
২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:১৯
ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের ইলিশ নিয়ে এসেছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের। ক্রেতাদের দাবি, ইলিশ কিনতে বাজারে এসে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সামর্থ্য অনুয়ায়ী পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে ভোলা শহরের কিচেন মার্কেটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভোলার তুলাতুলি, ইলিশার জংশন, ভোলার খাল, নাছির মাঝি মৎস্য ঘাটসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে ইলিশ নিয়ে এসেছে খুচরা বিক্রেতারা। এক কেজি, ৭০০-৯০০ গ্রাম, ২০০-৬০০ গ্রাম সব আকারেরই ইলিশ রয়েছে বিক্রেতাদের কাছে। বাজারও রয়েছে ক্রেতাদের বেশ ভিড়। কিন্তু ইলিশের দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট নন।
ক্রেতা মো. ইকবাল হোসেন, খাইরুল আলম ও খুশি আক্তার জানান, তারা বাজারের এসেছেন ইলিশ কিনতে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৭০০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি আকারের ইলিশ কেনার ইচ্ছে থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেননি বলে জানান তারা।
ক্রেতা আকলিমা বেগম, হারুন অর রশিদ ও শান্তা রহমান জানান, এক কেজির ইলিশ বাজারে ২৫০০-২৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সাগরের ইলিশ আরও ৫০০ টাকা কম হলেও তেমন সুস্বাদু না হওয়া সেগুলো কেনেননি।
ক্রেতা ফারজানা বেগম, তৈয়বুর রহমান ও মো. হেলাল জানান, সারাদেশে ৩৩ ভাড়ের বেশি ইলিশ অহরণ হয় ভোলায়। কিন্তু ভোলার বাজারের ইলিশের দাম ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার থেকে বেশি, এটি মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম বেশি রয়েছে। ইলিশের খুচরা বিক্রেতা মো. জয়নাল ও মো. জুয়েল ব্যাপারী জানান, জাটকার কেজি ৬০০-৭০০ টাকা, ৬০০-৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ১৪০০-২২০০ টাকা ও এক কেজি ও তার বেশি আকারের ইলিশের দাম ২৫০০-২৭০০ টাকা বিক্রি করছি।
বিক্রেতা মো. মহিউদ্দিন জানান, ইলিশের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছু বেড়েছে কিন্তু ঘাটে দাম কমেনি। চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেশি রয়েছে। ঘাট থেকে তারা বেশি দামে কিনে খুচরা বাজারের ১০০-২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন।
ভোলা সদরের তুলাতুলি মৎস্য ঘারে আড়তদার মো. কামাল ব্যাপারী ও মঞ্জু ইসলাম জানান, তারা ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের পাইকারি আড়ত থেকে দাদন এনে জেলেদের দিয়েছেন। এখন পাইকারি আড়তদারদের চাপ আছে কিন্তু তেমন সরবরাহ বাড়েনি। এজন্য দাম এখনও বেশি রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে। তখন কেজিপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা কমে যাবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, বর্তমানের ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। জেলেদের জালে ইলিশ ভালোই ধরা পড়ছে। আগামী কয়েক দিন পর বেশি ধরা পরবে। তখন জেলেরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাবেন। দামও কমে যাবে।
ভোলার বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের ইলিশ নিয়ে এসেছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে দাম নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের। ক্রেতাদের দাবি, ইলিশ কিনতে বাজারে এসে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সামর্থ্য অনুয়ায়ী পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে ভোলা শহরের কিচেন মার্কেটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভোলার তুলাতুলি, ইলিশার জংশন, ভোলার খাল, নাছির মাঝি মৎস্য ঘাটসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে ইলিশ নিয়ে এসেছে খুচরা বিক্রেতারা। এক কেজি, ৭০০-৯০০ গ্রাম, ২০০-৬০০ গ্রাম সব আকারেরই ইলিশ রয়েছে বিক্রেতাদের কাছে। বাজারও রয়েছে ক্রেতাদের বেশ ভিড়। কিন্তু ইলিশের দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট নন।
ক্রেতা মো. ইকবাল হোসেন, খাইরুল আলম ও খুশি আক্তার জানান, তারা বাজারের এসেছেন ইলিশ কিনতে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় পছন্দের আকারের ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৭০০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি আকারের ইলিশ কেনার ইচ্ছে থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেননি বলে জানান তারা।
ক্রেতা আকলিমা বেগম, হারুন অর রশিদ ও শান্তা রহমান জানান, এক কেজির ইলিশ বাজারে ২৫০০-২৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সাগরের ইলিশ আরও ৫০০ টাকা কম হলেও তেমন সুস্বাদু না হওয়া সেগুলো কেনেননি।
ক্রেতা ফারজানা বেগম, তৈয়বুর রহমান ও মো. হেলাল জানান, সারাদেশে ৩৩ ভাড়ের বেশি ইলিশ অহরণ হয় ভোলায়। কিন্তু ভোলার বাজারের ইলিশের দাম ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার থেকে বেশি, এটি মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম বেশি রয়েছে। ইলিশের খুচরা বিক্রেতা মো. জয়নাল ও মো. জুয়েল ব্যাপারী জানান, জাটকার কেজি ৬০০-৭০০ টাকা, ৬০০-৯০০ গ্রামের ইলিশের দাম ১৪০০-২২০০ টাকা ও এক কেজি ও তার বেশি আকারের ইলিশের দাম ২৫০০-২৭০০ টাকা বিক্রি করছি।
বিক্রেতা মো. মহিউদ্দিন জানান, ইলিশের সরবরাহ আগের চেয়ে কিছু বেড়েছে কিন্তু ঘাটে দাম কমেনি। চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেশি রয়েছে। ঘাট থেকে তারা বেশি দামে কিনে খুচরা বাজারের ১০০-২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছেন।
ভোলা সদরের তুলাতুলি মৎস্য ঘারে আড়তদার মো. কামাল ব্যাপারী ও মঞ্জু ইসলাম জানান, তারা ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের পাইকারি আড়ত থেকে দাদন এনে জেলেদের দিয়েছেন। এখন পাইকারি আড়তদারদের চাপ আছে কিন্তু তেমন সরবরাহ বাড়েনি। এজন্য দাম এখনও বেশি রয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়বে। তখন কেজিপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা কমে যাবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, বর্তমানের ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। জেলেদের জালে ইলিশ ভালোই ধরা পড়ছে। আগামী কয়েক দিন পর বেশি ধরা পরবে। তখন জেলেরা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাবেন। দামও কমে যাবে।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.