
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৪
মাত্র নয়দিন পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এম মধ্যে ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। তবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্র থেকে নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার (এনভিআর) সহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাইজভান্ডার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রে। যার কেন্দ্র নম্বর ১০৫। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
মাইজভান্ডার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমদ হোসেন মুফতি জানান, গত ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)
বিকেল চারটায় প্রতিদিনকার মতো বিদ্যালয় ছুটি হয়। সেদিন থেকে শুক্র, শনি ও রোববার বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। আজ (সোমবার) সকালে যথারীতি বিদ্যালয়ে এসে দেখি, একাধিক কক্ষের তালা ভাঙা। বিদ্যালয়ের ভেতরে গিয়ে দেখি, নির্বাচনি নিরাপত্তার জন্য সম্প্রতি লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার এনভিআর, রাউটার ও মনিটর নেই।
তিনি আরও বলেন, শুধু তাই নয়, চোরেরা বিদ্যালয়ের আইপিএস, ব্যাটারি, কম্পিউটারের মাউস, কি-বোর্ড, সাউন্ড বক্স, ব্যাংকের চেক বই ও বিদ্যালয়ের ঘণ্টাসহ নানান সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় নথিপত্র তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক বিষয়টি ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরের অনুপস্থিতেই এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবাই তাকে চার্জ করেছি। সে এই চারদিন বিদ্যালয়ে ছিল না। তিনি এই চুরির দায় স্বীকার করেছেন। সংগত কারণেই নৈশপ্রহরী এই চুরির দায় এড়াতে পারে না। তার কারণেই চুরির এই ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রের এত বড় ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফটিকছড়ি থানার একদল পুলিশ। তারা ঘটনার আদ্যোপান্ত শুনে বিদ্যালয়ের কর্মরত নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সঙ্গে নিয়ে থানায় যান।
জানতে চাইলে ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. সেলিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীকে থানায় ডেকেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে থানায় নিয়মিত মামলা হবে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা অল্পসময়ের মধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (এনভিআর) বসিয়ে ক্যামেরাসমূহ সচল করা হবে।
মাত্র নয়দিন পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এম মধ্যে ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। তবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্র থেকে নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার (এনভিআর) সহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাইজভান্ডার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রে। যার কেন্দ্র নম্বর ১০৫। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
মাইজভান্ডার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমদ হোসেন মুফতি জানান, গত ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)
বিকেল চারটায় প্রতিদিনকার মতো বিদ্যালয় ছুটি হয়। সেদিন থেকে শুক্র, শনি ও রোববার বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। আজ (সোমবার) সকালে যথারীতি বিদ্যালয়ে এসে দেখি, একাধিক কক্ষের তালা ভাঙা। বিদ্যালয়ের ভেতরে গিয়ে দেখি, নির্বাচনি নিরাপত্তার জন্য সম্প্রতি লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার এনভিআর, রাউটার ও মনিটর নেই।
তিনি আরও বলেন, শুধু তাই নয়, চোরেরা বিদ্যালয়ের আইপিএস, ব্যাটারি, কম্পিউটারের মাউস, কি-বোর্ড, সাউন্ড বক্স, ব্যাংকের চেক বই ও বিদ্যালয়ের ঘণ্টাসহ নানান সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় নথিপত্র তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক বিষয়টি ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরের অনুপস্থিতেই এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবাই তাকে চার্জ করেছি। সে এই চারদিন বিদ্যালয়ে ছিল না। তিনি এই চুরির দায় স্বীকার করেছেন। সংগত কারণেই নৈশপ্রহরী এই চুরির দায় এড়াতে পারে না। তার কারণেই চুরির এই ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রের এত বড় ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফটিকছড়ি থানার একদল পুলিশ। তারা ঘটনার আদ্যোপান্ত শুনে বিদ্যালয়ের কর্মরত নৈশপ্রহরী মো. জোবায়েরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সঙ্গে নিয়ে থানায় যান।
জানতে চাইলে ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. সেলিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীকে থানায় ডেকেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে থানায় নিয়মিত মামলা হবে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা অল্পসময়ের মধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (এনভিআর) বসিয়ে ক্যামেরাসমূহ সচল করা হবে।

২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৫
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
লক্ষ্মীপুরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শনিবার রাতে মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ওই শিক্ষার্থীর মা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের নাম মো. আবদুল আহাদ (৪৫)। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার ভুক্তভোগী ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। রাত প্রায় ৯টার দিকে ছাত্রের মা ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুল আহাদকে হেফাজতে নেয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুল আহাদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিষয়টি নজরে আসার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সতর্কীকরণ বার্তা দিয়েছেন সিইও।
ফেসবুকে দেওয়া সতর্কবার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রতারক চক্র তার নাম, ছবি ও অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে সিসিক এলাকার বিভিন্ন নাগরিকের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে যাচ্ছে। চক্রটি সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের কাছে বিকাশ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে প্রতারকদের ব্যবহৃত ছবিতে নামের বানান এবং পদবির তথ্যে ভুল রয়েছে।
সিইও মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রতারণামূলক ফোন বা বার্তায় কোনোভাবেই সাড়া দেবেন না এবং কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনে সরাসরি সিলেট সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরবাসী যাতে প্রতারণার শিকার না হন সেজন্য তাদের সতর্ক করার পাশাপাশি ইতোমধ্যে সিসিক দপ্তর থেকে এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
২১ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৭
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৫