ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাহিন্দ্রার চালকসহ আরও চার যাত্রী আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীর নাম ইয়াসির আরাফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের জানান, পটুয়াখালী থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে মাহিন্দ্রাটি বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে আসছিল। দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময় রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে যাওয়া বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের ধীরগতি সৃষ্টি হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৩
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৪৬
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪০
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন শিক্ষার্থী। এই বোর্ডে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সংখ্যাগতভাবে কমেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করেন সচিব অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৫৪৫ জন এবং ছাত্রী ৪২ হাজার ৯১৩ জন।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৯৫৫ জন এবং ছাত্রী ২৮ হাজার ৬০০ জন। অর্থাৎ ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা।
গত বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন শিক্ষার্থী। এই বোর্ডে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সংখ্যাগতভাবে কমেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করেন সচিব অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৫৪৫ জন এবং ছাত্রী ৪২ হাজার ৯১৩ জন।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৯৫৫ জন এবং ছাত্রী ২৮ হাজার ৬০০ জন। অর্থাৎ ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা।
গত বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৩
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাহিন্দ্রার চালকসহ আরও চার যাত্রী আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীর নাম ইয়াসির আরাফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের জানান, পটুয়াখালী থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে মাহিন্দ্রাটি বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে আসছিল। দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময় রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে যাওয়া বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের ধীরগতি সৃষ্টি হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।