ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান আটকে দিয়েছে ছাত্র-জনতা। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে ভোলার ওপর দিয়ে অন্যান্য জেলায় যাতায়াতকারী পরিবহন ব্যবস্থা। এ সময় দূরপাল্লার ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন আটকে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ বাজার সংলগ্ন বিশ্বরোড চত্বরে পূর্ব ঘোষিত করিডোর অবরোধ কর্মসূচিতে এসব গাড়ি আটকে দেওয়া হয়।
আটকে পড়া ট্রাকচালক মো. হোসাইন ও মো. বাবুল বলেন, আমরা ট্রাকে কারখানার কাঁচামাল নিয়ে ভেদুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী ঘাটে যাওয়ার জন্য এসেছি। এখানে আন্দোলনের মুখে পড়েছি। আন্দোলনকারীরা বলেছে, এ রাস্তা বন্ধ, তাই ট্রাক নিয়ে বসে আছি।
তারা বলেন, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পাড়লে কম্পানি এবং আমাদের লোকসান হবে। কম্পানি আমাদের প্রতি ট্রিপে নির্দিষ্ট পরিমাণে রোড খরচ দেয়, এর বাইরে দিবে না। বাকি রোড খরচ নিজেদেরই বহন করতে হবে।
আটকে পড়া ট্রাক চালকদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা আমাদের আটকে দিয়েছে। এটি আামাদের জন্য ভোগান্তির কারণ। তবে আমরাও চাই ভোলা-বরিশাল সেতু হোক। এটি হলে আমাদের জন্যও ভালো হবে। ফেরিঘাটে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। আমরা সহজেই যাতায়াত করতে পারব।
আন্দোলনকারী মো. শরীফ হাওলাদার বলেন, বাইরের জেলার যে সব গাড়ি ভোলার ওপর দিয়ে অন্য জেলায় যাতায়াত করে, সেগুলোকে আমরা আটকে দিয়েছি। তবে ভোলাতে আসা-যাওয়া করা গাড়িগুলো চলাচল করবে। এটি আমাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি।
তিনি বলেন, আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) আমাদের কর্মসূচি হলো-ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ সাত উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি। সরকার যদি আমাদের সঙ্গে না বসে, তাহলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
আন্দোলনকারী মো. রাহিম ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা দিয়েছেন, ২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভোলা-বরিশাল সেতুর কাজ শুরু করবে। হঠাৎ করে গত মাসে সেতু উপদেষ্টা ভোলায় এসে বললেন, সেতুর কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তারা এটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দেখবেন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতি হবে। উপদেষ্টার এমন কথা ভোলাবাসীর সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৩
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোলার লালমোহনে ৪ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার বাঙ্গটিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রী মোসা. সিমা বেগম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আছাদুজ্জামান খান অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালমা ডাওরী বাজারের বাস স্টান থেকে তাদের আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
লালমোহন থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৫
ভোলায় অটোরিকশা ও নছিমনের সংঘর্ষে রাশেদ হাওলাদার (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা শহরের পিটিআই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের চর ছিফলী গ্রামের শাহাজামাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
দুপুরে ভোলার পিটিআই এলাকায় অটোরিকশা ও নছিমনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় রাশেদ নসিমনের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলায় অটোরিকশা ও নছিমনের সংঘর্ষে রাশেদ হাওলাদার (১৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা শহরের পিটিআই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের চর ছিফলী গ্রামের শাহাজামাল হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
দুপুরে ভোলার পিটিআই এলাকায় অটোরিকশা ও নছিমনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় রাশেদ নসিমনের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৩
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’

০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৩০
ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান আটকে দিয়েছে ছাত্র-জনতা। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে ভোলার ওপর দিয়ে অন্যান্য জেলায় যাতায়াতকারী পরিবহন ব্যবস্থা। এ সময় দূরপাল্লার ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন আটকে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ বাজার সংলগ্ন বিশ্বরোড চত্বরে পূর্ব ঘোষিত করিডোর অবরোধ কর্মসূচিতে এসব গাড়ি আটকে দেওয়া হয়।
আটকে পড়া ট্রাকচালক মো. হোসাইন ও মো. বাবুল বলেন, আমরা ট্রাকে কারখানার কাঁচামাল নিয়ে ভেদুরিয়া ফেরিঘাট হয়ে লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী ঘাটে যাওয়ার জন্য এসেছি। এখানে আন্দোলনের মুখে পড়েছি। আন্দোলনকারীরা বলেছে, এ রাস্তা বন্ধ, তাই ট্রাক নিয়ে বসে আছি।
তারা বলেন, সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পাড়লে কম্পানি এবং আমাদের লোকসান হবে। কম্পানি আমাদের প্রতি ট্রিপে নির্দিষ্ট পরিমাণে রোড খরচ দেয়, এর বাইরে দিবে না। বাকি রোড খরচ নিজেদেরই বহন করতে হবে।
আটকে পড়া ট্রাক চালকদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা আমাদের আটকে দিয়েছে। এটি আামাদের জন্য ভোগান্তির কারণ। তবে আমরাও চাই ভোলা-বরিশাল সেতু হোক। এটি হলে আমাদের জন্যও ভালো হবে। ফেরিঘাটে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। আমরা সহজেই যাতায়াত করতে পারব।
আন্দোলনকারী মো. শরীফ হাওলাদার বলেন, বাইরের জেলার যে সব গাড়ি ভোলার ওপর দিয়ে অন্য জেলায় যাতায়াত করে, সেগুলোকে আমরা আটকে দিয়েছি। তবে ভোলাতে আসা-যাওয়া করা গাড়িগুলো চলাচল করবে। এটি আমাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি।
তিনি বলেন, আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) আমাদের কর্মসূচি হলো-ভোলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ সাত উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি। সরকার যদি আমাদের সঙ্গে না বসে, তাহলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
আন্দোলনকারী মো. রাহিম ইসলাম বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা দিয়েছেন, ২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভোলা-বরিশাল সেতুর কাজ শুরু করবে। হঠাৎ করে গত মাসে সেতু উপদেষ্টা ভোলায় এসে বললেন, সেতুর কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তারা এটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দেখবেন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতি হবে। উপদেষ্টার এমন কথা ভোলাবাসীর সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মসূচি চালিয়ে যাব।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬