
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা থাকলেও, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখা ও উপশাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে। নির্বাচন ও ছুটির কারণে ব্যাংকিং সেবা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ডিলারদের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে- এমন আশঙ্কায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শনিবার যেসব ও শাখা খোলা থাকবে:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শাখা, খুলনার খালিশপুর শাখা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর শাখা, রংপুরের শাপলা চত্বর শাখা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা, চাঁদপুরের চাঁদপুর প্রধান শাখা, ঝালকাঠির ঝালকাঠি শাখা, বরিশালের বরিশাল শাখা, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার শাখা এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: খুলনার খালিশপুর শাখা।
জনতা ব্যাংক পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপশাখা।
উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা ছিল। তবে বিশেষ প্রয়োজনে উল্লিখিত শাখাগুলো শনিবার সীমিত পরিসরে লেনদেন চালিয়ে যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা থাকলেও, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখা ও উপশাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে। নির্বাচন ও ছুটির কারণে ব্যাংকিং সেবা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ডিলারদের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে- এমন আশঙ্কায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শনিবার যেসব ও শাখা খোলা থাকবে:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শাখা, খুলনার খালিশপুর শাখা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর শাখা, রংপুরের শাপলা চত্বর শাখা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা, চাঁদপুরের চাঁদপুর প্রধান শাখা, ঝালকাঠির ঝালকাঠি শাখা, বরিশালের বরিশাল শাখা, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার শাখা এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: খুলনার খালিশপুর শাখা।
জনতা ব্যাংক পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপশাখা।
উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা ছিল। তবে বিশেষ প্রয়োজনে উল্লিখিত শাখাগুলো শনিবার সীমিত পরিসরে লেনদেন চালিয়ে যাবে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৮

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের দিন বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১৬ হাজার সদস্য মাঠে সক্রিয় থাকবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে গোটা বরিশাল। তবুও শঙ্কায় রয়েছেন জেলার ৬টি আসনের প্রার্থীরা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন তাদের শঙ্কার কথা।
সবশেষ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনের দিন শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এর আগেও বরিশালের একাধিক প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ দলের ক্যাডারদের দ্বারা ভোটারদের হুমকি, কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কিংবা নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিলে তারা বলছেন এসপিকে জানাতে। এসপি আবার বলছেন বিষয়টিতে তাদের এখতিয়ার নেই। ওএসডি হওয়ার ভয়ে কেউ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তাদের কাছে এলাকার সন্ত্রাসীদের তালিকা দিয়েছি। অথচ তারা কোনো ধরনের অভিযান কিংবা ব্যবস্থা নেয়নি। সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও ভোটারদের প্রভাবিত করছে।
এর আগে (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল-৬ আসনকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) বাকেরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) মো. কামরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওই সব কর্মকর্তারা একটি বিশেষ দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মাঠে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া জেলার ৬টি আসনের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা মামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রার্থীসহ কর্মীদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে আদালত। বরিশাল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে সমর্থকদের ওপর হামলা ও অব্যাহত হুমকির ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সাত কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন আদালত। এছাড়া বরিশাল-৪ আসনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই করা হয়েছে মামলা।
এদিকে বরিশাল জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম সূত্রে জানা গেছে, তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বড় একটি জনবল নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনী থেকে। বরিশাল জেলা পুলিশের অধীনে সাধারণ কেন্দ্রে দুজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জেলায় সর্বমোট ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৯৯টি মোবাইল টিম এবং ১২টি স্ট্রাইকিং টিম কাজ করবে।
অন্যদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করবে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে থাকছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও থাকবে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১৪০০-১৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করবেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা হবে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন ও বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌপুলিশও দায়িত্ব পালন করবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছে ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি।
বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের দিন বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১৬ হাজার সদস্য মাঠে সক্রিয় থাকবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে গোটা বরিশাল। তবুও শঙ্কায় রয়েছেন জেলার ৬টি আসনের প্রার্থীরা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন তাদের শঙ্কার কথা।
সবশেষ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনের দিন শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এর আগেও বরিশালের একাধিক প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ দলের ক্যাডারদের দ্বারা ভোটারদের হুমকি, কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কিংবা নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিলে তারা বলছেন এসপিকে জানাতে। এসপি আবার বলছেন বিষয়টিতে তাদের এখতিয়ার নেই। ওএসডি হওয়ার ভয়ে কেউ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তাদের কাছে এলাকার সন্ত্রাসীদের তালিকা দিয়েছি। অথচ তারা কোনো ধরনের অভিযান কিংবা ব্যবস্থা নেয়নি। সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও ভোটারদের প্রভাবিত করছে।
এর আগে (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল-৬ আসনকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) বাকেরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) মো. কামরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওই সব কর্মকর্তারা একটি বিশেষ দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মাঠে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া জেলার ৬টি আসনের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা মামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রার্থীসহ কর্মীদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে আদালত। বরিশাল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে সমর্থকদের ওপর হামলা ও অব্যাহত হুমকির ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সাত কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন আদালত। এছাড়া বরিশাল-৪ আসনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই করা হয়েছে মামলা।
এদিকে বরিশাল জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম সূত্রে জানা গেছে, তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বড় একটি জনবল নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনী থেকে। বরিশাল জেলা পুলিশের অধীনে সাধারণ কেন্দ্রে দুজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জেলায় সর্বমোট ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৯৯টি মোবাইল টিম এবং ১২টি স্ট্রাইকিং টিম কাজ করবে।
অন্যদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করবে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে থাকছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও থাকবে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১৪০০-১৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করবেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা হবে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন ও বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌপুলিশও দায়িত্ব পালন করবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছে ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি।
বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ১২ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কাজিরহাট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কর্মীরা তাঁদের প্রচারণায় হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা করলে তাঁদের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেন এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বরিশাল-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আলম আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বরিশাল প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় আন্ধারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
তখন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী অফিস থেকে লাঠিসোঁটা এনে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা।
হামলায় নেতৃত্ব দেন মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি, আনোয়ার হাওলাদারসহ আরও ২৫-৩০ জন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থাকা ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ সময় লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথা ফেটে যায় এবং একজনের পা ভেঙে যায়। আহত কয়েকজন পাশের চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও বিএনপি নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ফোন পেয়ে সেনাবাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে।’
সৈয়দ গুলজার আলম আরও বলেন, ‘আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক দুজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও গত ২ ফেব্রুয়ারি হামলাকারী মোহাম্মদ আলীসহ ধানের শীষের কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওই ঘটনায় তখন কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।’
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি কর্মী মোফাজ্জেল দেওয়ান বলেন, ‘জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা শেষ করে ফেরার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল রেখে মিছিল শুরু করেন। ওই সময় বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দিলে তারা পাঁচ-ছয়জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দিয়েছে।’
আজ সন্ধ্যায় কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীউল হাসান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে উভয় পক্ষের ১২ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কাজিরহাট থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কর্মীরা তাঁদের প্রচারণায় হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে বিএনপির দাবি, জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে বিশৃঙ্খলা করলে তাঁদের নেতা-কর্মীরা তাতে বাধা দেন এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বরিশাল-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সৈয়দ গুলজার আলম আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বরিশাল প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় আন্ধারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
তখন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী অফিস থেকে লাঠিসোঁটা এনে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা।
হামলায় নেতৃত্ব দেন মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি, আনোয়ার হাওলাদারসহ আরও ২৫-৩০ জন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থাকা ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেয় এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।
এ সময় লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথা ফেটে যায় এবং একজনের পা ভেঙে যায়। আহত কয়েকজন পাশের চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও বিএনপি নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ফোন পেয়ে সেনাবাহিনী এসে তাঁদের উদ্ধার করে।’
সৈয়দ গুলজার আলম আরও বলেন, ‘আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক দুজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও গত ২ ফেব্রুয়ারি হামলাকারী মোহাম্মদ আলীসহ ধানের শীষের কর্মীরা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওই ঘটনায় তখন কাজিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।’
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি কর্মী মোফাজ্জেল দেওয়ান বলেন, ‘জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা প্রচারণা শেষ করে ফেরার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল রেখে মিছিল শুরু করেন। ওই সময় বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দিলে তারা পাঁচ-ছয়জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দিয়েছে।’
আজ সন্ধ্যায় কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীউল হাসান বলেন, বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে ২ হাজার ৮৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎবিহীন।
ঝুঁকিপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করাসহ ভোটারদের নির্বিঘ্নে আসার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টার, যা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বরিশালের আকাশে দেখা যেতে পারে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারিও বরিশালের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপনের কাজ চলে। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ব্যস্ততা দেখা যায়। কমিশনের এই উদ্যোগে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটদের মধ্যেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা শোনা গেছে। দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশালে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ, আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা।
বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। বিভাগীয় প্রশাসন বলছে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম।
যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি। বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি।
পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ণ ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূুকিপূর্ণ ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি। এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী এবং কাউখালী উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম রূপালী বাংলাদেশতে বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দুর্গম এলাকাগুলো। নির্বাচন কমিশনও সেই লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতা আছে।
সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম এবং সহিংসতামুক্ত করার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ভৌগোলিক কারণে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী এবং কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি উল্লেখসংখ্যক এই ভোটারদের কত শতাংশ ভোট দেবেন এবং তাদের নিরাপত্তায় সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটুকু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।’
বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে ২ হাজার ৮৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎবিহীন।
ঝুঁকিপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করাসহ ভোটারদের নির্বিঘ্নে আসার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টার, যা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বরিশালের আকাশে দেখা যেতে পারে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারিও বরিশালের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপনের কাজ চলে। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ব্যস্ততা দেখা যায়। কমিশনের এই উদ্যোগে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটদের মধ্যেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা শোনা গেছে। দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশালে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ, আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা।
বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। বিভাগীয় প্রশাসন বলছে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম।
যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি। বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি।
পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ণ ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূুকিপূর্ণ ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি। এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী এবং কাউখালী উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম রূপালী বাংলাদেশতে বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দুর্গম এলাকাগুলো। নির্বাচন কমিশনও সেই লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতা আছে।
সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম এবং সহিংসতামুক্ত করার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ভৌগোলিক কারণে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী এবং কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি উল্লেখসংখ্যক এই ভোটারদের কত শতাংশ ভোট দেবেন এবং তাদের নিরাপত্তায় সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটুকু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।’
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১