বরিশালে গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর প্রতিনিধিত্বঃ প্রত্যাশা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বরিশাল নগরীর সদর রোডে অবস্থিত বিডিএস মিলনায়তনে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বরিশাল জেলার বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক।
বেলা ১১টায় সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মহানগর সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা তিথি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বরিশাল জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী উইং-মহিলা শাখার মহানগর সেক্রেটারি তানিয়া রশিদ নিপু এবং গণঅধিকার পরিষদ মহানগর কমিটির প্রচার সম্পাদক মাহফুজ নুসরাত মুনা।
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের বরিশালের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের বরিশাল জেলা সম্পাদক সাধনা রাণী ব্যাপারী।
গোলটেবিল বৈঠকে আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ব্লাস্ট বরিশাল ইউনিটের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শাহিদা তালুকদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, ডেইলি স্টারের বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ, সুজনের বরিশাল জেলা সম্পাদক রণজিৎ দত্ত, মহানগর সম্পাদক রফিকুল আলম, ঝালকাঠি জেলা সম্পাদক সাংবাদিক ইসমাঈল মুসাফির, বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন সভাপতি সেলিম রেজা, সুজন সম্পাদক ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি আরিফ আহমেদ মুন্না, ইউপি সদস্য ফাতেমা আক্তার লিপি, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের বরিশাল জেলা সমন্বয়কারী হাদিউজ্জামান সুজন, ইয়ুথ লিডার শুভ চৌধুরী, মালিহা আক্তার প্রমুখ। দিনব্যাপী প্রাণবন্ত ওই গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, এনজিও, তরুণ প্রতিনিধি ছাড়াও বরিশাল এবং ঝালকাঠি জেলার বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, 'দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচটি কাঠামোতে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে নির্বাচন হয়। কিন্তু তাতে নারীর অংশগ্রহণের চিত্র হতাশাজনক। ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য ৩টি সংরক্ষিত সদস্যপদ এবং উপজেলা পরিষদে একটি নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদ সংরক্ষিত রাখা হলেও চেয়ারম্যান পদে নারীরা আসছে না। আসলেও তারা টাকা এবং পেশিশক্তির কাছে অসহায় হয়ে নির্বাচিত হতে পারছে না। ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত নারীরা ন্যায্য বরাদ্দ এবং প্রকল্প পাওয়ার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন ইশতেহার দেওয়া হলেও দলীয় কমিটিতে তারা নারীদের রাখছে না। দলের জেলা উপজেলা বা মহানগরের মূল কমিটিতে শুধু নারী সম্পাদকের একটি পদ ছাড়া আর কোনো পদেই তারা নারীদের জায়গা দিচ্ছে না।'
বক্তারা আরো বলেন, 'সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষাসহ বিগত বছরগুলোতে পুরুষের তুলনায় নারীদের ফলাফল অনেক ভালো। সব ক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে। পড়াশোনা, চাকুরি এবং ব্যবসাক্ষেত্রে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে। কেবল রাজনীতিতে এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে পিছিয়ে থাকবে কেন নারীরা? সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত হলেও তাদের দেওয়া হয় না প্রাপ্য সম্মান কিংবা বাজেট বরাদ্দ। নারীদের পেশিশক্তি এবং টাকার ক্ষমতা কম থাকায় তারা রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ছে। দলীয় কোনো পদ-পদবি পাচ্ছে না। পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারছে না। রাজনীতিতে নারীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা প্রয়োজন। নাহলে কখনোই দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।'

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৭
বরিশালে গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর প্রতিনিধিত্বঃ প্রত্যাশা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বরিশাল নগরীর সদর রোডে অবস্থিত বিডিএস মিলনায়তনে দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বরিশাল জেলার বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক।
বেলা ১১টায় সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মহানগর সভাপতি অধ্যাপক ফারহানা তিথি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বরিশাল জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী উইং-মহিলা শাখার মহানগর সেক্রেটারি তানিয়া রশিদ নিপু এবং গণঅধিকার পরিষদ মহানগর কমিটির প্রচার সম্পাদক মাহফুজ নুসরাত মুনা।
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক বরিশাল জেলা সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের বরিশালের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের বরিশাল জেলা সম্পাদক সাধনা রাণী ব্যাপারী।
গোলটেবিল বৈঠকে আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ব্লাস্ট বরিশাল ইউনিটের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শাহিদা তালুকদার, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, ডেইলি স্টারের বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক সুশান্ত ঘোষ, সুজনের বরিশাল জেলা সম্পাদক রণজিৎ দত্ত, মহানগর সম্পাদক রফিকুল আলম, ঝালকাঠি জেলা সম্পাদক সাংবাদিক ইসমাঈল মুসাফির, বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন সভাপতি সেলিম রেজা, সুজন সম্পাদক ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি আরিফ আহমেদ মুন্না, ইউপি সদস্য ফাতেমা আক্তার লিপি, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের বরিশাল জেলা সমন্বয়কারী হাদিউজ্জামান সুজন, ইয়ুথ লিডার শুভ চৌধুরী, মালিহা আক্তার প্রমুখ। দিনব্যাপী প্রাণবন্ত ওই গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, এনজিও, তরুণ প্রতিনিধি ছাড়াও বরিশাল এবং ঝালকাঠি জেলার বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, 'দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচটি কাঠামোতে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে নির্বাচন হয়। কিন্তু তাতে নারীর অংশগ্রহণের চিত্র হতাশাজনক। ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য ৩টি সংরক্ষিত সদস্যপদ এবং উপজেলা পরিষদে একটি নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদ সংরক্ষিত রাখা হলেও চেয়ারম্যান পদে নারীরা আসছে না। আসলেও তারা টাকা এবং পেশিশক্তির কাছে অসহায় হয়ে নির্বাচিত হতে পারছে না। ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত নারীরা ন্যায্য বরাদ্দ এবং প্রকল্প পাওয়ার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন ইশতেহার দেওয়া হলেও দলীয় কমিটিতে তারা নারীদের রাখছে না। দলের জেলা উপজেলা বা মহানগরের মূল কমিটিতে শুধু নারী সম্পাদকের একটি পদ ছাড়া আর কোনো পদেই তারা নারীদের জায়গা দিচ্ছে না।'
বক্তারা আরো বলেন, 'সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষাসহ বিগত বছরগুলোতে পুরুষের তুলনায় নারীদের ফলাফল অনেক ভালো। সব ক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে। পড়াশোনা, চাকুরি এবং ব্যবসাক্ষেত্রে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে। কেবল রাজনীতিতে এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে পিছিয়ে থাকবে কেন নারীরা? সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত হলেও তাদের দেওয়া হয় না প্রাপ্য সম্মান কিংবা বাজেট বরাদ্দ। নারীদের পেশিশক্তি এবং টাকার ক্ষমতা কম থাকায় তারা রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ছে। দলীয় কোনো পদ-পদবি পাচ্ছে না। পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারছে না। রাজনীতিতে নারীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা প্রয়োজন। নাহলে কখনোই দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।'