আবারও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ রাখল ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। অসম্ভব মেধাবীদের এই গ্রুপটি এবার বরিশালের অন্তত তিনটি পরিবারকে দৈনিক আয়ের একটি পথ বাতলে দিয়েছে। প্রতিটি পরিবারের পুরুষের হাতে একটি রিকশা তুলে দেওয়া হয়। তবে পরিবারে নারীর গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে রিকশাগুলোর কাগজপত্র তাদের নামে বরাদ্দ দিয়েছে, যা বিশেষ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রোববার বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহম্মদ দেলোয়ার হোসেন তার কার্যালয়ের সম্মুখে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ মেম্বরদের উপস্থিতি রিকশা তিনটি বিতরণ করেন। অর্থ উপার্জনের বাহন পেয়ে অসহায় পরিবারগুলোর সদস্যরা আত্মহারা হয়ে পড়েন এবং সহযোগিতাকারী গ্রুপের প্রশংসা করেন।
গ্রুপের একাধিক সদস্য বরিশালটাইমসকে জানান, মানবসেবার লক্ষে ২০২১ সালে ৫২ সদস্য নিয়ে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ পথচলা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রত্যেকে প্রতিমাসে ব্যক্তিগতভাবে নির্ধারিত অর্থ দিয়ে থাকেন। এবং টাকা একত্রিত করে সমাজের অসহায়-দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। অতীতে এই অর্থে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করা হলেও এবার পরিবারের নারী সদস্যদের নামে রিকশা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের পক্ষে স্বামী রিকশাটি গ্রহণ করলেও তার মালিকানা নারীর নামেই থাকছে।
স্ত্রীর নামে রিকশা বরাদ্দ দিয়ে তা শুধু স্বামীকে পরিচালনার অনুমতি দেওয়া এক ধরনের কৌশল বলে মনে করছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। তাদের ভাষায়, অসহায়-দরিদ্র পরিবারগুলোতে নারীদের কদর খুম কম হয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে তারা অবহেলার শিকার হন।
এই অবহেলিত নারীদের তার পরিবারে গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়, যার অংশ হিসেবে স্বামীদের হাতে রিকশা তুলে দেওয়া হলেও কাগজপত্রে মালিকানা দেওয়া হয় স্ত্রীকে।
আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’র আহ্বায়ক সাজ্জাদ পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, অতীতে তাদের গ্রুপের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষকে সহযোগিতা করলেও এবার তাদের উদ্যোগ ব্যতিক্রম ছিল। বরিশাল শহরের তিনটি অসহায় পরিবারকে খুঁজে বের করে তাদের একটি আয়ের পথ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের পুরুষ রিকশা চালিয়ে দৈনিক উপার্জনের সুযোগ রয়েছে। রিকশাগুলো তাদের নামে বরাদ্দ না দিয়ে স্ত্রীদের দেওয়া হয়, এতে নারীর প্রতি অবহেলাও হ্রাস পাবে।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’র এই উদ্যোগ বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেনকেও মুগ্ধ করেছে। উপকারভোগীদের মাঝে রিকশা বিতরণকালে তিনি গ্রুপটি উত্তরোত্তর সাফল্যসহ কলবর বৃদ্ধি কামনা করেন।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’

২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৬
কারও বাবা নেই, কারও মা নেই! তবে সকলেই মেধাবী, আগামীর স্বপ্নে বিভোর- এই ধরনের ২০ শিশুর অগ্রযাত্রায় সারথী হতে এগিয়ে এসেছে বরিশালের আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষা বৃত্তির আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি দারিদ্র্য শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে। অবশ্য এই সংগঠনটি এরআগেও এই ধরনের সমাজকল্যাণ এবং মানবিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করে।
সংগঠনটি জানায়, বৃহস্পতিবার আয়োজন করে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ চার শিশুর ৬ মাসের শিক্ষা অভিভাবকত্ব গ্রহণ করাসহ প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের এই ধরনের মানবিক কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও ১৬ শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন বিভাগীয় পরিচালক শাহ্ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’সংশ্লিষ্টরা জানান, বহুমুখী প্রতিকূল পরিবেশ এবং দারিদ্র্যতার মধ্যেও ২০ শিশু পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে, যার প্রেক্ষিতে সংগঠনটি এই আয়োজন করেছে। এবং আগামীতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
একটি শিশুর স্বপ্ন যেনো দারিদ্র্যের কাছে যেনো হার না মানে। এবং তাদের চোখের স্বপ্নগুলো বেঁচে থাকুক ও আলোর পথে এগিয়ে যাক- এমন স্লোগানে আগামীর পথে হাঁটছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’।
কারও বাবা নেই, কারও মা নেই! তবে সকলেই মেধাবী, আগামীর স্বপ্নে বিভোর- এই ধরনের ২০ শিশুর অগ্রযাত্রায় সারথী হতে এগিয়ে এসেছে বরিশালের আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষা বৃত্তির আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি দারিদ্র্য শিশুদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে। অবশ্য এই সংগঠনটি এরআগেও এই ধরনের সমাজকল্যাণ এবং মানবিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করে।
সংগঠনটি জানায়, বৃহস্পতিবার আয়োজন করে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ চার শিশুর ৬ মাসের শিক্ষা অভিভাবকত্ব গ্রহণ করাসহ প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের এই ধরনের মানবিক কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও ১৬ শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করেন বিভাগীয় পরিচালক শাহ্ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’সংশ্লিষ্টরা জানান, বহুমুখী প্রতিকূল পরিবেশ এবং দারিদ্র্যতার মধ্যেও ২০ শিশু পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে, যার প্রেক্ষিতে সংগঠনটি এই আয়োজন করেছে। এবং আগামীতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
একটি শিশুর স্বপ্ন যেনো দারিদ্র্যের কাছে যেনো হার না মানে। এবং তাদের চোখের স্বপ্নগুলো বেঁচে থাকুক ও আলোর পথে এগিয়ে যাক- এমন স্লোগানে আগামীর পথে হাঁটছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’।

১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫১
আবারও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ রাখল ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। অসম্ভব মেধাবীদের এই গ্রুপটি এবার বরিশালের অন্তত তিনটি পরিবারকে দৈনিক আয়ের একটি পথ বাতলে দিয়েছে। প্রতিটি পরিবারের পুরুষের হাতে একটি রিকশা তুলে দেওয়া হয়। তবে পরিবারে নারীর গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে রিকশাগুলোর কাগজপত্র তাদের নামে বরাদ্দ দিয়েছে, যা বিশেষ কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রোববার বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহম্মদ দেলোয়ার হোসেন তার কার্যালয়ের সম্মুখে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ মেম্বরদের উপস্থিতি রিকশা তিনটি বিতরণ করেন। অর্থ উপার্জনের বাহন পেয়ে অসহায় পরিবারগুলোর সদস্যরা আত্মহারা হয়ে পড়েন এবং সহযোগিতাকারী গ্রুপের প্রশংসা করেন।
গ্রুপের একাধিক সদস্য বরিশালটাইমসকে জানান, মানবসেবার লক্ষে ২০২১ সালে ৫২ সদস্য নিয়ে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ পথচলা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রত্যেকে প্রতিমাসে ব্যক্তিগতভাবে নির্ধারিত অর্থ দিয়ে থাকেন। এবং টাকা একত্রিত করে সমাজের অসহায়-দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। অতীতে এই অর্থে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করা হলেও এবার পরিবারের নারী সদস্যদের নামে রিকশা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের পক্ষে স্বামী রিকশাটি গ্রহণ করলেও তার মালিকানা নারীর নামেই থাকছে।
স্ত্রীর নামে রিকশা বরাদ্দ দিয়ে তা শুধু স্বামীকে পরিচালনার অনুমতি দেওয়া এক ধরনের কৌশল বলে মনে করছে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’। তাদের ভাষায়, অসহায়-দরিদ্র পরিবারগুলোতে নারীদের কদর খুম কম হয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে তারা অবহেলার শিকার হন।
এই অবহেলিত নারীদের তার পরিবারে গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’ এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়, যার অংশ হিসেবে স্বামীদের হাতে রিকশা তুলে দেওয়া হলেও কাগজপত্রে মালিকানা দেওয়া হয় স্ত্রীকে।
আলোচিত ‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’র আহ্বায়ক সাজ্জাদ পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, অতীতে তাদের গ্রুপের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষকে সহযোগিতা করলেও এবার তাদের উদ্যোগ ব্যতিক্রম ছিল। বরিশাল শহরের তিনটি অসহায় পরিবারকে খুঁজে বের করে তাদের একটি আয়ের পথ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের পুরুষ রিকশা চালিয়ে দৈনিক উপার্জনের সুযোগ রয়েছে। রিকশাগুলো তাদের নামে বরাদ্দ না দিয়ে স্ত্রীদের দেওয়া হয়, এতে নারীর প্রতি অবহেলাও হ্রাস পাবে।
‘৮৪ ইভেন্ট গ্রুপ’র এই উদ্যোগ বরিশালের জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেনকেও মুগ্ধ করেছে। উপকারভোগীদের মাঝে রিকশা বিতরণকালে তিনি গ্রুপটি উত্তরোত্তর সাফল্যসহ কলবর বৃদ্ধি কামনা করেন।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬