
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
হামলাকারীরা তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। একই ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক সাকিবও আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকায় ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা চিহ্নিত ক্যাডার ‘পিচ্চি আজাদ’-এর অনুসারী। তাদের ওপর বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পুনর্বাসনের প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ ঘটনার বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা গেলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
হামলাকারীরা তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। একই ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক সাকিবও আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকায় ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা চিহ্নিত ক্যাডার ‘পিচ্চি আজাদ’-এর অনুসারী। তাদের ওপর বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পুনর্বাসনের প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ ঘটনার বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা গেলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৯
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.