২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন আগামী ২৫ ডিসেম্বর। দেশে ফেরার আগে এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। পোস্টটি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড পেজ পোস্টটি শেয়ার করা হয়।
পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো, পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন। আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।
তিনি লেখেন, আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সব সময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য
তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ; সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল।
জাইমা লিখেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।
তিনি আরও লেখেন, আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।
তিনি লেখেন, অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারো সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক।
জাইমা রহমান লেখেন, আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।
পরিশেষে তিনি লেখেন, আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে, আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।
বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন আগামী ২৫ ডিসেম্বর। দেশে ফেরার আগে এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। পোস্টটি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড পেজ পোস্টটি শেয়ার করা হয়।
পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো, পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন। আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।
তিনি লেখেন, আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সব সময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য
তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ; সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল।
জাইমা লিখেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।
তিনি আরও লেখেন, আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।
তিনি লেখেন, অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারো সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক।
জাইমা রহমান লেখেন, আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।
পরিশেষে তিনি লেখেন, আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে, আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৬
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট জিতলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের প্রধান দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড্ডায় ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারবে না।
এদেশের মানুষ মেধাবী এবং পরিশ্রমী। অতীতের নেতৃত্বের মধ্যে সততার অভাব ছিল। তাদের মধ্যে দুর্নীতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সেই শপথ ছিল না।
দেশের প্রতি দায় ছিল না। এই জন্যেই বাংলাদেশ আগাতে পারেনি। আমরা আশা করবো, যুবকরা আমাদের হতাশ করবে না। তারা আমাদের সামনে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এখানে দুইজন প্রার্থী আছেন, দুইজনকে আপনারা চিনেন। নাহিদ ইসলামের জন্ম এখানে, বেড়ে ওঠাও। এখানে আমি মার কাছে মাসির গল্প শোনাতে চাই না।
আমার চাইতে নাহিদকে আপনারা ভালো চিনেন। কিন্তু এটা বলতে চাই, ইনসাফের বাংলাদেশের পক্ষে জনগণের রায় আল্লাহর মেহেরবানিতে যদি অর্জিত হয়, তাহলে সেই সরকারে অবশ্যই নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন, ইনশাআল্লাহ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আজকে যারা দাঁড়িপাল্লা নিয়ে আসছে তারা স্বার্থন্বেষী মহল। তারা বলেন, দাঁড়িপাল্লা ইনসাফের প্রতীক।
হ্যাঁ; কোন ইনসাফ! দাঁড়িপাল্লার পাল্লা দুইটা। এক পাল্লায় দেখি গোপনে আমেরিকা, অন্য পাল্লায় দেখি গোপনে ভারত। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, আমরা বাংলাদেশের মানুষ। আমরা আমেরিকার ইনসাফ দেখতে চাই না, আমরা ভারতে ইনসাফ দেখতে চাই না। আমরা ইসলামের ইনসাফ দেখতে চাই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ বলেনি আমরা ইসলামভিক্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। তারা বলেছে, প্রচলিত ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবো।
আমরা বলেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যদি বিজয়ী হয়, তাহলে আমরা ইসলামভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবো। ৫৪ বছর দেশ স্বাধীন হলো। প্রচলিত এই আইনের কারণেই দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চোরের দেশে পরিণত হয়েছে।
এই আইনের কারণেই এই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে বিদেশে বেগমপাড়া তৈরি হয়েছে। এই আইনের কারণেই অন্য দেশের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখাতে পারবো না। আমরা দেখেছি যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন বিএনপি ঘর ছেড়ে পালায়, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন আওয়ামী লীগ ঘর ছেড়ে পালায়।
ইসলামী আন্দোলন যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কোনো নিরপরাধ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে হবে না। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট চেয়ে বলেন, হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে যদি একটা ভোট পড়ে তাহলে ইসলামের পক্ষে একটা শক্তি বাড়ে।
তাই নতুন ভোটারসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।উপজেলার পাবলিক মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আব্দুল মালেক আনোয়ারী।
আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা নাসির আহমেদ কাউসার, হাবিবুর রহমান মিসবাহ, বাউফল উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব আবুল হোসেন হাওলাদার এবং মাওলানা নুরুল আমিন প্রমুখ।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলেন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা স্বাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন।
১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.