
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-০১ আসনে দলীয় মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমানের বুদ্ধি-জ্ঞান ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আমাদের সবার থেকে অনেক বেশি। তিনি যখন বলেন এবারের নির্বাচন সহজ হবে না, তখন তা আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। তিনি অবশ্যই আমাদের চেয়ে অনেক আগেই সবকিছু অনুধাবন করতে পারেন বলেই সবাইকে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র এখনও চলমান রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র থেকে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ রাজনীতিবিদ নন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা রাজনীতির বাস্তবতা বোঝেন না। তারা দ্রুত নির্বাচন দিতে চায়, জনগণও নির্বাচন চায়। কিন্তু এই নির্বাচন সহজ নয়। তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৪টায় দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিভার্সিটি স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ (দুমকি, পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সমর্থনে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুমকি উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ খলিলুর রহমান ও মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মোঃ মজিবুর রহমান।
জনসভার সঞ্চালনায় ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ মতিউর রহমান দিপু ও মোঃ সাইফুল আলম মৃধা।
বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে। এজন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
জনসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-০১ আসনে দলীয় মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমানের বুদ্ধি-জ্ঞান ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আমাদের সবার থেকে অনেক বেশি। তিনি যখন বলেন এবারের নির্বাচন সহজ হবে না, তখন তা আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। তিনি অবশ্যই আমাদের চেয়ে অনেক আগেই সবকিছু অনুধাবন করতে পারেন বলেই সবাইকে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র এখনও চলমান রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র থেকে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ রাজনীতিবিদ নন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা রাজনীতির বাস্তবতা বোঝেন না। তারা দ্রুত নির্বাচন দিতে চায়, জনগণও নির্বাচন চায়। কিন্তু এই নির্বাচন সহজ নয়। তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৪টায় দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিভার্সিটি স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে পটুয়াখালী-০১ (দুমকি, পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সমর্থনে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুমকি উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ খলিলুর রহমান ও মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মোঃ মজিবুর রহমান।
জনসভার সঞ্চালনায় ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ মতিউর রহমান দিপু ও মোঃ সাইফুল আলম মৃধা।
বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে। এজন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
জনসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

২১ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের ব্যবসায়ী রাধেশ্যাম কর্মকার তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা মামলা, ভুয়া লিগ্যাল নোটিশ ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার সকাল ১১ টায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে তিনি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সঞ্জিব কর্মকার তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন আদালতে মিথ্যা মামলা ও লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে হয়রানি করে আসছেন।
তিনি দাবি করেন, ২০১৭ সালে সঞ্জিব কর্মকার তার বিরুদ্ধে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এর জবাবে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জানান, জমি বিক্রির কোনো বায়নাপত্র, দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর কিংবা ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ নেই। পরে ২০১৯ সালে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাধেশ্যাম কর্মকার আরও বলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যশোরের এক আইনজীবীর নাম ব্যবহার করে ডাকযোগে দুটি খাকি খাম পাঠানো হয়। খাম খুলে তিনি ভেতরে লিগ্যাল নোটিশের পরিবর্তে সাদা কাগজ পান। পরে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। এ ঘটনার কল রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৬ সালে তার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা করা হয়। মামলায় যে ব্যাংক হিসাব ও চেক নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ব্যাংকের কোনো শাখায় তার নামে কোনো হিসাব নেই। একইভাবে সুনামগঞ্জ থেকে পাঠানো পৃথক দুটি লিগ্যাল নোটিশেও ভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হলেও একই ব্যাংক হিসাব ও চেক নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যা তার ভাষ্য অনুযায়ী অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
রাধেশ্যাম কর্মকার বলেন, সর্বশেষ গত ১৬ জুলাই ডাকযোগে আরও দুটি খাকি খাম পান। পূর্বের অভিজ্ঞতার কারণে স্থানীয় সাংবাদিক, ডাক বিভাগের কর্মচারী ও অন্যান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে খাম দুটি খোলা হলে ভেতরে কোনো লিখিত নোটিশ পাওয়া যায়নি। পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সঞ্জিব কর্মকার ও তার ছোট ভাই সঞ্জয় কর্মকারসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ভুয়া চেক, লিগ্যাল নোটিশ ও মামলা দিয়ে তাকে এবং তার পরিবারকে হয়রানি করছে। তিনি এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রধান বিচারপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয় সাংবাদিক ইমাম হোসেন নাহিদ, ব্যবসায়ী আবু সাইদ, আল আমিনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব কাজ করে মানুষকে হয়রানি করছে। রাধেশ্যাম কর্মকারকেও দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এ চক্রের সাথে স্থানীয় স্বর্ন ব্যবসায়ীরাও রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সঞ্জিব কর্মকারের ফোন দিলেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বারবার লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো যশোরের আইনজীবী আব্দুল হালিম জোয়ার্দারকে ফোন দিলে তিনি সাংবাদিককে বলেন, 'আপনি সাংবাদিক হন না কেন আপনি আমাকে ফোন দিবেন না।'
বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের ব্যবসায়ী রাধেশ্যাম কর্মকার তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা মামলা, ভুয়া লিগ্যাল নোটিশ ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার সকাল ১১ টায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে তিনি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সঞ্জিব কর্মকার তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন আদালতে মিথ্যা মামলা ও লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে হয়রানি করে আসছেন।
তিনি দাবি করেন, ২০১৭ সালে সঞ্জিব কর্মকার তার বিরুদ্ধে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এর জবাবে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জানান, জমি বিক্রির কোনো বায়নাপত্র, দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর কিংবা ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ নেই। পরে ২০১৯ সালে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাধেশ্যাম কর্মকার আরও বলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যশোরের এক আইনজীবীর নাম ব্যবহার করে ডাকযোগে দুটি খাকি খাম পাঠানো হয়। খাম খুলে তিনি ভেতরে লিগ্যাল নোটিশের পরিবর্তে সাদা কাগজ পান। পরে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। এ ঘটনার কল রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৬ সালে তার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলা করা হয়। মামলায় যে ব্যাংক হিসাব ও চেক নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ব্যাংকের কোনো শাখায় তার নামে কোনো হিসাব নেই। একইভাবে সুনামগঞ্জ থেকে পাঠানো পৃথক দুটি লিগ্যাল নোটিশেও ভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হলেও একই ব্যাংক হিসাব ও চেক নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যা তার ভাষ্য অনুযায়ী অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
রাধেশ্যাম কর্মকার বলেন, সর্বশেষ গত ১৬ জুলাই ডাকযোগে আরও দুটি খাকি খাম পান। পূর্বের অভিজ্ঞতার কারণে স্থানীয় সাংবাদিক, ডাক বিভাগের কর্মচারী ও অন্যান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে খাম দুটি খোলা হলে ভেতরে কোনো লিখিত নোটিশ পাওয়া যায়নি। পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সঞ্জিব কর্মকার ও তার ছোট ভাই সঞ্জয় কর্মকারসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ভুয়া চেক, লিগ্যাল নোটিশ ও মামলা দিয়ে তাকে এবং তার পরিবারকে হয়রানি করছে। তিনি এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রধান বিচারপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয় সাংবাদিক ইমাম হোসেন নাহিদ, ব্যবসায়ী আবু সাইদ, আল আমিনসহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব কাজ করে মানুষকে হয়রানি করছে। রাধেশ্যাম কর্মকারকেও দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এ চক্রের সাথে স্থানীয় স্বর্ন ব্যবসায়ীরাও রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সঞ্জিব কর্মকারের ফোন দিলেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে বারবার লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো যশোরের আইনজীবী আব্দুল হালিম জোয়ার্দারকে ফোন দিলে তিনি সাংবাদিককে বলেন, 'আপনি সাংবাদিক হন না কেন আপনি আমাকে ফোন দিবেন না।'

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিক মো. জাহাঙ্গীরের (৫০) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন বলেশ্বর নদী থেকে ওই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন বেলা ১১টার দিকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাথরঘাটার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে বনবিভাগে কর্মরত এক কর্মীসহ কয়েকজন শ্রমিক একটি ছোট ট্রলার নিয়ে রওনা করেন। পরে ট্রলারটি পাথরঘাটা এলাকার বলেশ্বর নদীতে প্রবেশ করলে উত্তাল ঢেউয়ে উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। তবে এ সময় ট্রলারে থাকা ৯ জনের মধ্যে বনকর্মীসহ ৮ জন স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় নিরাপদে নদীর তীরে আসতে পারলেও জাহাঙ্গীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ ওই শ্রমিকের সন্ধান পেতে অভিযান শুরু করেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নদী থেকে জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও কোনো অভিযোগ পাইনি। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিক মো. জাহাঙ্গীরের (৫০) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন বলেশ্বর নদী থেকে ওই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন বেলা ১১টার দিকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাথরঘাটার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে বনবিভাগে কর্মরত এক কর্মীসহ কয়েকজন শ্রমিক একটি ছোট ট্রলার নিয়ে রওনা করেন। পরে ট্রলারটি পাথরঘাটা এলাকার বলেশ্বর নদীতে প্রবেশ করলে উত্তাল ঢেউয়ে উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। তবে এ সময় ট্রলারে থাকা ৯ জনের মধ্যে বনকর্মীসহ ৮ জন স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় নিরাপদে নদীর তীরে আসতে পারলেও জাহাঙ্গীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ ওই শ্রমিকের সন্ধান পেতে অভিযান শুরু করেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নদী থেকে জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও কোনো অভিযোগ পাইনি। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ২২:৫৪
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
২১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৪৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫৬