
২০ মার্চ, ২০২৬ ০০:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের চলিশা এলাকায় চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় ভুক্তভোগীর পুত্রবধূর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. গোলাম রসুল (৫৭) অভিযোগ করে বলেন, একই এলাকার আলমগীর শেখ (৪২) ও সজীব শেখ (৩২) দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নিয়মিত হুমকি দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে আলমগীর ও সজীবসহ আরও ৩-৪ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মো. গোলাম রসুলের বাড়িতে প্রবেশ করে।
দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় হামলাকারীরা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। হামলার সময় ধারালো চাপাতি দিয়ে আঘাত করলে তিনি বাম হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার বুড়ো আঙুল গুরুতরভাবে জখম হয়।
গোলাম রসুল আরও অভিযোগ করেন, তাকে উদ্ধার করতে হানিফ শেখসহ পরিবারের সদস্য নারগিছ বেগম, হামিদা বেগম ও রিনা বেগম এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর করে।
এ সময় তারা হামিদার গলায় থাকা প্রায় ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ছিনিয়ে নেয়। এমনকি রিনা বেগমের শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করে তারা।
হামলায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় গোলাম রসুল পিরোজপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ছবি: বরিশাল টাইমস
পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের চলিশা এলাকায় চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় ভুক্তভোগীর পুত্রবধূর কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. গোলাম রসুল (৫৭) অভিযোগ করে বলেন, একই এলাকার আলমগীর শেখ (৪২) ও সজীব শেখ (৩২) দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নিয়মিত হুমকি দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে আলমগীর ও সজীবসহ আরও ৩-৪ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মো. গোলাম রসুলের বাড়িতে প্রবেশ করে।
দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় হামলাকারীরা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। হামলার সময় ধারালো চাপাতি দিয়ে আঘাত করলে তিনি বাম হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার বুড়ো আঙুল গুরুতরভাবে জখম হয়।
গোলাম রসুল আরও অভিযোগ করেন, তাকে উদ্ধার করতে হানিফ শেখসহ পরিবারের সদস্য নারগিছ বেগম, হামিদা বেগম ও রিনা বেগম এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর করে।
এ সময় তারা হামিদার গলায় থাকা প্রায় ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ছিনিয়ে নেয়। এমনকি রিনা বেগমের শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করে তারা।
হামলায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় গোলাম রসুল পিরোজপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বরিশাল টাইমস

১৭ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মস্তকবিহীন লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিলকে সূত্র ধরে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসানের দক্ষতা ও দূরদর্শিতা প্রশংসিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সারেংকাঠি এলাকার একটি ইটভাটার পাশের নদীর তীর থেকে গলাকাটা অবস্থায় একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে সিআইডি, পিবিআই ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে একটি সাদা মোটরসাইকেলে তিন যুবক ইটভাটায় প্রবেশ করে। ৩টা ২৭ মিনিটে একই মোটরসাইকেলে বেরিয়ে আসে দুইজন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতো ও টি-শার্টের সঙ্গে ফুটেজে দেখা পোশাকের মিল পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, একজনই হত্যা হয়েছে।
তদন্তে লাশের প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়। হ্যান্ডবিলে থাকা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, বরিশালের কাশির বাজার এলাকায় হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়েছিল। ছবি বিশ্লেষণ করে “Malteser” লেখা টি-শার্ট পরা যুবকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।
পরে পুলিশ বরিশালের কাশিপুর এলাকায় গিয়ে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪০)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।
পুলিশ ওই রাতেই বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এলাকা থেকে তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। পরে র্যাব-৮ এর সহায়তায় অপর আসামি আবেদীন মাঝি ওরফে রাজুকেও (৪২) আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, প্রধান আসামি সম্রাটের সঙ্গে নিহত গোপালের নারী সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া সহঅভিযুক্ত রাজুর সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। অভিযোগ রয়েছে, গোপাল তাদের মাদকের চালান নষ্ট করার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, মস্তকবিহীন লাশ শনাক্ত করা প্রথমে কঠিন ছিল। তবে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া হ্যান্ডবিলকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে দ্রুত পরিচয় শনাক্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।
মাত্র একটি হ্যান্ডবিলের সূত্র ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে জটিল ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা মস্তকবিহীন লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিলকে সূত্র ধরে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসানের দক্ষতা ও দূরদর্শিতা প্রশংসিত হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সারেংকাঠি এলাকার একটি ইটভাটার পাশের নদীর তীর থেকে গলাকাটা অবস্থায় একটি মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে সিআইডি, পিবিআই ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে একটি সাদা মোটরসাইকেলে তিন যুবক ইটভাটায় প্রবেশ করে। ৩টা ২৭ মিনিটে একই মোটরসাইকেলে বেরিয়ে আসে দুইজন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতো ও টি-শার্টের সঙ্গে ফুটেজে দেখা পোশাকের মিল পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, একজনই হত্যা হয়েছে।
তদন্তে লাশের প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে একটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানির হ্যান্ডবিল উদ্ধার করা হয়। হ্যান্ডবিলে থাকা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, বরিশালের কাশির বাজার এলাকায় হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়েছিল। ছবি বিশ্লেষণ করে “Malteser” লেখা টি-শার্ট পরা যুবকের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।
পরে পুলিশ বরিশালের কাশিপুর এলাকায় গিয়ে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪০)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।
পুলিশ ওই রাতেই বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এলাকা থেকে তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। পরে র্যাব-৮ এর সহায়তায় অপর আসামি আবেদীন মাঝি ওরফে রাজুকেও (৪২) আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, প্রধান আসামি সম্রাটের সঙ্গে নিহত গোপালের নারী সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া সহঅভিযুক্ত রাজুর সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। অভিযোগ রয়েছে, গোপাল তাদের মাদকের চালান নষ্ট করার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, মস্তকবিহীন লাশ শনাক্ত করা প্রথমে কঠিন ছিল। তবে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া হ্যান্ডবিলকে সূত্র হিসেবে ব্যবহার করে দ্রুত পরিচয় শনাক্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।
মাত্র একটি হ্যান্ডবিলের সূত্র ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে জটিল ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পিরোজপুরের বাজারগুলো। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। রং-বেরঙের পোশাক কিনতেই বেশি ব্যস্ত নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।
জানা গেছে, জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার বাজারগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। রমজানের শুরুতে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও, ১০ রোজার পর থেকেই জমে উঠেছে কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা পছন্দমতো শাড়ি, পাঞ্জাবি, প্যান্ট ও থ্রি-পিস কিনছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, জিন্স প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।
পাঞ্জাবি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা এবং শার্ট ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। এ বছর ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিটি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। শিশুদের পোশাকের দাম ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।
সুমাইয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম কিছুটা বেশি। তবে ঈদের আনন্দে প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে একটু বেশি দাম দিয়েই পোশাক কিনতে হচ্ছে।
নেছার উদ্দিন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য বর্তমান বাজার মোটামুটি ভালো মনে হচ্ছে। তবে পণ্যগুলোর আরও কিছুটা দাম কম হলে সবারই কেনাকাটা করতে সুবিধা হতো।
ইয়াসমিন সুলতানা নামে আরেক নারী জানান, আমার পরিবারের বাজেট অল্প। আমি আমার ছেলে ও আমার বোনের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। ওদের জন্য কেনাকাটা শেষ হলে, সম্ভব হলে আমি কিছু কিনব।
নিজাম উদ্দিন ও আব্দুল মান্নান নামে দুই ব্যবসায়ী জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন ধরনের পোশাক বাজারে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের বিক্রি বেশি। সব মিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ।
পিরোজপুর জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসানুল কবির বলেন, ঈদের বাজার সুষ্ঠুভাবে চলছে, আমরা সর্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ চুরি, ছিনতাই ঠেকাতে আমরা ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। ঈদ উপলক্ষে কিছু কুচক্রী মহল বাজারে জাল টাকা ছড়ানোর চেষ্টা করে, এ বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি।
এ ছাড়া পোশাকের পাশাপাশি জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে জুতা ও কসমেটিকসের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পিরোজপুরের বাজারগুলো। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। রং-বেরঙের পোশাক কিনতেই বেশি ব্যস্ত নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।
জানা গেছে, জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার বাজারগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। রমজানের শুরুতে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও, ১০ রোজার পর থেকেই জমে উঠেছে কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা পছন্দমতো শাড়ি, পাঞ্জাবি, প্যান্ট ও থ্রি-পিস কিনছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, জিন্স প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।
পাঞ্জাবি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা এবং শার্ট ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। এ বছর ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিটি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। শিশুদের পোশাকের দাম ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।
সুমাইয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম কিছুটা বেশি। তবে ঈদের আনন্দে প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে একটু বেশি দাম দিয়েই পোশাক কিনতে হচ্ছে।
নেছার উদ্দিন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য বর্তমান বাজার মোটামুটি ভালো মনে হচ্ছে। তবে পণ্যগুলোর আরও কিছুটা দাম কম হলে সবারই কেনাকাটা করতে সুবিধা হতো।
ইয়াসমিন সুলতানা নামে আরেক নারী জানান, আমার পরিবারের বাজেট অল্প। আমি আমার ছেলে ও আমার বোনের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। ওদের জন্য কেনাকাটা শেষ হলে, সম্ভব হলে আমি কিছু কিনব।
নিজাম উদ্দিন ও আব্দুল মান্নান নামে দুই ব্যবসায়ী জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন ধরনের পোশাক বাজারে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের বিক্রি বেশি। সব মিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ।
পিরোজপুর জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসানুল কবির বলেন, ঈদের বাজার সুষ্ঠুভাবে চলছে, আমরা সর্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ চুরি, ছিনতাই ঠেকাতে আমরা ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। ঈদ উপলক্ষে কিছু কুচক্রী মহল বাজারে জাল টাকা ছড়ানোর চেষ্টা করে, এ বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি।
এ ছাড়া পোশাকের পাশাপাশি জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে জুতা ও কসমেটিকসের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।