
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৯
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ভোলার বোরহানউদ্দিনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহতের পর বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনাটি জানাজনির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ হামলার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন—হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মুন্সি (৪৬), তার মা মাজেদা বেগম (৭৫), স্ত্রী সাথী বেগম (৩৫), ভাই আমানুল্লাহ মুন্সি (৫৫), ভাতিজা মাসুম প্রিন্স (২৬), মো. আবির (২৩) ও আশিক হাওলাদার।
আহতদের মধ্যে বিল্লাল, সাথী ও প্রিন্সকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন স্বজনরা। এ ছাড়া, প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবির আশিক নামে দুজন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী বিল্লাল ও তার বড় ভাই দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সির বাড়িতে শনিবার দিবাগত রাতে একদল অস্ত্রধারী হামলা করে। তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আমানুল্লাহর বসতঘরের বাইরের ছিটকিনি লাগিয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ী বিল্লালের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বিল্লাল ও তার ঘরে থাকা লোকজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে অস্ত্রধারীরা। এরপর তাদের ডাক-চিৎকারে আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন পেছনের দরজা থেকে বেরিয়ে তাদেরকে প্রতিহতের চেষ্টা করলে তাদের ওপরও হামলা চালায়। একপর্যায়ে বোমা সদৃশ্য বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় দৃর্বৃত্তরা।
তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এরপর তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করার। সেখান থেকে ব্যবসায়ী বিল্লাল, তার স্ত্রী সাথী ও ভাতিজা প্রিন্সকে ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এর আগেও ব্যবসায়ী বিল্লালের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও দুই দফায় তার ভাইয়ের গরু চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় হামলার শিকার ব্যবসায়ী বিল্লালের বড় ভাই আকবর মুন্সি অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত বলেই মনে করি। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই বিল্লালের স্থানীয় মজমবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। হামলাকারীরা আমার ভাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশেই ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে এবং অন্যদেরকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। অন্য ঘরে থাকা আমার বড় ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পাওয়ার পর ঘর থেকে বের হওয়ায় তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধরের পর সন্ত্রাসীরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে।
হামলায় নারী পুরুষসহ সাতজনকে আহত করা হয়েছে। তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের লোকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা শুধু আমার মায়ের কানের একজোড়া সোনার দুল নিতে পেরেছে।
দেউলা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আহত আমানুল্লাহ মুন্সি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের উপরেও হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়েছে, কাউকে চিহ্নিত করতে পারিনি। তারা ৫-৬ জনের একটা দল ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশাল টাইমসকে বলেন, ঘটনাটি শোনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি, তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি।
বরিশাল টাইমস
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৪ জুন, ২০২৬ ১৫:১২
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ভোলার মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. হাসিবের দুই দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধানে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি মাছঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১১ বছর বয়সী হাসিব ওই এলাকার বাসিন্দা। সে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম মো. হাফিজুল্লাহর একমাত্র ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে গ্রামে আসা আশপাশের ১০-১১ জন শিশুর সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায় হাসিব। এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীর মাঝের একটি চরে সাঁতরে যাওয়ার পর তীরে ফেরার পথে তীব্র স্রোতে পড়ে নিখোঁজ হয় হাসিব। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা মো. হাফিজুল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। সবাই তীরে ফিরলেও হাসিব আর ফিরতে পারেনি। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। একজন বাবা হিসেবে আমি আমার ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্তত আমার ছেলের মরদেহটি যেন খুঁজে দেয়।’
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারে তাদের অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাসিবের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদরের ইলিশা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে নদীতে যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় হাসিবের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

০১ জুন, ২০২৬ ১৬:২৪
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।
সাবেক মন্ত্রী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
বর্ণাঢ্য জীবন
তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
অ্যাকাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।
১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাস-সহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.