
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৫
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পিরোজপুর-১, (নাজিরপুর-পিরোজপুর-জিয়ানগর) আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সুযোগ্য সন্তান জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশে মৎস্য, খনিজ, বনজ সম্পদ, সব থেকে বড় সম্পদ মানব সম্পদ সহ সকল সম্পদের অভাব না থাকলেও দুর্নীতির কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। আগামীতে সৎ, যোগ্য দেশ প্রেমিক কোরআন প্রেমী নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হলে, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের কর্মী সমাবেশে শেখমাঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হাফেজ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার তজবিহ হাতে জামায়াত-শিবিরকে কটাক্ষ করতো, সব সময় তাদের পিছনে লেগেই থাকতো। ঠিক একই পথে বিএনপিও হাঁটছে। এটা শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, তসবিহ ঠিকই আছে। বাংলাদেশের কোথাও কিছু ঘটলে জামায়াত-শিবিরের উপর দায় চাপানো হয়।
আমরা ন্যায়ের পথে আছি বলেই আমাদের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলছে। খুনী হাসিনা আমাদের অভিভাবকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মেরেছে, ভাইদেরকে গুলি করে মেরেছে, এত কিছু করেও আমাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতে ও কেউ পারবে না।
ডাকসু নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০৪ বছরের ইতিহাসে ২৮ টি পদের মধ্যে ২৩টি পদে ছাত্রশিবিরের যোগ্য নেতৃবৃন্দ বিজয় ছিনিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে, এটা তাদের আদর্শ, সততা, আচার আচরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের ঈমান মজবুত আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন তারা জয় করতে পেরেছে।
তিনি আগামী নির্বাচনকে উল্লেখ্য করে বলেন, পিরোজপুর- ১,২,৩ এই তিনটি আসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। মনে রাখতে হবে আগামী সংসদ নির্বাচন আগামী মাসে হবে এটা মনে করে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না, কেউ আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
তিনি পিআর পদ্ধতি উল্লেখ্য করে বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যতগুলো নির্বাচন হয়েছে এবং সে সকল নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তা পর্যালোচনা করে দেখা যায় তারা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, বাকি ৬৫ ভাগ ভোটারদের কোন মতামতের প্রয়োজন ছিল না।
৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদে বসে আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন গঠন করে দেশ চালিয়েছেন। আমরা সকল জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দেশ চালাতে চাই বলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। তারা চায় না বলে পি আর পদ্ধতিকে ভয় পায়।
এ সময়ে কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মজলিসুল মুফাসসিরিন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলম, জেলা জামায়াতের সাংস্কৃতি সম্পদক অধ্যাপক সোহরাব হোসাইন জুয়েল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারী সাবেক সেনাকর্মকর্তা কাজী মোসলেহ্ উদ্দিন, উপজেলা যুব বিভাগের সহ-সভাপতি মো: জাহিদুল হক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. মাহাফুজুর রহমান, সেক্রেটারি হাফেজ ইমরান হোসাইন সহ জামায়াতে ইসলামীর জেলা উপজেলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পিরোজপুর-১, (নাজিরপুর-পিরোজপুর-জিয়ানগর) আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সুযোগ্য সন্তান জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশে মৎস্য, খনিজ, বনজ সম্পদ, সব থেকে বড় সম্পদ মানব সম্পদ সহ সকল সম্পদের অভাব না থাকলেও দুর্নীতির কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। আগামীতে সৎ, যোগ্য দেশ প্রেমিক কোরআন প্রেমী নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হলে, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের কর্মী সমাবেশে শেখমাঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হাফেজ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার তজবিহ হাতে জামায়াত-শিবিরকে কটাক্ষ করতো, সব সময় তাদের পিছনে লেগেই থাকতো। ঠিক একই পথে বিএনপিও হাঁটছে। এটা শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, তসবিহ ঠিকই আছে। বাংলাদেশের কোথাও কিছু ঘটলে জামায়াত-শিবিরের উপর দায় চাপানো হয়।
আমরা ন্যায়ের পথে আছি বলেই আমাদের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলছে। খুনী হাসিনা আমাদের অভিভাবকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মেরেছে, ভাইদেরকে গুলি করে মেরেছে, এত কিছু করেও আমাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতে ও কেউ পারবে না।
ডাকসু নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০৪ বছরের ইতিহাসে ২৮ টি পদের মধ্যে ২৩টি পদে ছাত্রশিবিরের যোগ্য নেতৃবৃন্দ বিজয় ছিনিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে, এটা তাদের আদর্শ, সততা, আচার আচরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের ঈমান মজবুত আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন তারা জয় করতে পেরেছে।
তিনি আগামী নির্বাচনকে উল্লেখ্য করে বলেন, পিরোজপুর- ১,২,৩ এই তিনটি আসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। মনে রাখতে হবে আগামী সংসদ নির্বাচন আগামী মাসে হবে এটা মনে করে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না, কেউ আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
তিনি পিআর পদ্ধতি উল্লেখ্য করে বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যতগুলো নির্বাচন হয়েছে এবং সে সকল নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তা পর্যালোচনা করে দেখা যায় তারা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, বাকি ৬৫ ভাগ ভোটারদের কোন মতামতের প্রয়োজন ছিল না।
৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদে বসে আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন গঠন করে দেশ চালিয়েছেন। আমরা সকল জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দেশ চালাতে চাই বলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। তারা চায় না বলে পি আর পদ্ধতিকে ভয় পায়।
এ সময়ে কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মজলিসুল মুফাসসিরিন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলম, জেলা জামায়াতের সাংস্কৃতি সম্পদক অধ্যাপক সোহরাব হোসাইন জুয়েল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারী সাবেক সেনাকর্মকর্তা কাজী মোসলেহ্ উদ্দিন, উপজেলা যুব বিভাগের সহ-সভাপতি মো: জাহিদুল হক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. মাহাফুজুর রহমান, সেক্রেটারি হাফেজ ইমরান হোসাইন সহ জামায়াতে ইসলামীর জেলা উপজেলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০০
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১