Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দা নাখলু আক্তারের মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
মেয়ের এই মনোনয়ন প্রাপ্তিতে খুশি জানিয়ে মা বললেন, ‘রাজনীতি নিয়ে আমাদের (মা-মেয়ে) মাঝে কোনও মতানৈক্য হয়নি। এ নিয়ে কোনও ধরনের কথা হয়নি। শ্বশুর বাড়ি থাকার সুবাদে আমার মেয়ে ঢাকাতেই রাজনীতি করেছে।’
নাদিয়া পাঠান পাপন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতি থেকে শুরু করে তিনি কেন্দ্র পর্যন্ত পদে আসীন হন।
জুলাই অভ্যুত্থানেও তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন। নাদিয়া পাঠানের মা সৈয়দা নাখলু আক্তার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় জড়িত থাকার পাশাপাশি জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা সোমবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নাই।
মা সৈয়দা নাখলু আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি, বিজয়নগর মহিল আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের সদস্য ছিল। কিন্তু ওনার মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন বর্তমানে বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত হয়েছে!’
বিজয়নগরের সন্তান হওয়ায় দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর কথা স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন। বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বিকালে ওনার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি। যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে নাদিয়া পাঠানের মা সৈয়দা নাখলু আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আরও আগেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। আমার মেয়ে ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতি করতো। তবে রাজনীতি নিয়ে তার সঙ্গে কখনও আমার মতানৈক্য হয়নি। মেয়ে এমপি হলে মায়ের যে অনুভূতি হওয়ার কথা সেটাই আমার হচ্ছে।’
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দা নাখলু আক্তারের মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
মেয়ের এই মনোনয়ন প্রাপ্তিতে খুশি জানিয়ে মা বললেন, ‘রাজনীতি নিয়ে আমাদের (মা-মেয়ে) মাঝে কোনও মতানৈক্য হয়নি। এ নিয়ে কোনও ধরনের কথা হয়নি। শ্বশুর বাড়ি থাকার সুবাদে আমার মেয়ে ঢাকাতেই রাজনীতি করেছে।’
নাদিয়া পাঠান পাপন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতি থেকে শুরু করে তিনি কেন্দ্র পর্যন্ত পদে আসীন হন।
জুলাই অভ্যুত্থানেও তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন। নাদিয়া পাঠানের মা সৈয়দা নাখলু আক্তার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় জড়িত থাকার পাশাপাশি জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা সোমবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নাই।
মা সৈয়দা নাখলু আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি, বিজয়নগর মহিল আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের সদস্য ছিল। কিন্তু ওনার মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন বর্তমানে বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত হয়েছে!’
বিজয়নগরের সন্তান হওয়ায় দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর কথা স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন। বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার বিকালে ওনার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি। যার কারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে নাদিয়া পাঠানের মা সৈয়দা নাখলু আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আরও আগেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। আমার মেয়ে ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতি করতো। তবে রাজনীতি নিয়ে তার সঙ্গে কখনও আমার মতানৈক্য হয়নি। মেয়ে এমপি হলে মায়ের যে অনুভূতি হওয়ার কথা সেটাই আমার হচ্ছে।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বারাখওয়ানাত নামক জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু নাসের শামীম (বারা শামীম)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। বাড়িতে তার স্ত্রী ও চার ছেলে রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা এক ব্যক্তি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, একদল ডাকাত তার দোকানের কনটেইনার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় নগদ টাকা ও মালামাল লুটের সময় বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান ও সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। সরকারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১১
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট নুরুল আলম জানান, জাল সনদের চাকরি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ। এ কারণেই আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বারাখওয়ানাত নামক জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু নাসের শামীম (বারা শামীম)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। বাড়িতে তার স্ত্রী ও চার ছেলে রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা এক ব্যক্তি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, একদল ডাকাত তার দোকানের কনটেইনার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় নগদ টাকা ও মালামাল লুটের সময় বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান ও সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। সরকারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট নুরুল আলম জানান, জাল সনদের চাকরি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ। এ কারণেই আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।