
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিএনপির ওই নেতা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের মহাসচিবকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দল মনোনীত করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান কর্তৃক মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রায় সবাই জানিয়েছেন যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি একান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। তবে তার পছন্দের বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতা নিশ্চিত করেছেন যে ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বিএনপি নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সদর দপ্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলের প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছিল। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায়, সংসদীয় সমর্থনে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না ঘটলে দলটির মনোনীত প্রার্থীই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া কার্যত নিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ২০ আগস্ট নির্ধারণ করেছে; প্রয়োজনে সেদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে মির্জা ফখরুল যদি একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে কোনো সংসদীয় ভোটের প্রয়োজন হবে না এবং তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যেতে পারে।
এর আগে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা বাধ্যতামূলক।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিএনপির ওই নেতা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের মহাসচিবকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দল মনোনীত করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান কর্তৃক মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রায় সবাই জানিয়েছেন যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি একান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। তবে তার পছন্দের বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতা নিশ্চিত করেছেন যে ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বিএনপি নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সদর দপ্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলের প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছিল। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায়, সংসদীয় সমর্থনে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না ঘটলে দলটির মনোনীত প্রার্থীই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া কার্যত নিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ২০ আগস্ট নির্ধারণ করেছে; প্রয়োজনে সেদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে মির্জা ফখরুল যদি একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে কোনো সংসদীয় ভোটের প্রয়োজন হবে না এবং তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যেতে পারে।
এর আগে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা বাধ্যতামূলক।

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৮
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৩০
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার মামা ওবায়দুর রহমান। তিনি একসময় গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি পুলিশও নিশ্চিত করেছে।
মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের দাবি, মরিয়ম তার কাছে মেয়ের মতো ছিলেন। তার লেখাপড়ার খরচও তিনি বহন করতেন। মরিয়মের এমন পরিণতি তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান।
মরিয়মের মৃত্যুর আগে পারিবারিক পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুর বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। তার দাবি, মরিয়মের বিয়ে জোর করে দেওয়া হয়েছিল এবং গাজী নজরুলের কিছু কর্মকাণ্ড তিনি মেনে নিতে পারেননি।
এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে গাজী নজরুল ওই তরুণীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন বলে জানান। এ ঘটনার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে মরিয়মের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশও এখনো এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিশ্চিত করেনি।'
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার মামা ওবায়দুর রহমান। তিনি একসময় গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি পুলিশও নিশ্চিত করেছে।
মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের দাবি, মরিয়ম তার কাছে মেয়ের মতো ছিলেন। তার লেখাপড়ার খরচও তিনি বহন করতেন। মরিয়মের এমন পরিণতি তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান।
মরিয়মের মৃত্যুর আগে পারিবারিক পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুর বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। তার দাবি, মরিয়মের বিয়ে জোর করে দেওয়া হয়েছিল এবং গাজী নজরুলের কিছু কর্মকাণ্ড তিনি মেনে নিতে পারেননি।
এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে গাজী নজরুল ওই তরুণীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন বলে জানান। এ ঘটনার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে মরিয়মের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশও এখনো এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিশ্চিত করেনি।'

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৭
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজকের পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।
দুদক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে সম্পদ কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এসব এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; এর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ এর আগে আপত্তি জানিয়েছেন। স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় দুদকের অনুসন্ধান হলে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দুদকের কিছু বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির সচিবও বলেছেন, এ অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজকের পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।
দুদক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে সম্পদ কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এসব এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; এর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ এর আগে আপত্তি জানিয়েছেন। স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় দুদকের অনুসন্ধান হলে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দুদকের কিছু বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির সচিবও বলেছেন, এ অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।