ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, মফস্বল এলাকার থানার কোনো ওসিকে হঠাৎ করে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় দায়িত্ব দিলে কাজ করতে গিয়ে নানা জটিলতায় পড়তে হয়। ভোলার তমিজউদ্দিন থানার ওসিকে এনে যদি গুলশানের ওসি বানানো হয়, তাহলে তার পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও জটিল সংগঠন। এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মফস্বল এলাকার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঢাকার থানার ওসি হতে হলে আলাদা ধরনের কন্ট্রোল ক্যাপাসিটি লাগে।
ওসি বদলি ও নিয়োগ প্রসঙ্গে শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ব্যাপক রদবদল হলেও ঢাকা মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মফস্বল থেকে ওসি এনে ঢাকায় বসালে সবারই ভোগান্তি বাড়বে- এটা বিবেচনায় ঢাকার ভেতরেই লটারির মাধ্যমে ওসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ধরুন সবুজবাগ থানার ওসি যদি লটারিতে মোহাম্মদপুর পেয়ে যায়, তাহলে সবুজবাগে যে ধরনের নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা দরকার, সেটি দিয়ে মোহাম্মদপুরের মতো এলাকায় কাজ করা কঠিন হয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আগামী ৪০ দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন এখন আমাদের টপ প্রায়োরিটি। জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখ থেকে প্রচারণা শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। সে সময় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও মাস্তানি দমনে পুলিশকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি কার্যকর সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে চান। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি বা ভুলের কারণে যেন পুলিশ সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন- সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৩
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২০
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:১২
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৭
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, মফস্বল এলাকার থানার কোনো ওসিকে হঠাৎ করে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় দায়িত্ব দিলে কাজ করতে গিয়ে নানা জটিলতায় পড়তে হয়। ভোলার তমিজউদ্দিন থানার ওসিকে এনে যদি গুলশানের ওসি বানানো হয়, তাহলে তার পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও জটিল সংগঠন। এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মফস্বল এলাকার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঢাকার থানার ওসি হতে হলে আলাদা ধরনের কন্ট্রোল ক্যাপাসিটি লাগে।
ওসি বদলি ও নিয়োগ প্রসঙ্গে শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ব্যাপক রদবদল হলেও ঢাকা মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মফস্বল থেকে ওসি এনে ঢাকায় বসালে সবারই ভোগান্তি বাড়বে- এটা বিবেচনায় ঢাকার ভেতরেই লটারির মাধ্যমে ওসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ধরুন সবুজবাগ থানার ওসি যদি লটারিতে মোহাম্মদপুর পেয়ে যায়, তাহলে সবুজবাগে যে ধরনের নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা দরকার, সেটি দিয়ে মোহাম্মদপুরের মতো এলাকায় কাজ করা কঠিন হয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আগামী ৪০ দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন এখন আমাদের টপ প্রায়োরিটি। জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখ থেকে প্রচারণা শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। সে সময় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও মাস্তানি দমনে পুলিশকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি কার্যকর সেতুবন্ধ গড়ে তুলতে চান। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি বা ভুলের কারণে যেন পুলিশ সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন- সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬