
৩০ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২৯
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় মা মাছ রক্ষায় গঠিত হয়েছে বিশেষ অভয়াশ্রম। নদী ও খালের নির্দিষ্ট এলাকাকে মাছের প্রজনন মৌসুমে ‘নিষিদ্ধ জোন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ স্থানীয় জেলেদের জীবিকায় যেমন ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তেমনি জাতীয়ভাবে মাছের উৎপাদনও বেড়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী বেড়েরধন নদীতে নির্দিষ্ট এলাকায় গাছের ডাল ফেলা হয়েছে। বাঁশ দিয়ে বেড়া ও সংরক্ষিত এলাকায় লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। এ এলাকায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মা মাছ ধরার ক্ষেত্রে। মা মাছ রক্ষায় বিশেষ ঝাউ ফেলা হয়েছে। এখানে মা মাছ প্রজননের সময় ডিম পাড়বে এবং মাছ উৎপাদন হবে।
জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে বিশেষ করে মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে পোনা উৎপাদনের জন্য মা মাছ নিরাপদ পরিবেশ চায়। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এ সময়ে অতিরিক্ত মাছ ধরা, চায়না জাল ও বিষ প্রয়োগসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র, কমে যায় জেলেদের আয়।
ঝোপখালী গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী জলিল হাওলাদার বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মা মাছ রক্ষায় নির্দিষ্ট এলাকায় মাছ ধরা নিষেধ করা হয়েছে। এতে দেশীয় মাছ বেড়েছে দ্বিগুণ। উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করে ঝোপখালী খাল, বিষখালী নদীর কিছু অংশসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়ে অভয়াশ্রম গঠন করে। এসব এলাকায় মাছ ধরা, জাল ফেলা কিংবা নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে নিয়মিত পাহারা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামের জেলে মোশারেফ হোসেন ও লিটন বলছেন, অভয়াশ্রমের ফলে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাছ উৎপাদন হবে। ফলে তাদের জীবনধারণ সহজ হচ্ছে।
বেতাগী মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুর রব সিকদার বলেন, অভয়াশ্রম টিকিয়ে রাখতে হলে প্রয়োজন সবার সচেতনতা। বিশেষ করে কিছু অসাধু ব্যক্তি এখনো গোপনে মাছ ধরার চেষ্টা করেন। তাদের রুখতে নিয়মিত অভিযান চালানো এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
বেতাগী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তুরান বলেন, মা মাছ রক্ষায় গঠিত অভয়াশ্রম এরই মধ্যে সুফল দিতে শুরু করেছে। এ উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মা মাছ রক্ষায় ৪ লাখ ৪০০ টাকা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নিষিদ্ধ সময় পার হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, মাছের পরিমাণ বেড়েছে। এ প্রকল্পের কারণে জলাশয়ে ধরা পড়ছে বড় আকারের মাছ। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ বেড়েছে। এতে জেলেরা আগ্রহী হচ্ছেন নিয়ম মেনে চলতে।
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় মা মাছ রক্ষায় গঠিত হয়েছে বিশেষ অভয়াশ্রম। নদী ও খালের নির্দিষ্ট এলাকাকে মাছের প্রজনন মৌসুমে ‘নিষিদ্ধ জোন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ স্থানীয় জেলেদের জীবিকায় যেমন ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তেমনি জাতীয়ভাবে মাছের উৎপাদনও বেড়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী বেড়েরধন নদীতে নির্দিষ্ট এলাকায় গাছের ডাল ফেলা হয়েছে। বাঁশ দিয়ে বেড়া ও সংরক্ষিত এলাকায় লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। এ এলাকায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মা মাছ ধরার ক্ষেত্রে। মা মাছ রক্ষায় বিশেষ ঝাউ ফেলা হয়েছে। এখানে মা মাছ প্রজননের সময় ডিম পাড়বে এবং মাছ উৎপাদন হবে।
জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে বিশেষ করে মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে পোনা উৎপাদনের জন্য মা মাছ নিরাপদ পরিবেশ চায়। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এ সময়ে অতিরিক্ত মাছ ধরা, চায়না জাল ও বিষ প্রয়োগসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র, কমে যায় জেলেদের আয়।
ঝোপখালী গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী জলিল হাওলাদার বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মা মাছ রক্ষায় নির্দিষ্ট এলাকায় মাছ ধরা নিষেধ করা হয়েছে। এতে দেশীয় মাছ বেড়েছে দ্বিগুণ। উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করে ঝোপখালী খাল, বিষখালী নদীর কিছু অংশসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়ে অভয়াশ্রম গঠন করে। এসব এলাকায় মাছ ধরা, জাল ফেলা কিংবা নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে নিয়মিত পাহারা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামের জেলে মোশারেফ হোসেন ও লিটন বলছেন, অভয়াশ্রমের ফলে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাছ উৎপাদন হবে। ফলে তাদের জীবনধারণ সহজ হচ্ছে।
বেতাগী মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুর রব সিকদার বলেন, অভয়াশ্রম টিকিয়ে রাখতে হলে প্রয়োজন সবার সচেতনতা। বিশেষ করে কিছু অসাধু ব্যক্তি এখনো গোপনে মাছ ধরার চেষ্টা করেন। তাদের রুখতে নিয়মিত অভিযান চালানো এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
বেতাগী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তুরান বলেন, মা মাছ রক্ষায় গঠিত অভয়াশ্রম এরই মধ্যে সুফল দিতে শুরু করেছে। এ উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মা মাছ রক্ষায় ৪ লাখ ৪০০ টাকা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নিষিদ্ধ সময় পার হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, মাছের পরিমাণ বেড়েছে। এ প্রকল্পের কারণে জলাশয়ে ধরা পড়ছে বড় আকারের মাছ। বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ বেড়েছে। এতে জেলেরা আগ্রহী হচ্ছেন নিয়ম মেনে চলতে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯