বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের কর্মস্থলে যোগদান ঠেকাতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী। সরকার তাকে নিয়োগ দেওয়ার এক দিনের মাথায় তা বাতিল জানিয়ে বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি কর্মচারীরা পর্যন্ত নতুন স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে ‘বরিশাল বিভাগের সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী ও সাধারণ জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন , ডা. এসএম মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। তারা অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী একাধিক চিকিৎসক বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই এ নিয়োগ মেনে নেব না। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। সরকারের উচিত দ্রুত এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. লোকমান হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি ও অভিযোগ লিখিত আকারে জানালে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব।
এর আগে গত রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে পদায়ন করে।

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার মিরপুরে শামীম ফিরোজ তালুকদার (৪০) নিহতের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ওরফে মঈন আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক এবং বরিশালের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১১-এর বিচারক আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
কারাগার থেকে মঈনউদ্দীনকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিম আহমেদ তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন শামীম ফিরোজ তালুকদার। সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় আলোক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, পুলিশ কর্মকর্তা, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, শামীম ফিরোজ হত্যাকাণ্ডে মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে আদালতে তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হন মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার মিরপুরে শামীম ফিরোজ তালুকদার (৪০) নিহতের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ওরফে মঈন আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক এবং বরিশালের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১১-এর বিচারক আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
কারাগার থেকে মঈনউদ্দীনকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিম আহমেদ তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাঁকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন শামীম ফিরোজ তালুকদার। সন্ধ্যা ৬টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় আলোক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, পুলিশ কর্মকর্তা, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, শামীম ফিরোজ হত্যাকাণ্ডে মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে আদালতে তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হন মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।’

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩২
বরিশালের বাবুগঞ্জে স্ত্রী ঐশী আক্তারকে (২৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী সোহেল খানকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে লোহার রড দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐশীর মৃত্যু হয়।
নিহত ঐশী আক্তার উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর সাধুকাঠী গ্রামের শাহে আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল খান কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া গ্রামের কাদের খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাঁদের তিন মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার চার দিন আগে দাম্পত্য কলহের জেরে ঐশীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন সোহেল—এমন অভিযোগ রয়েছে। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তাঁকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ কে মনিরুল ইসলাম জানান, মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ঐশীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানেও গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সোহেল খানকে আটক করেছে। নিহতের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে স্ত্রী ঐশী আক্তারকে (২৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী সোহেল খানকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে লোহার রড দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐশীর মৃত্যু হয়।
নিহত ঐশী আক্তার উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর সাধুকাঠী গ্রামের শাহে আলমের মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল খান কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া গ্রামের কাদের খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাঁদের তিন মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার চার দিন আগে দাম্পত্য কলহের জেরে ঐশীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন সোহেল—এমন অভিযোগ রয়েছে। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তাঁকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ কে মনিরুল ইসলাম জানান, মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ঐশীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানেও গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সোহেল খানকে আটক করেছে। নিহতের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।'

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২২
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী মঙ্গলবারের (১৩ অক্টোবর) মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে বরিশালসহ দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস নেই। সোমবার (১২ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে নতুন করে লঘুচাপ সৃষ্টি হলে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী মঙ্গলবারের (১৩ অক্টোবর) মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে বরিশালসহ দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস নেই। সোমবার (১২ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে নতুন করে লঘুচাপ সৃষ্টি হলে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪
বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের কর্মস্থলে যোগদান ঠেকাতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী। সরকার তাকে নিয়োগ দেওয়ার এক দিনের মাথায় তা বাতিল জানিয়ে বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি কর্মচারীরা পর্যন্ত নতুন স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে ‘বরিশাল বিভাগের সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী ও সাধারণ জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন , ডা. এসএম মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। তারা অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী একাধিক চিকিৎসক বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই এ নিয়োগ মেনে নেব না। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। সরকারের উচিত দ্রুত এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. লোকমান হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি ও অভিযোগ লিখিত আকারে জানালে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব।
এর আগে গত রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে পদায়ন করে।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৬