
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:৪৬
হালকা কুয়াশা, শিশির ভেজা ঘাস আর মৃদু হিমেল হাওয়ায় চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে শীতের আগমনী আমেজ। হেমন্তের সোনালি আভা পেরিয়ে প্রকৃতি এখন শীতকে বরণ করার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। তবে শীতের তীব্রতা শুরুর আগেই বরিশাল নগর ভবনের সামনে ফুটপাতের ভ্যানগাড়ীতে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদের। শীত নিবারণের জন্য আগে ভাগেই নিম্নআয়ের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এসব দোকান থেকে গরম কাপড় কিনছেন। প্রতিদিন দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকে এই ফুটপাতের বেচা-কেনা। ক্রেতাদের চাহিদাও রয়েছে বেশ ভালো।
নগর ভবন সংলগ্ন জেলো পরিষদের পুকুর পাড় ঘিরে ভ্যানগাড়ীতে নিয়ে বসা পুরানো কাপড় দোকান গুলোতে মিলছে পুরনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, ওভারকোট ও শিশু ও বৃদ্ধদের পোষাক সহ নারীদের শীতের পোশাকও।
অন্যদিকে নগরীর বহুমুখি সিটি মাকের্টে সাজিয়ে রাখা শীতের পোষাকের দোকান গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা। সেখানেও বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের পোষাক বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বারের তুলনায় এবছর দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। সেলিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূ বলেন, ‘এবার শীত মৌসুমের শুরুতেই ঠান্ডার প্রকোপ একটু দেখা যাচ্চে। এখানকার শীতের কাপড়গুলোর মান ভালো কিন্তু দামও তুলনামূলক বেশি। সন্তানদের জন্য শীতের পোশাক কিনলাম এখান থেকে।’ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছর শীত একটু দেড়িতে নেমেছে। তবে শুধুতেই একটু একটু শীত পড়ছে। তবে পাইকারিতে দাম বেড়েছে, এমন অজুহাতও দিচ্ছেন তারা।
শীতের মৌসুমকে ঘিরে নগরীতে এখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে গরম কাপড়ের বাজার। নতুন পোশাকের দোকানের চেয়ে পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতেই ক্রেতার ভিড় বেশি দেখা যাচ্ছে।
অবসারপ্রাপ্ত এক অবহাওয়াবিদ বলেন, বছর শেষে দিকে বরিশাল শহর সহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে অল্প স্বল্প শীত পড়তে শুরু করেছেন। তবে বিগত বছরের চেয়ে এবছর শীত একটু বেশি পড়বে বলে তিনি ধারনা করছেন।
তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই শীতের আমেজ রয়েছে তাই নগরীজুড়ে গরম কাপড়ের বাজারগুলোতে বেচা কেনা জমে উঠেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) নগর বভনের সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর অভিজাত মার্কেটগুলোর পাশাপাশি ফুটপাতেও সমানতালে চলছে গরম কাপড়ের বিকিকিনি। সস্তা দামে গরম কাপড় কিনতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা ফুটপাতের দোকানে ভিড় করছেন।
নগর ভবন সংলগ্ন জেলা পরিষদের পুকুরের পাশ জুড়ে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোতে নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা শীতের বস্ত্র কেনার জন্য ভিড় করছেন।
এছাড়াও নগরীর সদর রোড, লঞ্চঘাট, নতুন বাজার, রূপাতলী, মরকখোলার পুল, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, সাগরদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতের ওপর ও ভ্যান গাড়িতে করে বাহারী রঙ্গের শীতবস্ত্র বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা সিংহ ভাগই মৌসুমী পোশাক বিক্রেতা।
শীতের তীব্রতা প্রসঙ্গে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহম্মেদ বলেন, ধারনা করা হচ্ছে চলতি বছর শীত মৌসুমে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি থাকবে। নভেম্বর মাসের শেষের দিকে এ শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে।
হালকা কুয়াশা, শিশির ভেজা ঘাস আর মৃদু হিমেল হাওয়ায় চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে শীতের আগমনী আমেজ। হেমন্তের সোনালি আভা পেরিয়ে প্রকৃতি এখন শীতকে বরণ করার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। তবে শীতের তীব্রতা শুরুর আগেই বরিশাল নগর ভবনের সামনে ফুটপাতের ভ্যানগাড়ীতে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদের। শীত নিবারণের জন্য আগে ভাগেই নিম্নআয়ের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এসব দোকান থেকে গরম কাপড় কিনছেন। প্রতিদিন দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকে এই ফুটপাতের বেচা-কেনা। ক্রেতাদের চাহিদাও রয়েছে বেশ ভালো।
নগর ভবন সংলগ্ন জেলো পরিষদের পুকুর পাড় ঘিরে ভ্যানগাড়ীতে নিয়ে বসা পুরানো কাপড় দোকান গুলোতে মিলছে পুরনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, ওভারকোট ও শিশু ও বৃদ্ধদের পোষাক সহ নারীদের শীতের পোশাকও।
অন্যদিকে নগরীর বহুমুখি সিটি মাকের্টে সাজিয়ে রাখা শীতের পোষাকের দোকান গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা। সেখানেও বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের পোষাক বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বারের তুলনায় এবছর দাম বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। সেলিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূ বলেন, ‘এবার শীত মৌসুমের শুরুতেই ঠান্ডার প্রকোপ একটু দেখা যাচ্চে। এখানকার শীতের কাপড়গুলোর মান ভালো কিন্তু দামও তুলনামূলক বেশি। সন্তানদের জন্য শীতের পোশাক কিনলাম এখান থেকে।’ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছর শীত একটু দেড়িতে নেমেছে। তবে শুধুতেই একটু একটু শীত পড়ছে। তবে পাইকারিতে দাম বেড়েছে, এমন অজুহাতও দিচ্ছেন তারা।
শীতের মৌসুমকে ঘিরে নগরীতে এখন ব্যস্ত হয়ে উঠেছে গরম কাপড়ের বাজার। নতুন পোশাকের দোকানের চেয়ে পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতেই ক্রেতার ভিড় বেশি দেখা যাচ্ছে।
অবসারপ্রাপ্ত এক অবহাওয়াবিদ বলেন, বছর শেষে দিকে বরিশাল শহর সহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে অল্প স্বল্প শীত পড়তে শুরু করেছেন। তবে বিগত বছরের চেয়ে এবছর শীত একটু বেশি পড়বে বলে তিনি ধারনা করছেন।
তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই শীতের আমেজ রয়েছে তাই নগরীজুড়ে গরম কাপড়ের বাজারগুলোতে বেচা কেনা জমে উঠেছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) নগর বভনের সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর অভিজাত মার্কেটগুলোর পাশাপাশি ফুটপাতেও সমানতালে চলছে গরম কাপড়ের বিকিকিনি। সস্তা দামে গরম কাপড় কিনতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা ফুটপাতের দোকানে ভিড় করছেন।
নগর ভবন সংলগ্ন জেলা পরিষদের পুকুরের পাশ জুড়ে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোতে নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা শীতের বস্ত্র কেনার জন্য ভিড় করছেন।
এছাড়াও নগরীর সদর রোড, লঞ্চঘাট, নতুন বাজার, রূপাতলী, মরকখোলার পুল, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, সাগরদীসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতের ওপর ও ভ্যান গাড়িতে করে বাহারী রঙ্গের শীতবস্ত্র বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা সিংহ ভাগই মৌসুমী পোশাক বিক্রেতা।
শীতের তীব্রতা প্রসঙ্গে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহম্মেদ বলেন, ধারনা করা হচ্ছে চলতি বছর শীত মৌসুমে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি থাকবে। নভেম্বর মাসের শেষের দিকে এ শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১