স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৮
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।” তিনি জানান, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশে থেকেও আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য কাজে লাগানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে সাম্প্রতিক ও অতীতের বিভিন্ন সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জাতিসংঘের হিসাব উল্লেখ করে বলেন, এক মাসে বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতের সহিংসতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তাঁর দাবি, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের ফেরত দেওয়ার জন্য চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৩০
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার মামা ওবায়দুর রহমান। তিনি একসময় গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি পুলিশও নিশ্চিত করেছে।
মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের দাবি, মরিয়ম তার কাছে মেয়ের মতো ছিলেন। তার লেখাপড়ার খরচও তিনি বহন করতেন। মরিয়মের এমন পরিণতি তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান।
মরিয়মের মৃত্যুর আগে পারিবারিক পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুর বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। তার দাবি, মরিয়মের বিয়ে জোর করে দেওয়া হয়েছিল এবং গাজী নজরুলের কিছু কর্মকাণ্ড তিনি মেনে নিতে পারেননি।
এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে গাজী নজরুল ওই তরুণীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন বলে জানান। এ ঘটনার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে মরিয়মের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশও এখনো এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিশ্চিত করেনি।'
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার মামা ওবায়দুর রহমান। তিনি একসময় গাজী নজরুল ইসলামের গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি পুলিশও নিশ্চিত করেছে।
মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের দাবি, মরিয়ম তার কাছে মেয়ের মতো ছিলেন। তার লেখাপড়ার খরচও তিনি বহন করতেন। মরিয়মের এমন পরিণতি তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলেও জানান।
মরিয়মের মৃত্যুর আগে পারিবারিক পরিস্থিতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুর বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। তার দাবি, মরিয়মের বিয়ে জোর করে দেওয়া হয়েছিল এবং গাজী নজরুলের কিছু কর্মকাণ্ড তিনি মেনে নিতে পারেননি।
এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে গাজী নজরুল ওই তরুণীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন বলে জানান। এ ঘটনার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে মরিয়মের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশও এখনো এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিশ্চিত করেনি।'

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৭
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজকের পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।
দুদক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে সম্পদ কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এসব এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; এর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ এর আগে আপত্তি জানিয়েছেন। স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় দুদকের অনুসন্ধান হলে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দুদকের কিছু বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির সচিবও বলেছেন, এ অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজকের পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে তিনি বিদেশে চলে গেলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হবে।
দুদক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার, সরকারি পদে নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, টেন্ডার-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর মধ্যে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধানে এসেছে বলে জানিয়েছে দুদক। অভিযোগ অনুযায়ী, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করে সম্পদ কেনা ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এসব এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; এর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ এর আগে আপত্তি জানিয়েছেন। স্বাভাবিক ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় দুদকের অনুসন্ধান হলে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দুদকের কিছু বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির সচিবও বলেছেন, এ অনুসন্ধান কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে না।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০২
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮