হয়ত আমাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আর না হয় পূর্বদিকে অনেক জায়গা আছে সেদিকে সরিয়ে দিলে আমার শেষ সম্বল ঘর ভিটাটুকু রক্ষা হবে। আর তাতেই আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থকেতে পারবো। অন্যদিকে হাজিকান্দি এলাকায় নদী থেকে ১০ থেকে ১৫ মিটার দূরত্বে নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। চৌমুহনী এলাকায় আরো কমদূরত্বে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। শুধু আমাদের এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের লোকজন দালালকান্দি ও মাওলানা কান্দির গরীব মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে।
জানতে চাইলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের প্রকল্পের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, আমি চরফ্যাশনের মিটিংয়ে আছি। তজুমদ্দিনে আসলে সরাসরি কথা বলবো বলে কল কেটে দেন।
তজুমদ্দিন-লালমোহনের এসএসডিও আহসান আহমেদ বলেন, জমির মালিকদের সাথে কথা বলে সমজোতার মাধ্যমে বন্ধ কাজ শুরু করা হবে। বেড়িবাঁধের জমি অধিগ্রহণ করতে সরকারীভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় ঘর ও জমির মালিকদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া সুযোগ নেই। তবুও ঘর মালিকরা কোথাও অস্থায়ীভাবে থাকলে বেড়িবাঁধ সম্পন্ন হলে আবার বেড়িবাঁধে থাকতে পারবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বেড়িবাঁধের এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।
ভোলার তজুমদ্দিনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালী এবং অপরিল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে নিকটবর্তী এলাকার কয়েকশ পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। এ নিয়ে ভোক্তভোগী প্রায় আড়াইশ পরিবার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলি বেড়িবাঁধে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ৭৪ কোটি ১৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫৭.৩১ টাকা ব্যায়ে উপকূলীয় বাঁধ পুর্নবাসন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জীবনমান প্রকল্পের আওতায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন। কাজটি শেষ হবে ২০২৬ সালের জুন মাসে। সেই অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়িবাঁধে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। মাটি কাটার কাজ শুরু করার ফলে দুই শতাধিক বসতঘর, ফসলি জমি ও সুপারি বাগানসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ পালা কেটে নষ্ট করলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিকে ক্ষতি পূরণ না দিয়ে ক্ষমতার জোড়ে বেড়িবাঁধের কাজ বাস্তবায়ণ করার চেষ্টা চালায়। পরে ভোক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে গত শুক্রবার সকালে বেড়িবাঁধের মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্থরা বেড়িবাঁধটি বর্তমান অবন্থান থেকে ৫-১০ ফুট পূর্বদিকে অথবা তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দাবী করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশন ইতিপূর্বে যে সব বাড়িঘর ভেঙ্গে মাটি কাটার কাজ করেছে সেসব ঘরমালিক গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবারগুলি বর্তমানে কনকনে শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে। ক্ষতির সম্মুখীন পরিবারগুলোর ভূমিহীন ও গরীব হওয়ায় খোলা আকাশই তাদের একমাত্র ভরসা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন সরকারি বরাদ্দ না থাকায় তারা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষজনকে কোন সহযোগীতা করতে পারবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ শাহিন বলেন, ঠিকাদারের লোকজন আমাদেরকে ১৫ হাজার টাকা করে দেয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু আমরা তা গ্রহণ করিনি। হয়ত আমাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে আর না হয় পূর্বদিকে অনেক জায়গা আছে সেদিকে সরিয়ে দিলে আমার শেষ সম্বল ঘর ভিটাটুকু রক্ষা হবে। আর তাতেই আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থকেতে পারবো। অন্যদিকে হাজিকান্দি এলাকায় নদী থেকে ১০ থেকে ১৫ মিটার দূরত্বে নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। চৌমুহনী এলাকায় আরো কমদূরত্বে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। শুধু আমাদের এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের লোকজন দালালকান্দি ও মাওলানা কান্দির গরীব মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে।
জানতে চাইলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গোলাম রব্বানী কনাষ্ট্রাকশনের প্রকল্পের ম্যানেজার তন্ময় বলেন, আমি চরফ্যাশনের মিটিংয়ে আছি। তজুমদ্দিনে আসলে সরাসরি কথা বলবো বলে কল কেটে দেন।
তজুমদ্দিন-লালমোহনের এসএসডিও আহসান আহমেদ বলেন, জমির মালিকদের সাথে কথা বলে সমজোতার মাধ্যমে বন্ধ কাজ শুরু করা হবে। বেড়িবাঁধের জমি অধিগ্রহণ করতে সরকারীভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় ঘর ও জমির মালিকদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া সুযোগ নেই। তবুও ঘর মালিকরা কোথাও অস্থায়ীভাবে থাকলে বেড়িবাঁধ সম্পন্ন হলে আবার বেড়িবাঁধে থাকতে পারবে।
তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বেড়িবাঁধের এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৭
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থা তার মৃত্যু হয়।
শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু ও মালঞ্চা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাহারুল।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন দিলারা হাফিজ। ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থা তার মৃত্যু হয়।
শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু ও মালঞ্চা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি বাহারুল।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন দিলারা হাফিজ। ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮