
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে স্থাপিত লবণাক্ততা দূরীকরণ প্ল্যান্ট থেকে বিশুদ্ধ পানির বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে।
প্ল্যান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকার সুবাদে তিনি এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
প্ল্যান্টটি থেকে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন সম্ভব। শুরুতে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হলেও ২০২৪ সালে তা ১ টাকা করা হয়। এতে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা আয় হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, কেয়ারটেকার, বিদ্যুৎ বিল ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাদে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ অর্থই জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট স্থাপনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়াও কেয়ারটেকার আব্দুল মন্নানের বিরুদ্ধে প্ল্যান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ‘ম্যানেজ’ করে এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসকে না জানিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এসব বিল তৈরি করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্ল্যান্টে বড় ধরনের কোনো মেরামত বা টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে।
কিন্তু কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্টরা অফিসকে না জানিয়ে বাইরে থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার তৈরি করেছে বলে তিনি জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্ল্যান্টে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হলেও অনেক সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেখায়।
সে কারণে বাইরে থেকে টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে স্থাপিত লবণাক্ততা দূরীকরণ প্ল্যান্ট থেকে বিশুদ্ধ পানির বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে।
প্ল্যান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকার সুবাদে তিনি এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
প্ল্যান্টটি থেকে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন সম্ভব। শুরুতে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হলেও ২০২৪ সালে তা ১ টাকা করা হয়। এতে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা আয় হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, কেয়ারটেকার, বিদ্যুৎ বিল ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাদে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ অর্থই জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট স্থাপনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়াও কেয়ারটেকার আব্দুল মন্নানের বিরুদ্ধে প্ল্যান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ‘ম্যানেজ’ করে এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসকে না জানিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এসব বিল তৈরি করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্ল্যান্টে বড় ধরনের কোনো মেরামত বা টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে।
কিন্তু কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্টরা অফিসকে না জানিয়ে বাইরে থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার তৈরি করেছে বলে তিনি জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্ল্যান্টে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হলেও অনেক সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেখায়।
সে কারণে বাইরে থেকে টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪
পিরোজপুর পৌরসভার মাছিমপুর জামাইপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে গাঁজার গাছ উদ্ধার এবং মাদক সেবনরত অবস্থায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর সদর থানার একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভাড়া বাসার পাশের বাগান থেকে গাঁজার ৮টি গাছ উদ্ধার করা হয়।
একই সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রিফাত (২৬), তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আউয়াল হাওলাদারের ছেলে এবং অপরজন ওই বাসার ভাড়াটিয়া মো. আল আমিন (২৯)।
অভিযানের দায়িত্বে থাকা এসআই রাধা রমন জানান, আল আমিন তার ভাড়া বাসার পাশের বাগানে নিজ হাতে গাঁজার গাছগুলো রোপণ করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গাঁজা সেবন এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাছ লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আলামতসহ থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
পিরোজপুর পৌরসভার মাছিমপুর জামাইপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে গাঁজার গাছ উদ্ধার এবং মাদক সেবনরত অবস্থায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর সদর থানার একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভাড়া বাসার পাশের বাগান থেকে গাঁজার ৮টি গাছ উদ্ধার করা হয়।
একই সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রিফাত (২৬), তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আউয়াল হাওলাদারের ছেলে এবং অপরজন ওই বাসার ভাড়াটিয়া মো. আল আমিন (২৯)।
অভিযানের দায়িত্বে থাকা এসআই রাধা রমন জানান, আল আমিন তার ভাড়া বাসার পাশের বাগানে নিজ হাতে গাঁজার গাছগুলো রোপণ করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গাঁজা সেবন এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাছ লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আলামতসহ থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৪
পিরোজপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট তীব্র আকার ধারণ করায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি, এমনকি শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলেও মোমবাতিই হয়ে উঠেছে আলোর অন্যতম ভরসা। এতে হু হু করে বেড়ে গেছে মোমবাতির চাহিদা।
পিরোজপুর সদর উপজেলা ও জিয়ানগর উপজেলাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। চলমান এসএসসি ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পরই আবার দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়-আসে তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে; গভীর রাতেও মিলছে না কোনো স্বস্তি।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর এলাকার বাসিন্দা তামান্না আক্তার বলেন, দিন-রাত মিলিয়ে এতবার বিদ্যুৎ যায় যে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে গেছে। বিশেষ করে গরমে ছোট শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
একই উপজেলার কদমতলা এলাকার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম বলেন, রাতে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না, আবার দিনের বেলায়ও কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও বড় ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে একযোগে একাধিক এলাকায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
জিয়ানগর বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী ইমদাদুল হক জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগের তুলনায় এখন প্রায় তিনগুণ বেশি মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণেই মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, পুরো উপজেলায় মোট ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, তবে আমরা পাচ্ছি মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো। বাকি ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি বহন করতে হচ্ছে। ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশীতে ২.৫০, পাড়েরহাটে ৩ এবং বালিপাড়া ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নে ২.৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ফুয়েল সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জেলার চাহিদা প্রায় ৭১ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৪৯ থেকে ৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০টি সাব-স্টেশনে বিদ্যুৎ বণ্টন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
পিরোজপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট তীব্র আকার ধারণ করায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি, এমনকি শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলেও মোমবাতিই হয়ে উঠেছে আলোর অন্যতম ভরসা। এতে হু হু করে বেড়ে গেছে মোমবাতির চাহিদা।
পিরোজপুর সদর উপজেলা ও জিয়ানগর উপজেলাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। চলমান এসএসসি ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পরই আবার দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়-আসে তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে; গভীর রাতেও মিলছে না কোনো স্বস্তি।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর এলাকার বাসিন্দা তামান্না আক্তার বলেন, দিন-রাত মিলিয়ে এতবার বিদ্যুৎ যায় যে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে গেছে। বিশেষ করে গরমে ছোট শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
একই উপজেলার কদমতলা এলাকার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম বলেন, রাতে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না, আবার দিনের বেলায়ও কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও বড় ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে একযোগে একাধিক এলাকায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
জিয়ানগর বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী ইমদাদুল হক জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগের তুলনায় এখন প্রায় তিনগুণ বেশি মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণেই মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, পুরো উপজেলায় মোট ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, তবে আমরা পাচ্ছি মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো। বাকি ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি বহন করতে হচ্ছে। ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশীতে ২.৫০, পাড়েরহাটে ৩ এবং বালিপাড়া ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নে ২.৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ফুয়েল সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জেলার চাহিদা প্রায় ৭১ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৪৯ থেকে ৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০টি সাব-স্টেশনে বিদ্যুৎ বণ্টন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৬
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩