
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৯
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মে, ২০২৬ ১৭:২১
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৭
১২ মে, ২০২৬ ১৭:০৩
১২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪