
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার তজুমদ্দিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারী না থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগী কাক্সিক্ষত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নষ্ট হচ্ছে এক্স-রেসহ গুরুপূর্ণ যন্ত্রপাতি
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসকের ২৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছে মাত্র ৪জন শূণ্যতার হার ৮২.৬১%, নার্স ৩২ জনের বিপরীতে ২৬জন কর্মরত, মেডিকেল ট্যাকনোলজিষ্ট ৬জনে কর্মরত রয়েছে ২জন শূণ্যতার হার ৬৬.৬৭%, ফিল্ডষ্টার্ফ ৪০ জনে ২৭জন কর্মরত, তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির পদ ৩৩টির বিপরীতে ১৪জন কর্মরত ও হোমিও প্যাথির একটি পদে ডা. রাজিব ঘোষ যোগদান করার পর থেকেই প্রেষণে রয়েছে পাশ্ববর্তী উপজেলা বোরহানউদ্দিনে। ফলে বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। জনবল সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে একজনকে সব ধরনের রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে হচ্ছে, যা সেবার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। হাসপাতালটিতে জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ থাকলেও কর্মরত না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভোলা সদরসহ বিভাগের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করতে হয়। এছাড়াও অপারেশন থিয়েটার থাকলেও কোন জনবল না থাকায় তা দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। যে কারণে ওটির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। আবার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে, এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যা তাদেরমত গরীব মানুষের পক্ষে করানো খুবই কষ্ট কর।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. দিব্যেন্দু রায় রাজিব বলেন, হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকটের কারণে একজন চিকিৎসককে ইনডোর ও অউটডোরে সব ধরনের রোগী দেখতে হয়। খুবই কষ্ট করে রোগীদের সেবা দিতে হয়। আমরা সেবার কোন ত্রুটি করছি না, সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। জুনিয়র কনসালটেন্ট না থাকায় জটিল রোগের চিকিৎসা আমরা এখানে দিতে পারিনা। জনবল সংকটের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রয়েছে আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত শূন্য পদে চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
২০১৯ সালে হাসপাতালটি ৩১ শর্য্যা থেকে ৫০ শর্য্যায় উন্নতি করা হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক জলবল নিয়োগ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
ভোলার তজুমদ্দিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিনের চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারী না থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগী কাক্সিক্ষত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নষ্ট হচ্ছে এক্স-রেসহ গুরুপূর্ণ যন্ত্রপাতি
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসকের ২৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছে মাত্র ৪জন শূণ্যতার হার ৮২.৬১%, নার্স ৩২ জনের বিপরীতে ২৬জন কর্মরত, মেডিকেল ট্যাকনোলজিষ্ট ৬জনে কর্মরত রয়েছে ২জন শূণ্যতার হার ৬৬.৬৭%, ফিল্ডষ্টার্ফ ৪০ জনে ২৭জন কর্মরত, তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির পদ ৩৩টির বিপরীতে ১৪জন কর্মরত ও হোমিও প্যাথির একটি পদে ডা. রাজিব ঘোষ যোগদান করার পর থেকেই প্রেষণে রয়েছে পাশ্ববর্তী উপজেলা বোরহানউদ্দিনে। ফলে বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। জনবল সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে একজনকে সব ধরনের রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে হচ্ছে, যা সেবার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। হাসপাতালটিতে জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ থাকলেও কর্মরত না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভোলা সদরসহ বিভাগের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করতে হয়। এছাড়াও অপারেশন থিয়েটার থাকলেও কোন জনবল না থাকায় তা দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। যে কারণে ওটির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। আবার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে, এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যা তাদেরমত গরীব মানুষের পক্ষে করানো খুবই কষ্ট কর।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. দিব্যেন্দু রায় রাজিব বলেন, হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকটের কারণে একজন চিকিৎসককে ইনডোর ও অউটডোরে সব ধরনের রোগী দেখতে হয়। খুবই কষ্ট করে রোগীদের সেবা দিতে হয়। আমরা সেবার কোন ত্রুটি করছি না, সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি। জুনিয়র কনসালটেন্ট না থাকায় জটিল রোগের চিকিৎসা আমরা এখানে দিতে পারিনা। জনবল সংকটের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রয়েছে আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত শূন্য পদে চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
২০১৯ সালে হাসপাতালটি ৩১ শর্য্যা থেকে ৫০ শর্য্যায় উন্নতি করা হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক জলবল নিয়োগ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:১২
ভোলার লালমোহন পৌরসভায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দলবদ্ধ হামলায় ইব্রাহিম খলিল নয়ন (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১ টায় লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সেলিম চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামান্য একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম খলিল নয়ন ও তার সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় নয়ন।
এ সময় নয়নকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুইজন গুরুতর জখম হন। আহতরা হলেন—পৌরসভার বাসিন্দা মো. আলী জিন্নাহর ছেলে আরমান এবং আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফ। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে বলে জানা গেছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন পৌরসভায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দলবদ্ধ হামলায় ইব্রাহিম খলিল নয়ন (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১ টায় লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সেলিম চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামান্য একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম খলিল নয়ন ও তার সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় নয়ন।
এ সময় নয়নকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুইজন গুরুতর জখম হন। আহতরা হলেন—পৌরসভার বাসিন্দা মো. আলী জিন্নাহর ছেলে আরমান এবং আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফ। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে বলে জানা গেছে।
বরিশাল টাইমস