
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের পকেট ভারি করেছে। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নওগাঁর এ.টিম মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হ্যাক ও অপপ্রচারের অভিযোগ
নিজের বিরুদ্ধে চলা অপপ্রচারের জবাব দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গত ৫ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ (অপপ্রচার) করা হচ্ছে।
যারা এই দেশকে গোলামের রাষ্ট্রে বানাতে চায়, তারা আমার এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করে জালিয়াতির মাধ্যমে এসব মিথ্যা ছড়াচ্ছে। আমাদের আইটি টিম তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আফসোস হলো-দীর্ঘদিন যারা একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলাম, সেই দলের ভায়েরাই এখন আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। আমি তাদের কোনো উত্তর দেইনি, দিতেও চাই না।
আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি এবং আল্লাহর কাছেও তাদের জন্য ক্ষমা চাই।
জুলাই স্মৃতি ও হুঁশিয়ারি
জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন মায়েদের ওপর হাত দেওয়া হয়েছিল, তখন সারাদেশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, ইদানীং কেউ কেউ মায়েদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করছেন। যদি মায়েদের সম্মান করতে না পারেন, হুমকি-ধমকি বন্ধ না করেন, তবে জুলাইয়ের মতো আবারও আন্দোলন হবে।
মনে রাখতে হবে, সন্তানেরা এখনো ঘুমায়নি।
উত্তরবঙ্গ ও স্থানীয় উন্নয়ন
নওগাঁকে দেশের খাদ্যভাণ্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট্ট এই জেলাটি দেশের খাদ্যের যোগান দিলেও তারা ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। আল্লাহ সুযোগ দিলে এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নতমানের মেডিকেল কলেজ করা হবে। এছাড়া আম, কুল ও লিচু চাষিদের সুবিধার্থে একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন
নেতৃত্ব ও শিক্ষা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া ছাত্রীদের জন্য মাস্টার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে।
তিনি ঘোষণা করেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা এমন নিরাপদ জনপদ গড়তে চাই, যেখানে মায়েদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না।
লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতি দমন
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ইনশাআল্লাহ আমরা কথা দিচ্ছি, ক্ষমতায় গেলে নতুন করে আর কাউকে চুরি ও দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। আর লুন্ঠিত টাকা পেটের মধ্যে হাত দিয়ে বের করে আনা হবে, যা সরকারের কোষাগারে যুক্ত হবে।
উত্তরবঙ্গ হবে কৃষি শিল্পের রাজধানী
নওগাঁ ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে ছোট্ট এই জেলাটি। কিন্তু তারা তাদের ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা ইতিমধ্যে কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নত মানসম্মত মেডিকেল কলেজ করা হবে। আম, কুল ও লিচু সংরক্ষণের জন্য একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
নারীদের শিক্ষা ও মেরিটোক্রেসি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের জন্য আমাদের বিশেষ কর্মসূচি থাকবে। মাস্টার্স পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে মায়েদের প্রতি কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না, এমন নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের পকেট ভারি করেছে। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নওগাঁর এ.টিম মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হ্যাক ও অপপ্রচারের অভিযোগ
নিজের বিরুদ্ধে চলা অপপ্রচারের জবাব দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গত ৫ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ (অপপ্রচার) করা হচ্ছে।
যারা এই দেশকে গোলামের রাষ্ট্রে বানাতে চায়, তারা আমার এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করে জালিয়াতির মাধ্যমে এসব মিথ্যা ছড়াচ্ছে। আমাদের আইটি টিম তাদের শনাক্ত করতে পেরেছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আফসোস হলো-দীর্ঘদিন যারা একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলাম, সেই দলের ভায়েরাই এখন আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। আমি তাদের কোনো উত্তর দেইনি, দিতেও চাই না।
আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি এবং আল্লাহর কাছেও তাদের জন্য ক্ষমা চাই।
জুলাই স্মৃতি ও হুঁশিয়ারি
জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের অবদানের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন মায়েদের ওপর হাত দেওয়া হয়েছিল, তখন সারাদেশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক বিষয়, ইদানীং কেউ কেউ মায়েদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করছেন। যদি মায়েদের সম্মান করতে না পারেন, হুমকি-ধমকি বন্ধ না করেন, তবে জুলাইয়ের মতো আবারও আন্দোলন হবে।
মনে রাখতে হবে, সন্তানেরা এখনো ঘুমায়নি।
উত্তরবঙ্গ ও স্থানীয় উন্নয়ন
নওগাঁকে দেশের খাদ্যভাণ্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছোট্ট এই জেলাটি দেশের খাদ্যের যোগান দিলেও তারা ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। আল্লাহ সুযোগ দিলে এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নতমানের মেডিকেল কলেজ করা হবে। এছাড়া আম, কুল ও লিচু চাষিদের সুবিধার্থে একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন
নেতৃত্ব ও শিক্ষা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া ছাত্রীদের জন্য মাস্টার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে।
তিনি ঘোষণা করেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা এমন নিরাপদ জনপদ গড়তে চাই, যেখানে মায়েদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না।
লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতি দমন
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ইনশাআল্লাহ আমরা কথা দিচ্ছি, ক্ষমতায় গেলে নতুন করে আর কাউকে চুরি ও দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। আর লুন্ঠিত টাকা পেটের মধ্যে হাত দিয়ে বের করে আনা হবে, যা সরকারের কোষাগারে যুক্ত হবে।
উত্তরবঙ্গ হবে কৃষি শিল্পের রাজধানী
নওগাঁ ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে ছোট্ট এই জেলাটি। কিন্তু তারা তাদের ন্যায্য অধিকার পায়নি। উত্তরবঙ্গকে আমরা ইতিমধ্যে কৃষি শিল্পের রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছি। এখানে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও উন্নত মানসম্মত মেডিকেল কলেজ করা হবে। আম, কুল ও লিচু সংরক্ষণের জন্য একাধিক হিমাগার (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ করা হবে।
নারীদের শিক্ষা ও মেরিটোক্রেসি
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ছাত্রীদের জন্য আমাদের বিশেষ কর্মসূচি থাকবে। মাস্টার্স পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা শুধু রাজার ছেলে রাজা এবং বংশপরম্পরায় নেতৃত্ব-এটা চাই না। একজন ভ্যানচালকের ছেলে যদি মেধাবী হয়, তবে তাকেও দেশ পরিচালনা করার ব্যবস্থা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অঙ্গীকার-আমরা চাঁদাবাজি করি না, কাউকে করতেও দেবো না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত নয়। আমরা ক্ষমতায় গেলে মায়েদের প্রতি কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না, এমন নিরাপদ জনপদ গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.