
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৫
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৪
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করবে। গণমাধ্যমের কাজ হলো সমস্যা তুলে ধরা এবং আমাদের নজরে আনা। আমরা সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সবাই মিলে কাজ করলে সব কিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেননি। তিনি আশ্বাস দেন যে দুই-চার মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এর আগে মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করবে। গণমাধ্যমের কাজ হলো সমস্যা তুলে ধরা এবং আমাদের নজরে আনা। আমরা সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সবাই মিলে কাজ করলে সব কিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেননি। তিনি আশ্বাস দেন যে দুই-চার মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এর আগে মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৩
দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ শেষে ঠাকুরগাঁও হাফেজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
তিনি বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন হবে; গণতন্ত্রকে তার প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া হবে। ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে আমি সবসময় ঋণী। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে বলে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সহ নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য যে, সরকার গঠনের পর তিনদিনের সরকারি সফরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। মসজিদের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে নিজ এলাকায় শুরু করেন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
শুক্রবার বিকেলে ইএসডিও এর আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শনিবার সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিকেলে জেলা বিএনপি মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন তিনি। পরদিন সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন৷
দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ শেষে ঠাকুরগাঁও হাফেজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
তিনি বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন হবে; গণতন্ত্রকে তার প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া হবে। ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে আমি সবসময় ঋণী। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে বলে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সহ নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য যে, সরকার গঠনের পর তিনদিনের সরকারি সফরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। মসজিদের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে নিজ এলাকায় শুরু করেন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
শুক্রবার বিকেলে ইএসডিও এর আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শনিবার সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিকেলে জেলা বিএনপি মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন তিনি। পরদিন সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন৷

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪২
জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর নেতাকর্মীদের আচরণ পরিবর্তন হলে স্থানীয় নির্বাচনে জনগণ জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতিতে দেশে মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। মানুষের ওপর খবরদারির রাজনীতি কেউ চায় না। গণপ্রতিরোধের মাধ্যমে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে। তাই নেতাকর্মীদের স্বভাব-চরিত্র পরিবর্তন হলে স্থানীয় নির্বাচনেও দেশের জনগন ভোটের মাধ্যমে জবাব দিবে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাস করবে। আইনের শাসন থাকবে। সবাই সমান সুযোগ লাভ করবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম প্রশাসনকে সহযোগিতা করে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রত্যেকটি উপজেলায় খাল খননের জন্য তালিকা চেয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে ফসল বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। এর আগে পথসভায় উপস্থিত থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর নেতাকর্মীদের আচরণ পরিবর্তন হলে স্থানীয় নির্বাচনে জনগণ জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতিতে দেশে মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। মানুষের ওপর খবরদারির রাজনীতি কেউ চায় না। গণপ্রতিরোধের মাধ্যমে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে। তাই নেতাকর্মীদের স্বভাব-চরিত্র পরিবর্তন হলে স্থানীয় নির্বাচনেও দেশের জনগন ভোটের মাধ্যমে জবাব দিবে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাস করবে। আইনের শাসন থাকবে। সবাই সমান সুযোগ লাভ করবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম প্রশাসনকে সহযোগিতা করে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রত্যেকটি উপজেলায় খাল খননের জন্য তালিকা চেয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে ফসল বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। এর আগে পথসভায় উপস্থিত থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৯
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪৩
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৪