
২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:২৮
ঢালিউডের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য নিয়ে আবারও আলোচনার ঝড় উঠেছে। ২৯ বছর আগের সেই ঘটনার তদন্ত নতুন করে শুরু হয়েছে, আর তাতে আসামি হিসেবে নাম এসেছে চলচ্চিত্রের অভিনেতা মোহাম্মদ আশরাফুল হক তথা ডনের।
মামলার পর থেকে ডনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, গণমাধ্যমে এমন খবরে এসেছে। তবে ডন জানিয়েছেন, তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন না; বরং শিগগিরই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।
ডন বলেন, সবাই বলছে আমি নাকি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। ৩০ বছর পালাইনি, এখন পালাব কেন? আমি বাসাতেই আছি। দুয়েক দিনের মধ্যেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করব। কারণ ৩০ বছর ধরে যে যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছি, এর একটা সুরাহা হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ভালোবেসেই ঘর ছেড়েছিলাম। অভিনয়ে সুযোগের আশায় হার্টথ্রব সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়েছিলাম। মা-বউয়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত মানুষটির সুখ-দুঃখের সাথী হয়েছি। তাকে আনন্দে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সালমানকে ভালোবেসে আমার ক্যারিয়ারের বারোটা বেজেছে। আজও ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। সালমানকে ভালোবেসেছি বলেই জীবনের প্রচণ্ড ঝড় মেনে নিয়েছি।
ডন আরও বলেন, সালমানকে ভালোবাসার যন্ত্রণা আর সইতে পারছি না। আমিও মানুষ, আমারও বাঁচতে ইচ্ছে করে। সালমানকে ভালোবেসে অনেকে আত্মহত্যা করেছে, আমি করিনি, এটাই কি আমার অপরাধ? আমি যদি আত্মহত্যা করতাম, তাহলে কি সবাই খুশি হতো? ওপরে একজন আছেন, তিনি সব দেখেন। একদিন সত্য প্রকাশ হবেই; তবে আমি সেদিন দেখে যেতে পারব কি না জানি না।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা হলেও, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন, যেখানে সালমানের স্ত্রী সামিরাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।
ডন বলেন, সালমান শাহর মৃত্যুর আগের সাক্ষাৎ যেন আজও চোখে ভাসে। ৩০ আগস্ট আমি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরেছিলাম। সালমান আমাকে বলেছিল, পরিচালক শিবলী সাদিক ভাইকে জানাতে যে সে ৩ সেপ্টেম্বর ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবে। আমি খবরটা পৌঁছে দিয়েছিলাম। ভাবলাম দুই দিনের জন্য বগুড়ায় ঘুরে আসি, কিন্তু বাস ধর্মঘটের কারণে ফিরতে পারিনি। ৬ সেপ্টেম্বর ঝড়ের মতো খবর, সালমান শাহ আর নেই।
নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো উত্থান ঘটেছিল সালমান শাহর। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। আর তার অকাল মৃত্যু আজও রয়ে গেছে রহস্যে মোড়া এক অধ্যায় হিসেবে।
ঢালিউডের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য নিয়ে আবারও আলোচনার ঝড় উঠেছে। ২৯ বছর আগের সেই ঘটনার তদন্ত নতুন করে শুরু হয়েছে, আর তাতে আসামি হিসেবে নাম এসেছে চলচ্চিত্রের অভিনেতা মোহাম্মদ আশরাফুল হক তথা ডনের।
মামলার পর থেকে ডনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, গণমাধ্যমে এমন খবরে এসেছে। তবে ডন জানিয়েছেন, তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন না; বরং শিগগিরই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।
ডন বলেন, সবাই বলছে আমি নাকি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। ৩০ বছর পালাইনি, এখন পালাব কেন? আমি বাসাতেই আছি। দুয়েক দিনের মধ্যেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করব। কারণ ৩০ বছর ধরে যে যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছি, এর একটা সুরাহা হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ভালোবেসেই ঘর ছেড়েছিলাম। অভিনয়ে সুযোগের আশায় হার্টথ্রব সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়েছিলাম। মা-বউয়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত মানুষটির সুখ-দুঃখের সাথী হয়েছি। তাকে আনন্দে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সালমানকে ভালোবেসে আমার ক্যারিয়ারের বারোটা বেজেছে। আজও ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। সালমানকে ভালোবেসেছি বলেই জীবনের প্রচণ্ড ঝড় মেনে নিয়েছি।
ডন আরও বলেন, সালমানকে ভালোবাসার যন্ত্রণা আর সইতে পারছি না। আমিও মানুষ, আমারও বাঁচতে ইচ্ছে করে। সালমানকে ভালোবেসে অনেকে আত্মহত্যা করেছে, আমি করিনি, এটাই কি আমার অপরাধ? আমি যদি আত্মহত্যা করতাম, তাহলে কি সবাই খুশি হতো? ওপরে একজন আছেন, তিনি সব দেখেন। একদিন সত্য প্রকাশ হবেই; তবে আমি সেদিন দেখে যেতে পারব কি না জানি না।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। তার মৃত্যুর পর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা হলেও, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন, যেখানে সালমানের স্ত্রী সামিরাসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।
ডন বলেন, সালমান শাহর মৃত্যুর আগের সাক্ষাৎ যেন আজও চোখে ভাসে। ৩০ আগস্ট আমি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরেছিলাম। সালমান আমাকে বলেছিল, পরিচালক শিবলী সাদিক ভাইকে জানাতে যে সে ৩ সেপ্টেম্বর ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবে। আমি খবরটা পৌঁছে দিয়েছিলাম। ভাবলাম দুই দিনের জন্য বগুড়ায় ঘুরে আসি, কিন্তু বাস ধর্মঘটের কারণে ফিরতে পারিনি। ৬ সেপ্টেম্বর ঝড়ের মতো খবর, সালমান শাহ আর নেই।
নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো উত্থান ঘটেছিল সালমান শাহর। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে তিনি কোটি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। আর তার অকাল মৃত্যু আজও রয়ে গেছে রহস্যে মোড়া এক অধ্যায় হিসেবে।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৩
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার ইয়ো ইয়ো হানি সিং নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভারতে লাইভ কনসার্টে দর্শকদের উদ্দেশে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সোশ্যাল কমিউনিকেশন মিডিয়ায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই গায়ক।
সম্প্রতি দিল্লিতে নানকু ও করুণের কনসার্টে পারফর্ম করছিলেন হানি সিং। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে রেডিটে ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, শীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে রুচিহীন ও অশ্রাব্য মন্তব্য করছেন, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ কটাক্ষ করে হানি সিংয়ের নামের সঙ্গে শব্দ জুড়ে ব্যঙ্গাত্মক উপাধিও দিয়েছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যের জন্য কীভাবে একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে বড় মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নিন্দার ঝড়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্যটিকে ‘সস্তা’, ‘সমস্যাজনক’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে ব্যক্ত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.