
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৫
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পিরোজপুর-১, (নাজিরপুর-পিরোজপুর-জিয়ানগর) আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সুযোগ্য সন্তান জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশে মৎস্য, খনিজ, বনজ সম্পদ, সব থেকে বড় সম্পদ মানব সম্পদ সহ সকল সম্পদের অভাব না থাকলেও দুর্নীতির কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। আগামীতে সৎ, যোগ্য দেশ প্রেমিক কোরআন প্রেমী নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হলে, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের কর্মী সমাবেশে শেখমাঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হাফেজ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার তজবিহ হাতে জামায়াত-শিবিরকে কটাক্ষ করতো, সব সময় তাদের পিছনে লেগেই থাকতো। ঠিক একই পথে বিএনপিও হাঁটছে। এটা শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, তসবিহ ঠিকই আছে। বাংলাদেশের কোথাও কিছু ঘটলে জামায়াত-শিবিরের উপর দায় চাপানো হয়।
আমরা ন্যায়ের পথে আছি বলেই আমাদের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলছে। খুনী হাসিনা আমাদের অভিভাবকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মেরেছে, ভাইদেরকে গুলি করে মেরেছে, এত কিছু করেও আমাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতে ও কেউ পারবে না।
ডাকসু নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০৪ বছরের ইতিহাসে ২৮ টি পদের মধ্যে ২৩টি পদে ছাত্রশিবিরের যোগ্য নেতৃবৃন্দ বিজয় ছিনিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে, এটা তাদের আদর্শ, সততা, আচার আচরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের ঈমান মজবুত আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন তারা জয় করতে পেরেছে।
তিনি আগামী নির্বাচনকে উল্লেখ্য করে বলেন, পিরোজপুর- ১,২,৩ এই তিনটি আসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। মনে রাখতে হবে আগামী সংসদ নির্বাচন আগামী মাসে হবে এটা মনে করে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না, কেউ আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
তিনি পিআর পদ্ধতি উল্লেখ্য করে বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যতগুলো নির্বাচন হয়েছে এবং সে সকল নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তা পর্যালোচনা করে দেখা যায় তারা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, বাকি ৬৫ ভাগ ভোটারদের কোন মতামতের প্রয়োজন ছিল না।
৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদে বসে আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন গঠন করে দেশ চালিয়েছেন। আমরা সকল জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দেশ চালাতে চাই বলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। তারা চায় না বলে পি আর পদ্ধতিকে ভয় পায়।
এ সময়ে কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মজলিসুল মুফাসসিরিন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলম, জেলা জামায়াতের সাংস্কৃতি সম্পদক অধ্যাপক সোহরাব হোসাইন জুয়েল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারী সাবেক সেনাকর্মকর্তা কাজী মোসলেহ্ উদ্দিন, উপজেলা যুব বিভাগের সহ-সভাপতি মো: জাহিদুল হক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. মাহাফুজুর রহমান, সেক্রেটারি হাফেজ ইমরান হোসাইন সহ জামায়াতে ইসলামীর জেলা উপজেলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পিরোজপুর-১, (নাজিরপুর-পিরোজপুর-জিয়ানগর) আসনের সাংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সুযোগ্য সন্তান জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশে মৎস্য, খনিজ, বনজ সম্পদ, সব থেকে বড় সম্পদ মানব সম্পদ সহ সকল সম্পদের অভাব না থাকলেও দুর্নীতির কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব। আগামীতে সৎ, যোগ্য দেশ প্রেমিক কোরআন প্রেমী নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হলে, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের কর্মী সমাবেশে শেখমাঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হাফেজ আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মাওলানা জাকির হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ সাঈদি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার তজবিহ হাতে জামায়াত-শিবিরকে কটাক্ষ করতো, সব সময় তাদের পিছনে লেগেই থাকতো। ঠিক একই পথে বিএনপিও হাঁটছে। এটা শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, তসবিহ ঠিকই আছে। বাংলাদেশের কোথাও কিছু ঘটলে জামায়াত-শিবিরের উপর দায় চাপানো হয়।
আমরা ন্যায়ের পথে আছি বলেই আমাদের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলছে। খুনী হাসিনা আমাদের অভিভাবকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মেরেছে, ভাইদেরকে গুলি করে মেরেছে, এত কিছু করেও আমাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতে ও কেউ পারবে না।
ডাকসু নির্বাচনকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১০৪ বছরের ইতিহাসে ২৮ টি পদের মধ্যে ২৩টি পদে ছাত্রশিবিরের যোগ্য নেতৃবৃন্দ বিজয় ছিনিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে, এটা তাদের আদর্শ, সততা, আচার আচরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের ঈমান মজবুত আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন তারা জয় করতে পেরেছে।
তিনি আগামী নির্বাচনকে উল্লেখ্য করে বলেন, পিরোজপুর- ১,২,৩ এই তিনটি আসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। মনে রাখতে হবে আগামী সংসদ নির্বাচন আগামী মাসে হবে এটা মনে করে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না, কেউ আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
তিনি পিআর পদ্ধতি উল্লেখ্য করে বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যতগুলো নির্বাচন হয়েছে এবং সে সকল নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তা পর্যালোচনা করে দেখা যায় তারা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, বাকি ৬৫ ভাগ ভোটারদের কোন মতামতের প্রয়োজন ছিল না।
৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদে বসে আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন গঠন করে দেশ চালিয়েছেন। আমরা সকল জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দেশ চালাতে চাই বলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। তারা চায় না বলে পি আর পদ্ধতিকে ভয় পায়।
এ সময়ে কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মজলিসুল মুফাসসিরিন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলম, জেলা জামায়াতের সাংস্কৃতি সম্পদক অধ্যাপক সোহরাব হোসাইন জুয়েল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারী সাবেক সেনাকর্মকর্তা কাজী মোসলেহ্ উদ্দিন, উপজেলা যুব বিভাগের সহ-সভাপতি মো: জাহিদুল হক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. মাহাফুজুর রহমান, সেক্রেটারি হাফেজ ইমরান হোসাইন সহ জামায়াতে ইসলামীর জেলা উপজেলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.