
২০ মে, ২০২৬ ২০:১৯
পটুয়াখালীর বাউফলে উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. অলিউল্লাহ (৪৪) নামের যুবক এবার সাইবার মামলায় কারাগারে গেলেন। বুধবার (২০ মে) বাউফল থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অলিউল্লাহর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,একটি সাইবার মামলায় গত মঙ্গলবার অলিউল্লাহ পটুয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের বিচারক ছিলেন নওরীন করিম।
এর আগে গত ২৬ মার্চ কৃষকের তরমুজভর্তি ট্রলার লুট ও চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ অলিউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। অলিউল্লাহ বাউফল উপজেলার বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপ-খাদ্য পরিদর্শক। চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তারের পর কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
বাউফল থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আবু সাঈদ ইছা ওরফে শরীফ তালুকদার নামের এক ব্যক্তির পরিবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য, গালাগাল ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে গত ১৪ মে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে উপ-খাদ্য পরিদর্শক অলিউল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক শারমিন জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে বাউফল থানাকে মামলা রুজু করে তদন্তে জন্য বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ১৪ মে ওই নির্দেশ মোতাবেক সাইবার সুরক্ষা আইনের ১৭, ২৫ ও ৩০ ধারায় মামলা রুজু করেন। মামলা নং-৩৫।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, গতকাল মঙ্গলবার অলিউল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,'আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু করে অধিকতর গুরুত্ব সহকারে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মামলাটি যেহেতু তদন্তাধীন,তাই এ বিষয়ে এই মুহুর্তে এর বেশি বক্তব্য দেওয়া সম্ভব না।'
পটুয়াখালীর বাউফলে উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. অলিউল্লাহ (৪৪) নামের যুবক এবার সাইবার মামলায় কারাগারে গেলেন। বুধবার (২০ মে) বাউফল থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অলিউল্লাহর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,একটি সাইবার মামলায় গত মঙ্গলবার অলিউল্লাহ পটুয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের বিচারক ছিলেন নওরীন করিম।
এর আগে গত ২৬ মার্চ কৃষকের তরমুজভর্তি ট্রলার লুট ও চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ অলিউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। অলিউল্লাহ বাউফল উপজেলার বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপ-খাদ্য পরিদর্শক। চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তারের পর কর্তৃপক্ষ তাঁকে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
বাউফল থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আবু সাঈদ ইছা ওরফে শরীফ তালুকদার নামের এক ব্যক্তির পরিবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য, গালাগাল ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে গত ১৪ মে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে উপ-খাদ্য পরিদর্শক অলিউল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক শারমিন জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে বাউফল থানাকে মামলা রুজু করে তদন্তে জন্য বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ১৪ মে ওই নির্দেশ মোতাবেক সাইবার সুরক্ষা আইনের ১৭, ২৫ ও ৩০ ধারায় মামলা রুজু করেন। মামলা নং-৩৫।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, গতকাল মঙ্গলবার অলিউল্লাহ আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,'আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু করে অধিকতর গুরুত্ব সহকারে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মামলাটি যেহেতু তদন্তাধীন,তাই এ বিষয়ে এই মুহুর্তে এর বেশি বক্তব্য দেওয়া সম্ভব না।'

২০ মে, ২০২৬ ১৩:২২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে ১৬৩টি কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে কুয়াকাটার লেম্বুরবন এলাকার সৈকতসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত দোকানের নিচে থাকা গর্ত থেকে বাগুলোচ্চা উদ্ধার করা হয়।
পরে বনবিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বয়ে বাচ্চাগুলোকে নিরাপদে আন্ধারমানিক নদী সংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় অবমুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকালে নিজের ফিশফ্রাই দোকান খুলতে যান লেম্বুরবন এলাকার ব্যবসায়ী মো. বায়েজিদ। এসময় দোকানের নিচে বালুর মধ্যে ছোট ছোট কচ্ছপের বাচ্চা নড়াচড়া করতে দেখে তার সন্দেহ হয়। পরে আরও খোঁজ নিয়ে তিনি দেখতে পান গর্তের ভেতরে অসংখ্য কচ্ছপের বাচ্চা রয়েছে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, পরে অবমুক্ত
৫০০ বছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী শেখবাড়ি জামে মসজিদ
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘উপরা’কে জানানো হলে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাচ্চাগুলো উদ্ধার করেন।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, পরে অবমুক্ত
নারায়ণগঞ্জে ৭০০ কোটি টাকার কোরবানির পশু বিক্রির টার্গেট
উদ্ধারের পর উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র সদস্যরা বনবিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে বাচ্চাগুলোকে নিরাপদ পরিবেশে সাগরমুখী পানিতে অবমুক্ত করা হয়। এসময় স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও সচেতন নাগরিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু বলেন, এগুলো মূলত অলিভ রিডলি প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের বাচ্চা। আমরা উদ্ধার করতে গিয়ে ডিমের খোসা ও ছোগলাও পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মা কচ্ছপ এখানে ডিম পেড়ে গিয়েছিল। প্রাকৃতিকভাবে ডিম ফুটে বাচ্চাগুলো বের হয়ে আসে। তবে জায়গাটি পরিত্যক্ত দোকানের নিচে হওয়ায় তারা সাগরে যেতে পারছিল না।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটা উপকূল সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অলিভ রিডলি কচ্ছপ সাধারণত নিরিবিলি সৈকতে ডিম পাড়ে। এ ধরনের প্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের আরও সচেতন হতে হবে। কচ্ছপের ডিম বা বাচ্চা দেখলে কেউ যেন ক্ষতি না করে দ্রুত বনবিভাগকে জানায়।
মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপের বাচ্চাগুলো নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়েছে। সামুদ্রিক কচ্ছপ পরিবেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। উপকূলীয় এলাকায় এদের বিচরণ ও প্রজনন টিকিয়ে রাখতে বনবিভাগ নিয়মিত নজরদারি করছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওছার হামিদ বলেন, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি ঘটনা। পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সচেতন মানুষের ভূমিকা প্রশংসনীয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে ১৬৩টি কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে কুয়াকাটার লেম্বুরবন এলাকার সৈকতসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত দোকানের নিচে থাকা গর্ত থেকে বাগুলোচ্চা উদ্ধার করা হয়।
পরে বনবিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বয়ে বাচ্চাগুলোকে নিরাপদে আন্ধারমানিক নদী সংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় অবমুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকালে নিজের ফিশফ্রাই দোকান খুলতে যান লেম্বুরবন এলাকার ব্যবসায়ী মো. বায়েজিদ। এসময় দোকানের নিচে বালুর মধ্যে ছোট ছোট কচ্ছপের বাচ্চা নড়াচড়া করতে দেখে তার সন্দেহ হয়। পরে আরও খোঁজ নিয়ে তিনি দেখতে পান গর্তের ভেতরে অসংখ্য কচ্ছপের বাচ্চা রয়েছে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, পরে অবমুক্ত
৫০০ বছরের ঐতিহ্যের সাক্ষী শেখবাড়ি জামে মসজিদ
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘উপরা’কে জানানো হলে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাচ্চাগুলো উদ্ধার করেন।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, পরে অবমুক্ত
নারায়ণগঞ্জে ৭০০ কোটি টাকার কোরবানির পশু বিক্রির টার্গেট
উদ্ধারের পর উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র সদস্যরা বনবিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে বাচ্চাগুলোকে নিরাপদ পরিবেশে সাগরমুখী পানিতে অবমুক্ত করা হয়। এসময় স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও সচেতন নাগরিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু বলেন, এগুলো মূলত অলিভ রিডলি প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের বাচ্চা। আমরা উদ্ধার করতে গিয়ে ডিমের খোসা ও ছোগলাও পেয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মা কচ্ছপ এখানে ডিম পেড়ে গিয়েছিল। প্রাকৃতিকভাবে ডিম ফুটে বাচ্চাগুলো বের হয়ে আসে। তবে জায়গাটি পরিত্যক্ত দোকানের নিচে হওয়ায় তারা সাগরে যেতে পারছিল না।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটা উপকূল সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অলিভ রিডলি কচ্ছপ সাধারণত নিরিবিলি সৈকতে ডিম পাড়ে। এ ধরনের প্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের আরও সচেতন হতে হবে। কচ্ছপের ডিম বা বাচ্চা দেখলে কেউ যেন ক্ষতি না করে দ্রুত বনবিভাগকে জানায়।
মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপের বাচ্চাগুলো নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়েছে। সামুদ্রিক কচ্ছপ পরিবেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। উপকূলীয় এলাকায় এদের বিচরণ ও প্রজনন টিকিয়ে রাখতে বনবিভাগ নিয়মিত নজরদারি করছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওছার হামিদ বলেন, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি ঘটনা। পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সচেতন মানুষের ভূমিকা প্রশংসনীয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ’ মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর পরপরই বেলা ১১টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আফজাল হোসাইনের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা মো. মোহেবুল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগেও এই যুগান্তকারী প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সফলভাবে এই প্রকল্পের ৮ম পর্যায় চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে সপ্তম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৩৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা একটি বিরল সাফল্য।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে এই প্রকল্পে দেশজুড়ে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতা ও চাকরি স্থায়ীকরণের এক অনিশ্চিত অবস্থায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাদানের পাশাপাশি তারা সরকারি তহবিলে যাকাত সংগ্রহ, মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং সরকারের বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। অথচ আজ তাদের জীবন সামাজিক নিরাপত্তা হীনতায় ও অবমূল্যায়িত অবস্থায় কাটছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের নিকট প্রধান ৩টি দাবি তুলে ধরা হয়— এই মহৎ ও যুগান্তকারী প্রকল্পটিকে দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হোক; সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা হোক এবং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীগণ তাদের এই ন্যায়সংগত ও যৌক্তিক দাবি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানান।
স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলনে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ,মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ’ মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর পরপরই বেলা ১১টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আফজাল হোসাইনের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা মো. মোহেবুল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগেও এই যুগান্তকারী প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সফলভাবে এই প্রকল্পের ৮ম পর্যায় চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে সপ্তম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৩৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা একটি বিরল সাফল্য।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে এই প্রকল্পে দেশজুড়ে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতা ও চাকরি স্থায়ীকরণের এক অনিশ্চিত অবস্থায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাদানের পাশাপাশি তারা সরকারি তহবিলে যাকাত সংগ্রহ, মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং সরকারের বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। অথচ আজ তাদের জীবন সামাজিক নিরাপত্তা হীনতায় ও অবমূল্যায়িত অবস্থায় কাটছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের নিকট প্রধান ৩টি দাবি তুলে ধরা হয়— এই মহৎ ও যুগান্তকারী প্রকল্পটিকে দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হোক; সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা হোক এবং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীগণ তাদের এই ন্যায়সংগত ও যৌক্তিক দাবি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানান।
স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলনে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ,মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৭ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.